শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০
শুক্রবার, ১৭ই আশ্বিন ১৪২৭
সর্বশেষ
 
 
"ঢাকাদক্ষিণ" ধামের ইতিকথা
প্রকাশ: ০৫:৫৫ pm ২৭-০৭-২০২০ হালনাগাদ: ০৫:৫৫ pm ২৭-০৭-২০২০
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


কলিযুগের ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভুর পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের সিলেট (পূর্ববর্তী নাম - শ্রীহট্র) জেলার গোলাপগঞ্জ থানাধীন "ঢাকাদক্ষিণ ধাম"।  

কলি যুগের ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভু যখন শচীমাতার গর্ভে ছিলেন, তখন তাঁহার পিতামাতা এখানে এসেছিলেন। সুদীর্ঘ পাঁচ-ছয় মাস এখানে অতিবাহিত করেছিলেন। তারপর তাঁহার ঠাকুরমাকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং স্বপ্নযোগে দর্শন দিয়ে বলেছিলেন - 'তোমার পুত্রবধূর গর্ভে যে সন্তান আসিতেছে, সে হবে কলি যুগের পরিত্রাতা ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভু। তাদেরকে এখানে না রেখে নদীয়ায় নবদ্বীপে পাঠিয়ে দাও।' জগন্নাথ মিশ্র ও শচীমাতা যখন নদীয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল, পথিমধ্যে গঙ্গাবক্ষে শচীমাতার প্রসব বেদনা উঠেছিল। গঙ্গা পাড়ি দেওয়ার পরে ওপারে এক নিমবৃক্ষের তলে শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম হয়েছিল। এভাবে শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভুর বয়স যখন ২৪-২৫ বছর হয়েছিল, তখন তিনি সন্ন্যাসধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। শচীমাতা তাঁহার শাশুড়ীকে কথা দিয়েছিলন যে, এই সন্তানকে তিনি তাঁহার শাশুড়ীকে দর্শন করতে নিয়ে আসবেন। জগতমাতা শচীমাতার দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভু সন্ন্যাসবেশে তাঁর এই পৈতৃক ভিটা-জায়গা বাংলাদেশের সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানাধীন ঢাকাদক্ষিণ ধামে এসেছিলেন। সেখানে এসে তিনি তাঁর ঠাকুরমাকে তথা বংশোদ্ভূত সকলকে দর্শন দিয়েছিলেন। "ঢাকাদক্ষিণ" মানে যমের দক্ষিণ দ্বার বন্ধ। এখানের ধূলি অঙ্গে মাখলে, দর্শন করলে ; তাহার যমের দক্ষিণ দ্বার চিরকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এজন্যই এইজায়গার নামকরণ হয়েছে "ঢাকাদক্ষিণ" ধাম।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

 

E-mail: info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Ltd.

Request Mobile Site

Copyright © 2020 Eibela.Com
Developed by: coder71