eibela24.com
বুধবার, ০৫, আগস্ট, ২০২০
 

 
সন্ধ্যায় আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় আম্পান
আপডেট: ০৫:১২ pm ২০-০৫-২০২০
 
 


বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় আম্পান বুধবার সন্ধ্যায় দেশের সমুদ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এ সময় স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। 

আবহাওয়া অধিদপ্তর গনমাধ্যমকে জানান, আজ সন্ধ্যা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার উপকূলের সাগরদ্বীপ দিয়ে আম্পান আঘাত হানবে। বাংলাদেশে এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে সাতক্ষীরা জেলায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঝড়টি শক্তি হারিয়ে দেশে প্রবেশ করবে। সাতক্ষীরার পাশাপাশি খুলনা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়েও ঝড়ো বাতাস বয়ে যাবে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কি.মি. থেকে ২০০ কি. মি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আম্পানের প্রভাবে সাগর উত্তাল রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় আম্পান দুপুর তিনটায় মোংলা বন্দর থেকে ২০০ কিলোমিটার ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে এটি পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে।

মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর ১০ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর ৯ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমের সময় ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কি. মি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় ও দ্বিতীয় পক্ষের চাঁদের সময়ের শেষ দিনের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা, অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০-১৫ ফুটের বেশি জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

নি এম/