eibela24.com
শুক্রবার, ৩০, অক্টোবর, ২০২০
 

 
চিতলমারীতে মধুমতি নদীর পাড় দখলের পায়তারা
আপডেট: ০৮:৪৪ pm ৩০-০৭-২০২০
 
 


বাগেরহাটের চিতলমারীতে মধুমতি নদী পুনঃখনন শেষ হতে না-হতে চলছে নদীর দু'পাড় দখলের পায়তারা। রাতারাতি কেউ বাঁশ-কাঠ দিয়ে আবার কেউ ইট বালু দিয়ে তৈরি করছে অবৈধ স্থাপনা। সরকারি নজরদারি না থাকায় দখল বাজদের কোন অসুবিধা হচ্ছে না। নদীর ভিতর এমন শতশত পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ হওয়ায় চরম ভাবে বাধাগ্রস্থ পানি প্রবাহ। এতে বন্ধ হতে চলেছে নৌ-রাস্তা। আর ভেস্তে যেতে বসেছে সরকারি ২৫৬ কোটি টাকার পুনঃ নদী-খাল খননের প্রকল্প। নদী ও খাল পুনঃ খননের কাজ শেষ হতে না-হতে ইতিমধ্যে মধুমতি নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেছেন শান্তিপুর ব্রীজের গোড়ায় সুকেশ মন্ডল, বোয়ালিয়া গ্রামে ভক্ত মন্ডল, বিপুল বিশ্বাস, বাপ্পী, কুড়ালতলা ব্রীজের গোড়ায় রাসেক মিয়া, মান্নান গাজী, অলি গাজী ও মিন্টু শেখসহ ১৫-২০ জন। তাদের স্থাপনায় পানি প্রবাহ চরম ভাবে বাধা গ্রস্থ হচ্ছে।

বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, নদী এবং খালে পানি প্রবাহ ও গতি ফিরিয়ে আনতে চিতলমারীর পুরাতন মধুমতি, হক ক্যানেল ও মরাচিত্র নদীসহ ৩ টি নদী এবং ৫৫টি খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়। এ প্রকল্পে ২৫৬ কোটি টাকা ব্যায় ধরা হয়। যেটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয় ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর। ওই প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে বেশ কিছু খাল পুনঃখনন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে রাসেক মিয়া জানান, তিনি মধুমতি নদীর পাড়ে ঘর করলেও নদীর মধ্যে যাননি। এতে পানি প্রবাহের কোন ক্ষতি হবে না। 

এবিষয়ে বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃনাহিদুজ্জামান জানান, নদী ও খালপুনঃখননের কাজ এখনও শেষ হয়নি। এরমধ্যে যদি কেউ দখল করে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাছাড়া আমাদের উচ্ছেদ অভিযান এখনো শেষ হয়নি। নদীর জায়গায় কেউই মারত গড়লে তা ভেঙে দেয়া হবে।

নি এম/বিভাষ