শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮
শুক্রবার, ৫ই শ্রাবণ ১৪২৫
 
 
 জাপানি দম্পতির হিন্দু রীতিতে বিয়ে
প্রকাশ: ১০:৪৪ am ০৬-০১-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:৪৪ am ০৬-০১-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


বিয়ে মানেই জীবনের স্মরণীয় একটা ঘটনা। সেটাকে আরও স্মরণীয় করে রাখতে সনাতন ধর্ম মতে  বিয়ে করলেন জাপানি জুটি। অগ্নিসাক্ষী করে ঘুরলেন সাতপাক। মুখে সংস্কৃত মন্ত্রের উচ্চারণ। “যদিদং হৃদয়ং তব, তদিদং হৃদয়ং মম।” মাথায় লাল সিঁদুর। হল মালাবদলও। হিন্দুমতে বিয়ে করা স্বপ্ন ছিল এক জাপানি জুটির। মাদুরাইয়ে স্বপ্নের বিয়ে সেরে ফেললেন তাঁরা। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেল জাপানি দম্পতির বিয়ের ছবি। টোকিও থেকে মাদুরাইয়ে এসে হিন্দুশাস্ত্র মতে বিয়ে করলেন এই দম্পতি।

বিয়ের সময় আগুনকে সাক্ষী করে সাতপাকে ঘুরতে হয়। বাংলায় একে বলে সপ্তপদী। আর তামিলে সপ্তপথী। হিন্দুমতের এইসব নিয়মকানুন মানা হলএই বিয়েতে। প্রাচীন প্রথা, গান ও নাচের মাধ্যমে হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। কিন্তু হঠাৎ তামিল মতে বিয়ে করার ইচ্ছে কেন হল জাপানি দম্পতির? তামিলের সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে ভালোবেসে ফেলেছিলেন বিয়ের এই রেওয়াজ। পাত্র ইউতোর বয়স ৩১ ও পাত্রী চিহারুর ২৭। দক্ষিণ ভারতীয় সংস্কৃতির ছোঁয়াতে বিয়ে করে স্বপ্নপূরণ করলেন দম্পতি। জানা গেছে, গতবছর এপ্রিলে টোকিওতে ছোট করে বিয়ে করেন দম্পতি। এরপর মাদুরাইয়ে এসে হিন্দুমতে বিয়ে করলেন তাঁরা। 

জাপানে থাকেন মাদুরাইয়ের দম্পতি ভেঙ্কটেশ ও ভি বিনোদিনী নামে এক দম্পতি।  পুরোহিত ও বিয়ের অন্য জোগাড় করে দেন তাঁরাই। অনুষ্ঠানে চিহারুর পরনে ছিল লাল ও সোনালির রঙের বিয়ের শাড়ি। তামিল সংস্কৃতি মেনে ধুতি ও পাঞ্জাবি পরেছিলেন ইউতো। মাদুরাইয়ে এসেছিলেন তাঁদের পরিবার সদস্যরাও। প্রত্যেকের পরনে ছিল তামিল সংস্কৃতির পোশাক। 

বিয়ের পর চিহারু দিব্যি তামিল ভাষায় বলে ফেললেন, কীভাবে এমন অভিনব বিয়ের প্রস্তাব মাথায় এসেছে। তিনি বলেন, “আমার নাম চিহারু। আমি জাপান থেকে এসেছি। কলেজে ভাষাতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছি। তখন তামিল বেছে নিয়েছিলাম। সেই সময় একবার মাদুরাইতে ঘুরে গেছিলাম। এই দেশ ও সংস্কৃতিকে তখন থেকে ভালোবেসে ফেলেছি আমি। চেয়েছিলাম, আমার বিয়েও এমন ভারতীয় সংস্কৃতি মেনে হোক। তামিলনাড়ুর সংস্কৃতির পীঠস্থান বলা হয় মাদুরাইকে। তাই এখানেই বিয়ের পরিকল্পনা করি।” ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিয়ে হওয়ায় স্বামী ইউতো অভিভূত। তিনি বলেন, “এই অভিজ্ঞতা আমার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে বিয়ে করতে পেরে আমি গর্বিত।”

প্রচ
 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71