সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৯ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
 ফুলবাড়িয়ায় ১০০ একর জমি জবরদখলের অভিযোগ
প্রকাশ: ০৯:৩১ pm ১৭-০৬-২০১৭ হালনাগাদ: ০৯:৩১ pm ১৭-০৬-২০১৭
 
 
 


রবীন্দ্র নাথ; (ময়মনসিংহ প্রতিনিধি): ফুলবাড়িয়ায় পুলিশের সহায়তায় ব্যক্তি মালিকানাধীন ও বনবিভাগের প্রায় ১০০ একর জমি একটি প্রভাবশালী মহল জোরপূর্বক জবরদখল করে রাতারাতি দেয়াল নির্মাণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগি পরিবার।

আজ দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভূক্তভোগি পরিবারের পক্ষে এনামুল কবির কাজল এই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জবরদখলকৃত জমির মধ্যে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের ১৭ একর ও  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডা. মো আব্দুস শুকুরের ৮ একরসহ একাধিক নিরীহ মানুষের বাড়িভিটা এবং বনবিভাগের জমি রয়েছে। জোরপূর্বক জবরদখলের কারনে উচেছদের শিকার হয়েছেন ২৫টি পরিবার।

তাদের অভিযোগ, স্বেচ্চায় জমি বিক্রি না করায় এবং রেজিষ্ট্রি করে দিতে রাজী না হওয়ায় একাধিক মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছেন উচ্ছেদের শিকার পরিবারের সদস্যরা। এছাড়াও জমি লিখে দিতে রাজী না হওয়ায় টিনের চাল ও ঘরের আসবাবপত্র নির্মিত দেয়ালের বাইরে ফেলে দিয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছে স্থানীয় শফিকের পরিবারকে। এঘটনার প্রতিবাদ করায় শফিককে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হলে তিন মাস পর জামিনে মুক্ত হন তিনি। এখন তাকে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। জমি লিখে না দেয়ায় মোতালেবের পুত্র আলিমকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে প্রকাশ্য বেধড়ক মারধর করে ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশ।

এই ঘটনার পর মোতালেব এলাকা ছেড়ে ভালুকার চামাদি গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, এসব পরিবারকে উচ্ছেদ ও জোরপুর্বক জবরখলসহ দেয়াল নির্মাণের সময় সার্বক্ষণিক ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশ উপস্থিত ছিল। কেউ প্রতিবাদ করলেই তাকে পুলিশ দিয়ে পেটানো কিংবা হয়রানি করা হয়। ভালুকার বাউন্ডারি শহীদ, মজিবুর, দুলু, নজরুল, জলিল মেম্বার দেয়াল নির্মাণে ভাড়া করা গুন্ডা মাস্তান ও দালাল হিসেবে সার্বক্ষনিক পাহারায় থাকতো। ময়মনসিংহের সাবেক এক পুলিশ সুপারের আত্মীয় পরিচয়ে কবিরুল আলম নামে এক ব্যক্তি ওইসব কাজ তদারকি করতেন।

ফুলবাড়িয়া থানার সাবেক ওসি রিফাত খান রাজীব ও ময়মনসিংহের সাবেক পুলিশ সুপার জবরদখলের সাথে জড়িত ছিলেন বলে কোথাও বিচার চেয়ে পাননি ভুক্তভোগিরা। এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এবং সরকারের ভাবমূর্ত্তি বিনষ্টকারী পুলিশ কর্মকর্তাসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানানো হয়।

এ ব্যাপারে ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০১৪ সালে আমার মা স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে ৭ একর জমি কিনেন। এরপর ওই জমি খারিজ করা যায়নি। পরে ২০১৫ সালে আমার মা কবীরুল আলম নামে এক ব্যক্তির নিকট জমিটি বিক্রি করে দেন। এখন কবীরুল কি করেছেন, আমি জানি না। সে আমার আত্মীয়ও না।

 

এইবেলাডটকম/গোপাল/এসএম/সুমন 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71