বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৪ঠা আশ্বিন ১৪২৫
 
 
অনিয়মিত মাসিক কেন হয়?
প্রকাশ: ০১:১৬ pm ২৮-০১-২০১৮ হালনাগাদ: ০১:১৬ pm ২৮-০১-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক:
 
 
 
 


নারীদের জন্য মাসিক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। বয়ঃসন্ধিকালে তথা যৌবন আগমনের শুরুতে প্রত্যেক নারীরই মাসিক বা ঋতুস্রাব হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই মাসিক সবার ক্ষেত্রে নিয়মিত নাও হতে পারে। আবার নিয়মিত হলেও সমস্যাযুক্ত হতে পারে। আমাদের আজকের এই ফার্স্ট লাইফে স্টেস বা টেনশন জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলশ্রুতিতে প্রবল স্নায়ু চাপ, হরমোনের অসমতা ইত্যাদির ফলে মহিলাদের মাসিক সংক্রান্ত বিবিধ সমস্যার প্রকোপ আগের তুলনায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারীস্বাস্থ্য সচল রয়েছে কিনা, সেটা অনেকসময় বোঝা যায় মাসিক কতটা নিয়মিত হচ্ছে- তা থেকেই। প্রতি মাসের শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মাসিক হওয়া মানে, আপনার শরীর সুস্থ এবং সন্তান ধারণের যোগ্য অবস্থায় আছে।     

তবে অনেক নারীই অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা ভোগ করে থাকেন। অনেকে জানেনও না, কেন অনিয়মিত হয় মাসিক। জেনে নিন অনিয়মিত মাসিকের কারণ।

১. উচ্চ মানসিক চাপ

মস্তিষ্কে রয়েছে হাইপোথ্যালামাস নামের একটি বিশেষ অংশ, যেখান থেকে প্রতিনিয়ত নিঃসরিত হয় নানা ধরণের হরমোন। এরমধ্যে কিছু হরমোন রয়েছে, যা নারীদেহের মাসিকের জন্য প্রভাবকের কাজ করে। কিন্তু অতিরিক্ত মানসিক চাপে ভুগলে অনেক সময় হাইপোথ্যালামাস ঠিকমতো কাজ করেনা। যার ফলে মাসিক শুরু হতে দেরি হয়। 

২. কম ওজন

আজকের দিনে ওজন বেড়ে যাওয়াটাকেই সমস্যার চোখে দেখা হয়, ওজন কমাটাকে না। কিন্তু নারীদের জন্য অতিরিক্ত ওজন কমাটাও স্বাস্থ্যহানীর কারণ হতে পারে। বিশেষ করে ২০ বছরের ওপরের নারীদের জন্য বিএমআই (বডি মাস ইনডেক্স, উচ্চতা অনুযায়ী ওজনের হার) ১৮ থেকে ১৯-এ নেমে গেলে মাসিক অনিয়মিত হতে শুরু করে। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য সঠিক ওজন রক্ষা করাটাও খুব জরুরি।

৩. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

অনিয়মিত মাসিকের অন্যতম কারণ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে বেশিরভাগ সময় নারীদের মধ্যে দেখা যায় পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম। এর ফলে জরায়ূর ভেতরে সিস্ট তৈরি হওয়ার কারণে মাসিক হয়ে পড়ে অনিয়মিত। এতে অনেক সময় দীর্ঘসময়ের বন্ধাত্বও ভোগ করতে পারে নারীরা।

প্রতিকার 

বিয়ে এবং সন্তান প্রসবের পর এ সমস্যা আর থাকে না। তবে দাম্পত্য জীবন অসুখী হলে এই সমস্যা থেকে যেতে পারে। এতসব ব্যবস্থার পর যদি সমস্যা থেকেই যায় ওষুধের পাশাপাশি সার্জিকেল ট্রিটমেন্টেরও প্রয়োজন হতে পারে- সম্পূর্ণ যন্ত্রণামুক্ত হবার জন্য।
দ্বিতীয় আরেকটি সমস্যার কথা বলবো আর তা হল অনিয়মিত পিরিয়ড- এই সমস্যাটিকে অনেক নারী গুরুত্বের সাথে নেন না। কিন্তু অনেক সময় পলিসিসটিক ও ভারী সিনট্রামের জন্য পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে অথবা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একমাসে একাধিক মাসিক হতে পারে। ক্রমাগত বিল্ডিংয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া ওজন বেড়ে যাওয়া, শরীরের বিভিন্ন স্থানে অবাঞ্ছিত লোম দেখা দিতে পারে। মনের অস্থিরতা হতে পারে। প্রেগনেন্ট অবস্থায় অনিয়মিত ঋতুচক্র ক্ষতিকারক এমনকি গর্ভপাতও হতে পারে। তাই এ সময়ে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। জীবন ধারার পরিবর্তন আনতে পারেন উপরিল্লিখিত সিনড্রোমকে প্রতিরোধ করার জন্য। সুষম ডায়েট ও এক্সারসাইজ খুব জরুরি বিধান। 

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71