সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৯ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
অবসাদগ্রস্ত মায়ের সন্তান হতে পারে সমাজবিরোধী: বলছে গবেষণা
প্রকাশ: ০৮:৩৭ pm ০৮-০৩-২০১৮ হালনাগাদ: ০৮:৩৭ pm ০৮-০৩-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


অবসাদে ডুবে থাকা প্রসূতির সন্তান স্কুলেই বন্দুকবাজ সমাজবিরোধীতে পরিণত হতে পারে। এই কথাই বলছেন মার্কিন গবেষক চিকিৎসকরা। দীর্ঘ গবেষণার পর তারা জানান,  গর্ভবতী মা নিয়মিত মানসিক অবসাদে আচ্ছন্ন থাকলে ভবিষ্যতে সন্তান সমাজবিরোধী পথে ঝুঁকে যায়। তাই গর্ভবতী মা কেমন আছেন, তা নিয়মিত নজরে রাখতে হবে।

গবেষকরা বলেন, সন্তান যখন গর্ভে, তখন মায়ের মন খারাপ থাকলে কিন্তু বড় বিপদ অপেক্ষা করছে৷ সন্তানের বড় হওয়ার সময় নিয়ে হবে বাড়তি ঝক্কি৷ ভুগতে হবে সারা জীবন৷ কারণ মায়ের মন ভালো না থাকলে, গর্ভে সন্তানও ভালো থাকে না৷ মায়ের কষ্ট হলে, সন্তানও মনকষ্টে ভোগে৷ তাই ভবিষ্যতের মায়েদের সুষ্ঠু পরামর্শ দেওয়া জরুরি। জন্মের পর সেই সন্তানের সুস্থতা এবং মসৃণভাবে বড় হওয়া নির্ভর করে মা গর্ভবতী থাকার সময় কতটা খোশ মেজাজে আর আনন্দে থাকতেন তার ওপর।

বিশাখাপত্তনমের অন্ধ্র মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তনী শশাঙ্ক ক্রালেটি ও তার দলবল এ বিষয়ে এক যুগ ধরে গবেষণা করেছেন৷ বর্তমানে তিনি কর্মরত ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ আরকানসাস ফর মেডিক্যাল সায়ান্সে৷ সেখানে তিনি ডিপার্টমেন্ট অফ ফ্যামিলি অ্যান্ড প্রিভেনটিভ মেডিসিনের জ্যাক ডব্লু কেনেডি চেয়ার অধ্যাপক৷ তিনি এবং তার সহ-গবেষকরা ১১ বছর ধরে ১৮৪৪টি পরিবারকে নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন৷ সেখানে গবেষকরা প্রত্যেক পরিবারের গর্ভবতী মায়েদের নথিভুক্ত করেছেন৷ সন্তান হওয়ার আগে পর্যন্ত মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে নিয়মিত৷ তাদের সন্তান জন্মানোর পর ১১ বছর ধরে নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়েছে৷ সব তথ্য মূল্যায়ণ হয়েছে৷ এরপরই গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছন৷

গবেষণাপত্র প্রকাশ করে তারা জানিয়েছেন, আদর্শবিধি হল গর্ভবতী মায়েদেরর মন খারাপ আছে কিনা, তা নিয়মিত যাচাই করা জরুরি৷ সামান্য মানসিক অবসাদের চিহ্ন নজরে এলেই তা সারিয়ে তোলা প্রয়োজন। এতে ভবিষ্যতে সুস্থ সদ্যোজাতের জন্ম নিশ্চিত করা যায়৷

গবেষকরা দাবি করেছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সামান্য মানসিক অবসাদ থাকা মায়েদের সন্তানদের ভবিষ্যতে বেড়ে ওঠা ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা গিয়েছে৷ কেউ আবার বন্দুকবাজ হয়ে উঠেছে। কেউ সমাজ বিরোধী কাজে ঝোঁক দেখিয়েছে।

কিন্তু যে মায়েদের মানসিক অবসাদ চিহ্নিত হওয়ার পর দ্রুত নিরাময় হয়েছে, ওই মায়েদের সন্তানদের ক্ষেত্রে তেমন কোনও সমস্যা ছিল না৷ প্রত্যেক সন্তানই মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ ছিল।

মানসিক অবসাদ থেকে গর্ভবতী মায়েদের মুক্ত রাখতে ক্রালেটি "হ্যাপিমা" (happyma.org) নামে একটা ওয়েবসাইট সক্রিয় করেছেন গবেষকরা। অচীরে একটি অ্যাপ চালু করবে ওই গবেষক দল। 

ইতোমধ্যে এই গবেষণার ফলাফলে প্রবল সাড়া পড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে৷ সবাই চান আরও বেশি সচেতনতা আর সুস্থ ভবিষ্যত প্রজন্ম।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71