সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮
সোমবার, ২৬শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
অরুণাচলে ফের মুখোমুখি ভারত ও চীনের সেনা
প্রকাশ: ০৯:৫৮ am ১০-০৪-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৫৮ am ১০-০৪-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


দোকলামে ৭৩ দিনের টানাপড়েনের পর এবার অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর ফের মুখোমুখি ভারত ও চীনের সেনারা। অরুণাচলের আসাফিলা এলাকায় ভারতীয় বাহিনীর টহলদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে চীন। অভিযোগ এনেছে সীমান্ত লঙ্ঘনের। তবে ভারতীয় সেনা এই দাবি পুরোপুরি খারিজ করে জানিয়ে দিয়েছে, ওই এলাকায় তারা নিয়মিত টহল দিয়ে থাকে। ফলে সীমান্ত পেরোনোর দাবি ভিত্তিহীন।

দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা মেটানোর জন্য যে বর্ডার পার্সোনেল মিটিং (বিপিএম) হয়ে থাকে, সেখানেই গত ১৫ মার্চ বিষয়টি নিয়ে সরব হয় চীন। তাদের দাবি, আসাফিলা ও ফিসটেলে গত ডিসেম্বরের ২১ থেকে ২৩ তারিখের মধ্যে ভারতীয় সেনাকে ব্যাপকভাবে টহলদারি করতে দেখা গেছে।

তবে বৈঠকে ভারতীয় সেনারা জানিয়ে দেয়, অরুণাচলের আপার সুবানসিরি এলাকাটি ভারতের। আর সেখানে নিয়মিত টহল দিয়ে থাকে তারা। চীন একে ‘সীমান্ত লঙ্ঘন’ আখ্যা দেওয়ায়, তার প্রতিবাদ করা হয়।

সেনা সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের তরফে সীমান্ত লঙ্ঘনের এমন অভিযোগ অবাক করার মতো ব্যাপার। কারণ, অতীতে ওই এলাকায় চীনা অনুপ্রবেশ নিয়ে বার বার প্রতিবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। তবে বৈঠকে চীনা সেনাদের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, আসাফিলায় সীমান্ত লঙ্ঘন দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। জবাবে ভারতের প্রতিনিধিরা বলেন, এলএসি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা হয়েছে নয়াদিল্লীর। ফলে ভবিষ্যতেও ওই এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টহল দিতে দেখা যাবে।

ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত এড়াতে এলএসির পাঁচটি জায়গায় বিপিএম হয়ে থাকে। এগুলি হলো, অরুণাচলের বুম লা ও কিবিথু, লাদাখের দৌলত বেগ ওলডি ও চুশুল এ ছাড়া সিকিমের নাথু লা। ১৫ মার্চ ভারত ও চীনের মধ্যে বিপিএম-এর বৈঠকটি বসেছিল কিবিথু এলাকায় চীনের দিকে দাইমাই পোস্টে।

বৈঠকে চীনা সেনারা আরও অভিযোগ করেছে, টুটিং-এ ভারতীয় সেনারা তাদের রাস্তা তৈরির সরঞ্জাম নষ্ট করে দিয়েছে। ভারত অবশ্য এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সেনা সূত্রের দাবি, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে টুটিং-এ রাস্তা তৈরির জন্য এলএসি-র এক কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছিল চীন। ভারতের সেনারা বাধা দিলে রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ হয়। ওই এলাকা ছেড়ে যায় চীনা সেনারা। পরে তাদের রাস্তা তৈরির সরঞ্জাম ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছে ভারতীয় সেনারা।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71