শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শনিবার, ৭ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
আগৈলঝাড়ায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত
প্রকাশ: ০৬:১০ pm ০৫-০৮-২০১৭ হালনাগাদ: ০৬:১০ pm ০৫-০৮-২০১৭
 
আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি :
 
 
 
 


বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল গ্রামের আলমগীর খান এর মেয়ে আছমা বেগম (৩০) স্বামীর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

স্থানীয় ও পারিবারিকসূত্রে জানা গেছে, ১২ বছর পূর্বে একই উপজেলার রজিহার ইউনিয়নের বসুন্ডা গ্রামের মৃত আজিমুদ্দিন মোল্লার ছেলে মনির মোল্লা’র সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে দেয়া হয় আছমা বেগমকে। তারা ঢাকায় বসবাস করত। বিয়ের পর থেকেই আছমা বেগমের স্বামী মনির মোল্লা যৌতুকের জন্য স্ত্রী সহ শ্বশুড়-শাশুড়িকে ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করত। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে নিহত আছমার পিতামাতা চাহিদামত টাকা ধারকর্জ করে প্রদান করতেন। তারপরেও আছমার সাথে কখনও ভালো ব্যবহার করত না তার স্বামী। প্রায়ই তাকে মারধর করত। 

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দুপুরে সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি শুরু হলে একপর্যায়ে মনির মোল্লা তাকে মারধর করে। তাদের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া আছমার ছোটভাই আনোয়ার খান (১৮) বাঁধা দিলে মনির তার উপরেও চড়াও হয়। ছোটভাইয়ের উপর চড়াও হতে দেখে স্বামীকে বাঁধা দিলে রাগের মাথায় মনির মোল্লা তার স্ত্রীর পিঠে ছুরিকাঘাত করে। ছুরিকাঘাতের পর মনির তার স্ত্রী আছমাকে নিয়ে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ আদ-দ্বীন হাসপাতালে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করার পর মনির মোল্লা কৌশলে নিহত স্ত্রী’র লাশ ফেলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। এঘটনায় নিহত আছমা বেগমের ছোটভাই বাদী হয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৪১১/২০। নিহত আছমার ১১ বছর বয়সের ১ মেয়ে ও ৪ বছরের ১টি ছেলে রয়েছে। আছমা বেগমের মেয়ে ছোটবেলা থেকে নানাবাড়িতে থেকে লেখাপড়া করে। এদিকে এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে।
 
এ বিষয়ে নিহতের বাবা আলমগীর খান বলেন- মেয়ের বিয়ের পর থেকে জামাইয়ের চাহিদামত এ পর্যন্ত তাকে দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা দেয়া হয়েছে। তারপরও কেন আমার মেয়েকে হত্যা করা হলো? আমি ওই খুনীর উপযুক্ত বিচার চাই।

এ/এসএম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71