শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ৬ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
আজ বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস
প্রকাশ: ০৯:৪৪ am ২৮-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৪৪ am ২৮-০৫-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


আজ ২৮ মে, বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘কমাতে হলে মাতৃমৃত্যু হার, মিডওয়াইফ পাশে থাকা একান্ত দরকার’।

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

১৯৯৭ সাল থেকে ২৮ মে ‘নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। মা ও শিশু মৃত্যুহার কমানোর জন্য বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নতুন নতুন হাসপাতাল স্থাপন, হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ, দক্ষ জনবল তৈরি এবং গ্রাম পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে সারাদেশে ১৩ হাজার ৫শ’টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য, পরিবারকল্যাণ ও পুষ্টিসেবা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য হারে প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফ তৈরির শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে রোল মডেল। স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় উন্নয়নে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা অপরিহার্য। সরকার গর্ভবতী মা ও নবজাতকের মানসম্মত পরিচর্যা এবং রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত এবং মাতৃমৃত্যু হ্রাসে মিডওয়াইফগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেন, তিন হাজার মিডওয়াইফকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে ১৫’শ জনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদেরকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সিজারিয়ান অপারেশন হওয়া উচিত সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ। বর্তমানে সরকারি হাসপাতাল গুলোতেও এই হার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই সিজারিয়ান অপারেশনের প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগে ইতিমধ্যে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বিভিন্ন তথ্য সংবলিত একটি ফরম পাঠানো হয়েছে। যেখানে মায়ের স্বাস্থ্য সংবলিত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত থাকবে। এর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে, সংশ্লিষ্ট রোগী সিজারিয়ানের উপযোগী কিনা। কোথাও এর ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিক বা হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, শিশুদের মায়ের দুধ পানের সুযোগ দিতে প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ব্রেস্ট ফিডিং জোন করা হবে।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71