রবিবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৯
রবিবার, ৭ই মাঘ ১৪২৫
 
 
আবাহনীতেই খেলবেন মাশরাফি-বিজয়
প্রকাশ: ০৫:৩৭ pm ২১-০১-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:৩৭ pm ২১-০১-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের দল বদলের ইতিহাসে কোনদিনই যা ঘটেনি, এবার তাই ঘটবে। হোক তা প্লেয়ার্স ড্রাফটে, প্লেয়ার্স বাই চয়েজে- দলবদলের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যাওয়ার পর এক দলে যোগ দেওয়া ক্রিকেটার সমঝোতার ভিত্তিতে আবার অন্য দলে নাম লেখাবেন।

শনিবার দলবদলের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এ গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে ক্লাব পাড়ায়। শুধু মাশরাফি নন, জাতীয় দলের ওপেনার এনামুল হক বিজয়ও নাকি আবাহনীতে যোগ দিচ্ছেন, এমন কথাও শোনা যাচ্ছে জোড়ে সরে।

শনিবার রাতে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ঘটনার সত্যতাও আছে। আবাহনী লিমিটেডের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন, শাইনপুকুরে যোগ দেওয়া মাশরাফি তাদের হবেন। আর খেলাঘর সমাজ কল্যাণের ওপেনার বিজয়ও আকাশি হলুদ শিবিরে যোগ দিবেন। সেটা কীভাবে? প্রকাশ্য প্লেয়ার্স ড্রাফটে শাইনপুকুরে নাম ওঠা মাশরাফি আর খেলাঘর সমাজ কল্যাণের ডেকে নেওয়া বিজয় কি করে আবাহনীতে যোগ দেন? তা নিয়ে রীতিমত একটা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কারণ ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে সমঝোতার ভিত্তিতে ফুটবলার, হকি খেলোয়াড় ও ক্রিকেটারের দল পাল্টানোর নজির থাকলেও সেটা এইভাবে ছিল না।

ঢাকার ক্লাব ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাসে এমন বহু নজির আছে যে, একদলে যোগ দেওয়া ক্রিকেটার যখন জেনে যান, এই বছর তার কোন ম্যাচ খেলার সুযোগ হবে না, ড্রেসিংরুমে বসেই কাটাতে হবে, দ্বাদশ ব্যক্তি হওয়ার সুযোগও থাকবে না, তখন ওই ক্লাবের ছাড়পত্র নিয়ে এমন ক্লাবে যান, যে দলে তার নিয়মিত জায়গা হবে। তার মানে জুনিয়র ও আনকোরা ক্রিকেটারের সমঝোতার ভিত্তিতে দলবদলের ইতিহাস আছে। এরকম ঘটনা প্রতিবছরই দুই-তিনটি ঘটে। বড় দলগুলো দল-বদল শেষে লাইন আপ সাজিয়ে দেখে, দলে কোয়ালিটি ক্রিকেটারের সংখ্যা বেশি। তখন কম মেধাবী ক্রিকেটার যাদের খেলার কোন সম্ভাবনা নেই, তাদের স্বেচ্ছায় ছেড়ে দেয়। সেই সব ক্রিকেটাররা আবার, ছোট বা কম শক্তির দলে গিয়ে নাম লেখান। কিন্তু মাশরাফি আর বিজয়ের ঘটনা তো তা নয়। মাশরাফি যে দলেই নাম লেখান, সেই দলের শীর্ষ তারকা, অধিনায়কও বটে। ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে বিজয়েরও যে কোন দলে একাদশে থাকা নিশ্চিত। তাহলে তারা কেন দল পালটাবেন? এটাই প্রশ্ন। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে জানা গেল, মাশরাফির দল শাইনপুকুর হচ্ছে আবাহনী লিমিটেডের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামে ক্লাব। তিনি এবং তার ছেলে শায়ন এফ রহমান, দুইজনেই শাইনপুকুরের শীর্ষ কর্তা। বলার অপেক্ষা রাখে না, দুইজন আবার আবাহনীরও বড় কর্তা। তারা মিলেই হয়তো মাশরাফিকে শাইনপুকুর থেকে আবাহনীতে দিয়ে দিচ্ছেন এবং এবারের দল বদলে সে নিয়মও আছে। সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশ) এবার এক অদ্ভুত নিয়ম করেছে, একজন আইকন ও অন্য ক্যাটাগরির আরেকজনসহ মোট দুইজন ক্রিকেটার প্লেয়ার্স ড্রাফটের পর পারস্পরিক সমঝোতায় অন্য দলে যাবার সুযোগ থাকবে। সিসিডিএমের দাবি, যেথেতু প্লেয়ার্স ড্রাফটে লটারির মাধমেই আইকন ক্রিকেটার পাওয়া যায়, তাই হয়তো কম পুঁজির দলেও বড় মাছ ধরা পড়তে পারে। প্রিমিয়ারের নতুন দল শাইনপুকুরকে কম পুঁজির দল ভাবার কারণ নেই। এটা শুধু এক শিবিরের কারণেই।

তবে এনামুল হক বিজয়ের খেলাঘর ছেড়ে আবাহনীতে যোগ দেওয়ার কারণ ভিন্ন। সেটা অর্থের কারণেই। আইকন ক্যাটাগরির বিজয়ের পারিশমিক ২৫ লাখ টাকা। বলার অপেক্ষা রাখে না, সেই মূল্যে কম পুঁজি ও শক্তির দল খেলাঘর দুইজন মাঝারি মানের ও একজন জুনিয়র ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্তি করতে পারবে। তাই বিজয়কে ছেড়ে দেওয়ার জোড় চিন্তা ভাবনা খেলাঘর শিবিরের।

আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71