রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ হাসিনার ডি-লিট গ্রহন
প্রকাশ: ০২:৫৮ pm ২৬-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ০৪:৫৩ pm ২৬-০৫-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানজনক ডি-লিট ডিগ্রি নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

শনিবার বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিন উদ্‌যাপনে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বিশেষ সমাবর্তন উৎসবের আয়োজন করা হয়। এটি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় সমাবর্তন উৎসব। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানজনক ডি-লিট তুলে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সময় বেলা একটায় কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাধন চক্রবর্তী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ডি-লিট ডিগ্রি তুলে দেন। ডি-লিট পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী দুই বাংলার সব বাঙালির প্রতি উৎসর্গ করেন এই সম্মান।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী ও শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘‌আমি সম্মানিত বোধ করছি। এখানে আসতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। দিনটা আমার কাছে ভীষণই তাৎপর্যের।’‌ এরপরই মমতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে হাসিনা বলেন, ‘‌কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার জন্য মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানাই।

ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‌মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতবাসী আমাদের পাশে ছিলেন। তারা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এই ভারতবর্ষে সবসময় গণতান্ত্রিক ধারা ছিল। আমাদের ছিল না। ভারতবর্ষের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। ভারত–বাংলাদেশ বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক।’‌ 

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বর্ণপদক পাওয়া ২০ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা ১৯ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ির আমলে নজরুল জন্মশতবর্ষ উৎসবে যোগ দিতে বর্ধমানের আসানসোলের চুরুলিয়ায় গিয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালের ২৮ জানুয়ারি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনাকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মান ‘দেশিকোত্তম’ প্রদান করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুদিনের সফরে শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ সফরে গেছেন।  শুক্রবার কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন। পরে বিশেষ হেলিকপ্টারে চলে যান কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত বীরভূমের শান্তিনিকেতনে। সেখানে তিনি প্রথমে যোগ দেন বিশ্বভারতীর সমাবর্তন উৎসবে। এরপর শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লিতে বাংলাদেশ সরকারের অর্থানুকূল্যে নির্মিত ‘বাংলাদেশ ভবনে’ যান। শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ভবন। বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত ২৫ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই ভবন। বাংলাদেশ সরকার আরও ১০ কোটি রুপি দিয়েছে এই ভবনের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  শুক্রবার বিকেলেই চলে যান কলকাতায়। বিকেলে তিনি কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে যান। ঘুরে দেখেন ঠাকুরবাড়ি। সঙ্গে ছিলেন শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সব্যসাচী বসু রায় চৌধুরী, পশ্চিমবঙ্গের নগর উন্নয়নমন্ত্রী ফরহাদ হাকিম, পর্যটনমন্ত্রী ব্রাত্য বসু প্রমুখ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা কলকাতার শিল্পপতিদের সঙ্গে দেখা করেন। রাতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠির রাজভবনে দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন। আজ রাতেই দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।

নি এম/
 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71