বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বুধবার, ১১ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
ইতিহাসের ৫ সেরা যোদ্ধার শিক্ষা
প্রকাশ: ১২:৩৪ pm ১৪-১১-২০১৬ হালনাগাদ: ১২:৩৭ pm ১৪-১১-২০১৬
 
 
 


বিশ্বের ইতিহাসে সেরা সমরনায়ক বা যোদ্ধা হিসেবে যারা পরিচিত, তাদের প্রত্যেকেরই জীবনের বেশ কিছু শিক্ষা রয়েছে। কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে অর্জিত সেসব শিক্ষা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজ নিজ সময়ে সেসব যোদ্ধা নিজেদের অর্জিত শিক্ষা মানুষের জন্য রেখে গেছেন। সম্প্রতি বিজনেস ইনসাইডার ইতিহাসের সেরা পাঁচ যোদ্ধার পাঁচটি শিক্ষা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

নিজের জীবনের চেয়ে অন্যদের মূল্য বেশিলিওনিডাস : প্রাচীন গ্রিসের ইতিহাসের অন্যতম বীর লিওনিডাস। প্রসিদ্ধ বীর লিওনিডাস জন্মগ্রহণ করেন স্পার্টায়। পারস্যের সৈন্যবাহিনীর অধিপতি জরক্সিস লক্ষাধিক সৈন্য একবার স্পার্টারাজ্যে আক্রমণ করেন। তখন স্পার্টারাজ মহাবীর লিওনিডাস, সামান্য গ্ৰীক সৈন্য নিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও জরক্সিজের গতিরোধ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সামান্য বাধায় বিপুল শত্রুদের গতি কতক্ষণ রোধ করা যায়? কিছুক্ষণ পরেই তারা পরাজিত হন। লিওনিডাস জীবন বিসর্জন দিলেন। তবে তিনি যে সময়ে এ বাধা দেন সে সময়েই তার রাজ্যের অন্যরা পালাতে সক্ষম হয়। ফলে তার অসাধারণ বীরত্ব রূপকথা হয়ে যায়। লিওনিডাস স্বদেশ রক্ষায় প্রকৃত বীরের মতো আচরণ করেছিলেন।

 

নিজের ভাগ্য নিজেকেই গড়তে হয়থেমিসটোকলস : প্রাচীন গ্রিসের রাজনীতিক ও সমর নায়ক ছিলেন থেমিসটোকলস। নিজস্ব বুদ্ধিতে নৌযুদ্ধের উপযোগী শক্তিশালী জাহাজ তৈরি করেন তিনি। এতে যুদ্ধের গতি পাল্টে যায়। এটি যেন নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ে নেওয়া।

 

উদ্যম শেষ করো নাআলেকজান্ডার : দিগ্বীজয়ী বীর আলেকজান্ডার বিশ্বের বহু স্থানই দখল করে নিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি তার রাজ্য সম্প্রসারণ করতে করতে ভারতবর্ষে উপস্থিত হন। এ সময় তার সৈন্যবাহিনীর উদ্যম ছিল না বললেই চলে। ফলে তিনি যুদ্ধে পরাজিত হন এবং ফিরে যান। এ যুদ্ধের পর তিনি শিক্ষা লাভ করেন যে, উদ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি শেষ হওয়া মানেই যুদ্ধে পরাজিত হওয়া।

 

যুদ্ধের সময় সর্বদা পেছন থেকে সহায়তা প্রয়োজন হয়হ্যানিবল : হ্যানিবল ছিলেন কার্থেজ সেনাপতি যাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কয়েকজন সেনাপতির নামের তালিকায় প্রথম দিকেই রাখা হয়। তিনি ছিলেন কার্থেজের পিউনিক বংশীয় ব্যক্তি। তার পিতার নাম হ্যামিলকার বার্সা। হ্যামিলকার প্রথম পিউনিক যুদ্ধের সময় একজন নেতৃস্থানীয় কার্থেজীয় সেনাপতি ছিলেন। তার অন্যতম একটি বড় অর্জন হলো, দ্বিতীয় পিউনিক যুদ্ধ, যখন তিনি একটি বড় সৈন্যদল নিয়ে আইবেরিয়া থেকে পাইরেনিস হয়ে এবং উত্তর ইতালির আল্পস এলাকায় এলিফ্যান্টের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন।

তার প্রথম কয়েক বছরের ইতালির জীবনে তিনি নাটকীয়ভাবে তিনটি যুদ্ধ জয় করেন - ট্রিবিয়া, ট্রাসিমেনি এবং কানাই। এ যুদ্ধগুলোর মাধ্যমেই তিনি তার প্রতিদ্বন্দীর ক্ষমতা ও দুর্বলতা সম্পর্কে বিস্তর অভিজ্ঞতা অর্জন ও নিজের ক্ষমতা সম্পর্কেও একটি অন্যরকম জ্ঞন লাভ করেন। পরবর্তীতে তার প্রতিপক্ষের দুর্বলতা ও নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি রোমানদের অনেক মিত্র শক্তিকে পরাজিত করেন। এসব যুদ্ধে তিনি সর্বদা সৈন্যদের পেছন থেকে সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি স্মরণ রাখেন। এতে ব্যাপক সাফল্য পাওয়া পান তিনি।

 

ঝুঁকি নিতে হবেজুলিয়াস সিজার : যে কোনো ভালো কাজের ক্ষেত্রেই ঝুঁকি রয়েছে। আর সেই ঝুঁকিকে মেনে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়টি মেনে চলতেন জুলিয়াস সিজার। জীবনে তিনি বহু ঝুঁকি নিয়েছেন। শত্রুদের মুখোমুখি হয়েছেন। এ ঝুঁকিগুলো নিতে না পারলে তিনি এ অবস্থানে পৌঁছাতে পারতেন না।

 

এইবেলাডটকম/নীল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71