বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৩০শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮২
প্রকাশ: ১০:৩৯ am ০৬-০৮-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:৩৯ am ০৬-০৮-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো শত শত মানুষ। এদের বেশিরভাগ মারা গেছে ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে।

মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে এর মাত্র ছিল ৭। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও কয়েক ঘণ্টা পর তা তুলে নেয়া হয়।

মাত্র এক সপ্তাহ আগে জনপ্রিয় পর্যটন দ্বীপ লম্বক দ্বীপে আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৬ জন নিহত হয়। 
 
পার্শ্ববর্তী বালি দ্বীপে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ভূমিকম্পে আতঙ্কিত লোকজন ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসছেন।  

শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের আঘাতে দেশটির হাজার হাজার ইমারত ভেঙে পড়েছে এবং বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যুৎ যোগাযোগ। ভূমিকম্পের পর লম্বক এবং বালির রাস্তায় রাস্তায় ভেঙে পড়া বাড়ি ঘরের ধ্বংসাবশেষ পরিস্কারের কাজে নেমে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

রবিবার ওই ভূমিকম্পের পর ছোট ছোট আরো ১শটি ভূমিকম্প হয় বলে রয়টার্স জানিয়েছে। এগুলো কোনো কোনোটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে পার্শ্ববর্তী বালি দ্বীপও কেঁপে উঠেছিল। ভূমিকম্পের কারণে পাশের গিলি দ্বীপে আটকা পড়েছে ৭শ পর্যটক ও স্থানীয় মানুষ। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।

নিরাপত্তা বিষয়ক এক সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়া সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রঢী কে. শানমুগাম ভূমিকম্পের সময় লম্বকের এক ১০ তলা হোটেলে অবস্থান করছিলেন। পরে ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। 

তিনি বলেন, ভূমিকম্পের সময় তার হোটেল কক্ষটি প্রচণ্ডভাবে কাঁপছিল এবং দেয়ালগুলো ফেটে গিয়েছিল। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকাও রীতিমত অসম্ভব মনে হচ্ছিল। তখন তার চিৎকার শুনে হোটেলের লোকজন এসে মন্ত্রীকে উদ্ধার করে নিচে নিয়ে যায়।

তবে ভূমিকম্পে অল্প কিছু ক্ষয়-ক্ষতি হলেও বালি এবং লম্বক এই দুই দ্বীপের বিমানবন্দরেই স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।

সূত্র: বিবিসি/রয়টার্স

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71