সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
ইলেকট্রনিক বিডিংয়ের অনুমোদন পেয়েছে বসুন্ধরা পেপার মিলস
প্রকাশ: ১০:৩৯ am ২৮-০৮-২০১৭ হালনাগাদ: ১০:৩৯ am ২৮-০৮-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০০ কোটি টাকা উত্তোলন করছে বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড। কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণের লক্ষ্যে কোম্পানিটিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিডিংয়ের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।রবিবার বিএসইসির ৬১০তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিশন বসুন্ধরা পেপার মিলসকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ইলেকট্রনিক বিডিংয়ের মাধ্যমে কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণের অনুমোদন দিয়েছে। এ পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজার থেকে ২০০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করবে। মূলধনের অর্থ কারখানার যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়, ব্যাংকঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করবে। আইপিওর অর্থ উত্তোলনে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ট্রিপল এ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও রেজিস্টার টু দ্য ইস্যু হিসেবে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুসারে, ইলেকট্রনিক বিডিংয়ের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এ কোম্পানির আইপিওতে তাদের জন্য নির্ধারিত শেয়ারের দরপ্রস্তাব করবেন। সর্বশেষ যে দরে নির্ধারিত শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব আসবে তাই হবে কাট-অফ প্রাইস। যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সে দরেই কোম্পানির শেয়ার কিনবেন। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে তা থেকে ১০ শতাংশ কম দামে শেয়ার বিক্রি করতে হবে কোম্পানিকে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনক্রমে তখন নতুন করে চাঁদা গ্রহণ করবে বসুন্ধরা পেপারস।

বসুন্ধরা পেপার মিলসের আইপিও প্রসপেক্টাস থেকে জানা গেছে, পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত ২০০ কোটি টাকার বড় অংশই কারখানার আধুনিকায়ন ও যন্ত্রপাতি আমদানিতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। এ খাতে কারখানার অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি ক্রয়, স্থাপন ও ভূমি উন্নয়ন বাবদ ব্যয় ধরেছে ১৩৫ কোটি টাকা। আইপিওতে উত্তোলিত অর্থ থেকে ৬০ কোটি টাকা ব্যয় হবে ঋণ পরিশোধ ও বাকি ৫ কোটি টাকা আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয় নির্বাহে খরচ করবে কোম্পানিটি।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত বসুন্ধরা পেপার মিলসের তিনটি ইউনিট বর্তমানে উৎপাদনে রয়েছে। প্রথম ইউনিটে কাগজ ও ব্যাগ উৎপাদন করে কোম্পানিটি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ইউনিটে সব ধরনের টিস্যু, ন্যাপকিন, ডায়াপার ও হ্যান্ড গ্লাভস উৎপাদন করে। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে তিন ইউনিট মিলে কোম্পানিটির নিট বিক্রি ছিল ১ হাজার ৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ২০০৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ছয় মাসে মোট টার্নওভার হয়েছে ৫৬৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয় ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, আগের বছর যা ছিল ২১ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ৬৩ পয়সা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ইপিএস দাড়িয়েছে ২ টাকা ১৪ পয়সা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩০ টাকা ৬ পয়সা।
 

প্রসপেক্টাস অনুসারে, কোম্পানিটির অনুমোদন মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন পরিশোধিত মূলধন ছিল ১৪৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।বসুন্ধরা পেপার মিলসের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ১১২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। স্বল্পমেয়াদি ঋণ ৭৩৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

পিএম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71