বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯
বুধবার, ২রা শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
প্রশাসন নীরব 
ইসলামপুরে অবৈধ পল্লী মেলায় অশ্লীল নৃত্য ও জুয়াখেলা
প্রকাশ: ০৯:০৫ pm ১৫-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:০৫ pm ১৫-০৫-২০১৮
 
জামালপুর প্রতিনিধি
 
 
 
 


জামালপুরের ইসলামপুরে ব্রক্ষপুত্র ব্রীজের পূর্ব পাশে ৭ দিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণের নামে অবৈধ পল্লী মেলায় সার্কাসে অশ্লীল নৃত্য, লটারী, জুয়া ও হাউজি খেলাসহ নানার অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। 

এব্যাপারে জামালপুর জেলা প্রশাসক বরারর উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের পক্ষে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইসলামপুর থানা ও মেলা কমিটি সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে নামে ২৬ এপ্রিল হতে ১০ মে পর্যন্ত কয়েকটি বিনোদন মূলক খেলা ও শর্তে ওই পল্লী মেলাটির অনুমোদন ছিল। কিন্তু সেখানে কোন হাউজি ও জুয়া খেলার অনুমোদন না থাকলেও ৭ দিন ধরে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে প্রতি নাইটে লাখ লাখ টাকার বিমিময়ে ম্যানেজ করে অবৈধ ভাবে হাউজি খেলাসহ হাউজি ঘরের পিছনে জমজমাট জুয়া খেলার পসরা বসিয়েছে মেলা কমিটি। 

মেলায় খোলা মেলা পরিবেশে চলছে দিবারাত্রি জেমস গুপের ওয়ানটেন, ডাব্বু খেলা, মিনি হাউজি, চেরচেরি, বোষখেলাসহ নানা আইটেমের উম্মুক্ত লাখ লাখ টাকার জুয়া খেলা। প্রতিরাতে হাউজির নামে ফ্রি সিট দিয়ে এলাকার মানুষের লাখ লাখ টাক লুট করে নিচ্ছে মেলা কর্তৃপক্ষ। 

সোমবার রাতে মেলা সূত্রে জানা গেছে, জুয়ার মেলাটি জমজমাট হওয়ায় ঢাকা ও গাজিপুর পার্টির কাছে প্রতিরাতে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ডেকে নিয়েছে। 

এব্যাপারে স্থানীয় গোয়ালের চর ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ জানান, মেলাটি আমাদের দায়িত্বে নেই, ঢাকার লোকে দায়িত্ব নিয়েছে। 

এব্যাপারে ইসলামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ শাহীনুজ্জামান খান শাহিন জানান, হাইকোর্ট থেকে মেলার অনুমোদন রয়েছে, তাই আমাদের করার কিছুই নেই। 

উল্লেখ্য যে, কয়েকদিন আগেও একই স্পটে মেলা নামে অবৈধ হাউজি খেলা ও লটারীর দোকান পুড়িয়ে দিয়েছেন ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু একই স্থানের আবারও অবৈধ জুয়ার মেলা ৭ দিন ধরে শুরু হলেও এবার রহস্যজনক ভাবে ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান নীরব ভূমিকা পালন করছেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। ফোন দিলেও তিনি ব্যস্ততার কথা বলে কথা বলেন না।

এদিকে প্রশাসনের নাকের ডগায় পল্লী মেলার নামে অপেন জুয়া খেলা চলায় এলাকায় গরু চুরিসহ নানান অসামাজিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। মেলা চলা অবস্থায় ফকিড়পাড়া বেলাল হোসেন ও জালালের দুইটি গরু চোরে নিয়েছে। প্রতিদিনই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলা শহরে ও গ্রামে গ্রামে জুয়া মেলার উচ্চ স্বরে শব্দ দূষণ করে মাইকিং হচ্ছে। 

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, পবিত্র মাহে রমজানের সামনে এভাবে আর কয়েকদিন জুয়া চলছে এলাকার অনেক মানুষ নিঃস্ব হয়ে নানান অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়বে।

ওএইচ/আরবি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71