সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৯ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
ই-বাণিজ্যের প্রসারে উন্নয়নশীল দেশগুলোও লাভবান হচ্ছে
প্রকাশ: ১২:৫৮ am ২৯-০৩-২০১৫ হালনাগাদ: ১২:৫৮ am ২৯-০৩-২০১৫
 
 
 


জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা, ইউনাইটেড নেশন্স কনফারেন্স অন ট্রেড এন্ড ডেভলেপমেন্ট, আঙ্কটাড বলছে যে ই-বাণিজ্য প্রসারের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ব্যবসায়ী এবং ভোক্তারা লাভবান হচ্ছেন।মঙ্গলবার প্রকাশিত সংস্থার সর্বসাম্প্রতিক তথ্য অর্থনীতি প্রতিবেদনে ইন্টারনেটভিত্তিক বাণিজ্য বা কেনাবেচার সম্ভাবনা এবং ঝুঁকির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জাতিসংঘ রেডিওর সংবাদদাতা ড্যানিয়েল ডিকিনসন জানাচ্ছেন নযে ২০১৩ সালে বিশ্বে অনলাইনভিত্তিক বাণিজ্য হয়েছে ষোলো হাজার দুশো কোটি ডলার।যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং চীন এই ই-বাণিজ্যের শীর্ষে রয়েছে।
ই-বাণিজ্য কেন এতোটা প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে তা ব্যাখ্যা করেন আঙ্কটাডের প্রযুক্তি এবং সহায়কসামগ্রী বিভাগের প্রধান টরিয়ন ফ্রেডরিকসন।
মি ফ্রেডরিকসন বলেন যে বেশি বেশি করে অর্থনৈতিক লেনদেন এখন হচ্ছে অনলাইনে। কখনও কখনও তা অনলাইনেই সরবরাহ করা হচ্ছে – বিশেষ করে ডিজিটাল সামগ্রী এবং সেবাগুলো। আমরা আরও দেখছি দেশীয় এবং আর্ন্তজাতিক মূল্যসংযোজনকারীদের চক্র বা ভ্যালু চেইন পণ্য বা সেবা সংগ্রহের জন্য ক্রমশই অনলাইনর্নিভর হয়ে পড়ছে।
পাশ্চাত্যের অর্থনীতিগুলোতে দেখা যাচ্ছে ২০১২ পর্য্যন্ত যুগটিতে উৎপাদনমূলক খাতগুলোর আয়ের তুলনায় ই-বাণিজ্যের আয় নাটকীয়ভাবে বেড়ে পঞ্চাশ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। অ্যামাজনের মতো কোম্পানিগুলো এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধিকে জোরদার করছে। এই প্রবণতা এখন উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও সম্প্রসারিত হচ্ছে – যার মধ্যে সাব-সাহারা অঞ্চলের দেশগুলোও রয়েছে। ফ্রেডরিকসন বলছেন যে এর পিছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে।
মি ফ্রেডরিকসন বলেন যে প্রথমত: যোগাযোগব্যবস্থা বেড়েছে – মোবাইল, ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর ব্যবহার বৃদ্ধি। দ্বিতীয়ত: আমরা দেখছি ই-বাণিজ্যে অংশ নেওয়ার পথে বাধাগুলো কমে আসছে।ই-বাণিজ্যের নতুন নতুন উপকরণ এবং প্লাটফর্মের ব্যবহার বাড়ছে। টাকা পরিশোধ করার ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধান এখন পাঁচ-দশ বছর আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে। তৃতীয়ত: আমরা দেখছি উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকেই ই-বাণিজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান উদ্ভাবিত হচ্ছে।
ই-বাণিজ্যে অবশ্য এখনও ব্যবসায়ীদের নিজেদের মধ্যে লেনদেন যতোটা বেড়েছে সাধারণ ক্রেতাদের সাথে যোগসূত্র ততোটা বাড়েনি। তবে, আঙ্কটাড একইসাথে ই-বাণিজ্যের সমস্যা বিশেষত: সাইবার অপরাধের ঝুঁকির বিষয়টিও তুলে ধরেছে।
মি ফ্রেডরিকসেন বলেন যে ২০১৩ সালে প্রতারণার মতো সাইবার অপরাধের কারণে প্রায় সাড়ে তিনশো কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে। একারণে আমাদের বিশ্বের সব অংশেই সাইবার অপরাধ এবং ব্যাক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ভোক্তার অধিকার সুরক্ষার জন্য আইন তৈরি করা প্রয়োজন।
আঙ্কটাড বলছে যে বেশিরভাগ সাইবার অপরাধীর উৎস হচ্ছে রাশিয়া, চীন, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া এবং ভিযেতনাম।
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71