সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৩রা পৌষ ১৪২৫
 
 
উন্নয়নে এনজিওরাই সব নয় : প্রধানমন্ত্রীকে কৈলাশ সত্যার্থী
প্রকাশ: ০৯:২৩ pm ০৪-০৪-২০১৭ হালনাগাদ: ০৯:২৯ pm ০৪-০৪-২০১৭
 
 
 


ঢাকা : বাংলাদেশে নারী শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে বলে এক সময়ের ধারণায় বর্তমানে পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করেন নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী কৈলাশ সত্যার্থী।

সোমবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

প্রেস সচিব বলেন, “কৈলাশ সত্যার্থী বলেছেন, উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর যে পরিকল্পনা- বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী শিক্ষায়… আগে একটি ধারণা ছিল মানুষের মধ্যে, ভারত ও বাংলাদেশসহ সব জায়গায় এটা এনজিওরাই সব করেছে, কিন্তু এখন সেই ধারণা পরিবর্তিত হয়েছে।”

শিশুদের জন্য শেখ হাসিনার বিভিন্ন লেখালেখির কারণে ‘খুশি’ হওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানান শিশু অধিকারকর্মী কৈলাশ সত্যার্থী।

তিনি বলেন, “দক্ষিণ এশিয়াতে লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণে বাংলাদেশ সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।”

বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধার কথাও বঙ্গবন্ধুকন্যাকে জানান এই নোবেল বিজয়ী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধুর শাসনামল থেকেই প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। বর্তমান সরকারও বিনামূল্যে বই, বৃত্তি, উপবৃত্তিসহ শিক্ষার সম্প্রসারণে বিভিন্ন রকম সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।”

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের মূলমন্ত্রই হচ্ছে শিক্ষা।

এ সময় সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সারা দেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে গণসচেতনতা তৈরির কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাক্ষাতে কৈলাশ সত্যার্থী বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার হওয়া এক শিশুর গল্পও প্রধানমন্ত্রীকে শোনান।

তিনি জানান, নূর মোহাম্মদ নামে ওই শিশুটি পাঁচবার নাম বদলে শেষ পর্যন্ত রাজকুমার নাম নেয়। ওই শিশুটি এক সময় পাঞ্জাবি ভাষাও শিখে ফেলে।

কৈলাশ সত্যার্থীর পরে প্যালেস্টাইনের ফাতাহ সেন্ট্রাল কমিটির একটি প্রতিনিধিদলও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আসে।

প্যালেস্টাইনের সাবেক ভাইস প্রাইম মিনিস্টার আজ্জাম এন এম আলাহমাদ এ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ।

বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাক্ষাতে আজ্জাম বলেন, “বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন বিশ্বনেতার প্রতীক। বঙ্গবন্ধুর সময়েই প্যালেস্টাইনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হয়।”

তিনি বাংলাদেশে দ্বিতীয়বার এসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেখে নিজের ‘খুশির’ কথা জানান।

প্যালেস্টাইন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তাও প্রধানমন্ত্রীকে পৌঁছে দেন আজ্জাম।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে ফিলিস্তিনিদের অবস্থান। বঙ্গবন্ধু প্যালেস্টাইনকে সমর্থন দিয়ে গেছেন এবং তার সরকারও সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

প্যালেস্টাইনে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমস্ত আরব বিশ্ব যদি ঐক্যবদ্ধভাবে সমর্থন দেয়, তাহলে শান্তি প্রক্রিয়া সহজ হয়ে যায়।”

এইবেলাডটকম/এএস

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71