শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শনিবার, ৭ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
এলাহাবাদের মাঘমেলা
প্রকাশ: ১১:০৩ pm ২৭-০১-২০১৮ হালনাগাদ: ১১:০৩ pm ২৭-০১-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরেই মানুষ ঈশ্বরের অনুগ্রহ লাভের আশায় বিভিন্ন তীর্থ ভ্রমণ করে থাকে। ভারতের এলাহাবাদের প্রয়াগে রয়েছে এমনই এক তীর্থস্থান। এখানে শীতকালে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে মাঘ মেলা। বাংলা ক্যালেন্ডারের মাঘ মাস তথা জানুয়ারিতে প্রতিবছর কমপক্ষে ১০ মিলিয়ন পূণ্যার্থী আত্মাকে পবিত্র করার জন্য এই মাঘমেলায় গিয়ে থাকেন।

উত্তর ভারতের এই শহরে মকর সংক্রান্তি থেকে শুরু হয়ে মেলাটি প্রায় ৪৫ দিনব্যপী চলে। লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রী ভগবানের সান্নিধ্য লাভের সংকল্প নিয়ে মেলা প্রাঙ্গণে ত্রিবেণীর চূড়ায় কুঁড়ে ঘরে বাস করে থাকেন। এই ব্রতকে 'কল্পবাস' বলা হয়। সাধক পুরুষ যোগী মনি স্বামীর নির্দেশনায় ভক্তরা গঙ্গার তীরে যায় পূণ্যস্নানের জন্য। সারা শরীরে ছাই মেখে দীর্ঘ প্রায় এক কিলোমিটার হেঁটে এই স্নানের জন্য যেতে হয়। পূণ্যার্থীদের বিশ্বাস, ছাই দেহের সকল পাপ পরিস্কার করে নদীর জলে ভাসিয়ে দেবে।

সূর্যোদয়ের পূর্বে এই স্নান করতে হয়। এই পূণ্যস্নান সম্পর্কে বার্তা সংস্থা এএফপিকে যোগী মনি স্বামী বলেছেন, 'এই পবিত্র দিনে পূণ্যস্নান করে শুধু নিজেদের পাপমুক্তির জন্যই প্রার্থনা করা হয়না, সারা বিশ্বের সকল মানুষের সুন্দর জীবনের জন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা করে সবাই।'

ভক্তরা সবাই দয়ালু স্বামীজীর পায়ের ধুলি নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকে। বেশিরভাগ ভারতীয়ের বিশ্বাস, যোগী মনি স্বামী আধাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী। তার পদস্পর্শ পেলে জীবনের সকল দুঃখকষ্ট দূর হয়ে যাবে। জটিল কোনো রোগ থাকলে সেটাও ভালো হয়ে যাবে বলে বিশ্বাস তাদের। একইসঙ্গে গঙ্গাও হিন্দুদের কাছে পবিত্রতম নদী। মায়ের মতই সম্মান করা হয় এই নদীকে।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে এক ভক্ত বলেছেন, 'আমি মনে করি গঙ্গায় স্নান করলে আমাদের দেহ এবং আত্মা পবিত্র হয়। রোগ শোক দূর হয়ে যায়। গঙ্গা নদী আমাদের কাছে মায়ের মত। তার কাছে খ্রিস্টান-বুদ্ধ-মুসলিম সবাই সন্তানের মত। সবাইকে গঙ্গা মা অনুগ্রহ করেন সুন্দর জীবনের জন্য।'

মাঘমেলা আসলে কুম্ভমেলার একটি সংক্ষিপ্ত ভার্সন। এছাড়া প্রতি ৪ বছর অন্তর আয়োজিত হয় সাধারণ কুম্ভমেলা। প্রতি ৬ বছর অন্তর হরিদ্বার ও প্রয়াগে অর্ধকুম্ভ আয়োজিত হয়। প্রতি ১২ বছর অন্তর প্রয়াগ, হরিদ্বার, উজ্জ্বয়িনী ও নাসিকে পূর্ণকুম্ভ আয়োজিত হয়। ১২টি পূর্ণকুম্ভ শেষে অর্থাৎ প্রতি ১৪৪ বছর অন্তর প্রয়াগে আয়োজিত হয় মহাকুম্ভ।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71