বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বুধবার, ১১ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
ঔপন্যাসিক অপূর্ব দত্তের ৬৬তম জন্ম দিন আজ
প্রকাশ: ০৬:২৭ pm ১৩-০৪-২০১৭ হালনাগাদ: ০৬:২৭ pm ১৩-০৪-২০১৭
 
 
 


প্রতাপ চন্দ্র সাহা ||

কবি, ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার ও সম্পাদক  অপূর্ব দত্ত (জন্মঃ- ১৩ এপ্রিল, ১৯৫১ – মৃত্যুঃ- ৫ অক্টোবর, ২০১৬)

বড়োদের কবিতা দিয়ে সাহিত্যজীবন শুরু করলেও শিশুকিশোরদের জন্য রেখে গেছেন পাহাড়প্রমাণ ছড়া-কবিতা, গল্প-প্রবন্ধ, উপন্যাস-নাটিকা, রম্যরচনা ইত্যাদি। যদিও, প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দিয়ে সাহিত্যমানের তুল্যমূল্য বিচার সম্ভব নয়, তবুও, বাংলা শিশুসাহিত্যের এই উজ্জ্বল নক্ষত্র অপূর্ব দত্তের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা পঞ্চাশেরও বেশি। কবিতার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করেছেন বাংলাদেশসহ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স জার্মানি নরওয়ে সুইডেনসহ বিশ্বের নানান দেশ। ২০০৬-য়ে শিকাগো বংগমেলায় আর ২০১০-এ অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে আমন্ত্রিত কবি হিসাবে যোগদান তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা। শিশুসাহিত্যের বনেদি ঘরানায় অল্প সময়ের মধ্যে তিনি নিজের আসনটি পাকা করে নিয়েছিলেন। জীবন্ত ছড়া-কবিতার দূরন্ত অশ্বারোহী অপূর্ব দত্ত চলে যেতে পারেন না, তিনি আছেন ও থাকবেন আমাদের সবার অন্তরে। তার অন্যতম কারণ, তাঁর ছড়ার লাইনের ফাঁকে উঁকি দেয় উদ্ভট কল্পনা আর সমাজপৃক্ততা। তাঁর সমস্ত লেখাই হয়ে উঠছে লিপিকুশলতায় পরিপূর্ণ। কবি অপূর্ব দত্ত ছোটোদের যে স্বপ্ন দেখিয়ে গেছেন, তা হয়ে থাকবে চির অমলিন। শিশুকিশোর সাহিত্যের রিলেরেসে উৎকর্ষতার ব্যাটন হাতে, ওই তো দেখতে পাচ্ছি, তিনি ছুটে চলেছেন তাঁর কাংক্ষিত অভিমুখে।

অপূর্ব দত্তের জন্ম নদীয়া জেলার রানাঘাটে। ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ছড়া-কবিতা-গল্প লিখে সুনাম কুড়িয়েছেন। পেশায় ব্যাঙ্ককর্মী হলেও সাহিত্যঅন্ত প্রাণ ছিল। ছড়া-কবিতা-গল্প মিলে তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা প্রায় ৬০টিরও বেশি। ছড়া সাহিত্যে তাঁর অবদান অনেক। ছড়া লেখার জন্য পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি থেকে ‘অভিজ্ঞান স্মারক পুরস্কার’। এছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে বহু পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। এবারে গণশক্তিসহ প্রায় ৫০টির বেশি পত্রপত্রিকার শারদ সংখ্যায় লিখেছেন। কবিতাপাঠের আমন্ত্রণে পৃথিবীর বহু দেশে ঘুরেছেন। বাংলাদেশ থেকেও প্রকাশিত হয়েছে তাঁর একাধিক গ্রন্থ। বাঘ নিয়ে যেমন বহু ছড়া লিখেছেন, তেমনি আকাশ ছিল তাঁর প্রিয় বিষয়।

বাংলা-টাংলা
-অপূর্ব দত্ত
অ্যানুয়ালের রেজাল্ট হাতে
বাড়ি ফিরল ছেলে
মা বলল- কোন পেপারে 
কত নম্বর পেলে ?
হিষ্ট্রিতে মম, এইটি ফোর
ম্যাথসে নাইন জিরো।
মা বলল- ফ্যান্টাস্টিক ,
জাস্ট লাইক আ হিরো।
সায়েন্সে ড্যাড, নট সো ফেয়ার
ওনলি সিক্সটি নাইন,
ইংরেজীতে নাইনটি টু
অল টুগেদার ফাইন।
জিয়োগ্রাফি পেপারে তো
হান্ড্রেডে হান্ড্রেড,
ডুবিয়ে দিল বেংগলিই
ভেরি পুয়োর গ্রেড।
ছেলের মাথায় হাত রেখে মা
ঠোঁট বেঁকিয়ে বলে-
নেভার মাইন্ড, বেংগলিটা
না শিখলেও চলে।
বাবা বলল-বেশ বলেছ
বংগমাতার কণ্যে,
বাংলা- টাংলা আমার মতো
অশিক্ষিতের জন্যে।
বিদ্যাসাগর রবীন্দ্রনাথ
নেহাত ছিলেন বোকা
না হলে কেউ শখ করে হয়
বাংলা বইয়ের পোকা।
মা বলল- চুপ করো তো
ওর ফল্টটা কিসে,
স্কুলে কেন বেংগলিটা
পড়ায় না ইংলিশে ?

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71