সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
কথাসাহিত্যিক জগদীশ গুপ্তের ৬০তম মৃত্যূ বার্ষিকী আজ
প্রকাশ: ০৫:৫৩ pm ১৫-০৪-২০১৭ হালনাগাদ: ০৫:৫৩ pm ১৫-০৪-২০১৭
 
 
 


প্রতাপ চন্দ্র সাহা ||

কথাসাহিত্যিক জগদীশ গুপ্ত ( জন্মঃ- ২২ আষাঢ়, ১৮৮৬ - মৃত্যুঃ- ১৫ এপ্রিল, ১৯৫৭ )

তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক হলেও সাহিত্যিক জীবনের শুরুতে কবিতা লিখেছেন ও একটি কবিতা সংকলন প্রকাশ করেছেন। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে তাঁর গল্পের বই ‘বিনোদিনী’ প্রকাশিত হলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রংশসা করেছিলেন “ছোটগল্পের বিশেষ রূপ ও রস তোমার লেখায় পরিস্ফুট দেখিয়া সুখী হইলাম” এই বলে। ‘সংক্ষিপ্ত জীবনকথা’য় লেখকের কৈফেয়ত -“গল্প কেন লিখিলাম” -এত লোক থাকিতে আমারই এই গল্পগুলি লিখিবার কি দরকার পড়িয়াছিল তাহার একটু ইতিহাস আছে।… সেই অনাদি নর ও নারী। আমার স্ত্রী আলসে মানুষ দু’চক্ষে দেখিতে পারেন না। আমি হাত পা গুটাইয়া নিস্তব্ধ হইয়া বসিয়া আছি দেখিলেই তিনি আমার হাতে একটি পয়সা দিয়া বাজারে পাঠাইয়া দেন; বলেন, ধনে নিয়ে এস; কোনোদিন বলেন, পান; কোনোদিন, কাঁচালঙ্কা; কোনোদিন, সোডা; কোনোদিন, মউরি; কোনোদিন আর কিছু।… কিন্তু ঐ এক পয়সার; কোনোদিন তার বেশী নয়।
হঠাৎ একদিন আপত্তি করিয়া বসিলাম, এবং আমার সে দুর্মতির শাস্তি তিনি হাতে হাতেই দিলেন; তাঁর সেই অননুকরণীয় ভ্রূভঙ্গী সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিল; বলিলেন, – আর কোনো উপকার না হোক, বাতের হাত থেকে বাঁচবে।
পয়সাটি হাতে করিয়া ধনে আনিতে রওনা হইলাম।… আসা-যাওয়ার বাজার সওয়া ঘণ্টার পথ; এবং পথের সমস্তটাই বাত-নিবারক।

এমনি করিয়া অমূলক বাতের ভয়ে বাজারে হাঁটিতে হাঁটিতে হঠাৎ ফাঁকি দিবার একটি ফন্দি মিলিয়া গেল।…

পরদিনই কাগজ আর পেন্সিল লইয়া উদ্ধনেত্র এবং চিন্তাগ্রস্থ হইয়া বসিলাম, এবং বসিয়াই রহিলাম।… প্রিয়ম্বদা ঘরে ঢুকিয়া লিখিবার সারঞ্জামগুলি লক্ষ্য করিয়া বলিলেন, – ও-গুলো নিয়ে কি হচ্ছে?
উদ্ধনেত্র তাঁহার দিকে নামাইয়া মনে মনে হাসিয়া বলিলাম, – বাজারে আর যাচ্ছিনে। – প্রকাশ্যে বলিলাম, – একটা গল্পের কথা ভাবছি।

… এবং, প্রিয়ম্বদার ঠোঁটের কোণে হাসির উদয়শিখরে অতিশয় তীক্ষ্ম হাসির একটি অঙ্কুর উঠিতে দেখিয়াই মনের লঘু ভাবটা একনিমিয়ে কাটিয়া গেল; তাড়াতাড়ি করিয়া বলিলাম, – সবাই ত’ গল্পটল্প লেখে দেখি, দেখি আমিও যদি দৈবাৎ পেরে উঠি – বলিয়া অত্যন্ত কাপুরুষের মত শুষ্কমুখে তাঁহার মুখের দিকে চাহিয়া রহিলাম, যেন গল্প লিখিতে পারিয়া উঠিব কি না সেই মুহূর্ত্তে সেইটাই আমার নিদারুণ ভাবনা।

…কিন্তু আসল কথা, আসা-যাওয়ার বাজার পুরো সওয়া ঘণ্টার পথ, এবং বাতের ভয় আমার নাই।
কি ভাবিয়া প্রিয়ম্বদা আমাকে সে-যাত্রা ক্ষমা করিয়া ফিরিয়া গেলেন।

হঠাৎ এক ধাক্কা –
ধড়ফড় করিয়া উঠিয়া বসিয়া দেখিলাম, প্রিয়ম্বদা সম্মুখে দাঁড়াইয়া হাসিতেছেন।
বলিলাম, – একটু তন্দ্রামত এসেছিল। – বলিয়া এমনি করিয়া একটু হাসিবার চেষ্টা করিলাম, যাহার মত হৃদয়বিদারক ব্যাপার জগতে খুব কম ঘটে।
গল্পের প্লট যাহার উপর লিপিবদ্ধ করিবার অভিপ্রায় ছিল, সেই কাগজখানা প্রিয়ম্বদা ফস করিয়া টানিয়া লইয়া সশব্দে পড়িতে লাগিলেন, – শ্রীশ্রীদুর্গাপূজার ঘটনা, হাইকোর্ট; ওয়াটার-টাওয়ার; এক পয়সার মিঠেকড়া তামাক; ঢোঁড়া মিয়া; মালিনী তোর রঙ্গ দেখে অঙ্গ জ্বলে যায়; পয়সার দুটো শঁশা, বিভূতি চৌধুরী, রামনবমী; তারি সনে দেখা হ’লে; হাতুড়ে…

টানিয়া টানিয়া পড়িতে লাগিলেন; আর, আমার মনে হইতে লাগিল মানুষের সব দুর্গতিরই যদি সীমা থাকে তবে তা আসিতে কত দেরী? –

– এ-সব গল্প বিলেত পাঠাবে না দেশী কাগজেই দেবে? বলিয়া কাগজখানা আমার পাশে ছুড়িয়া দিয়া প্রিয়ম্বদা চলিয়া গেলেন। –

ঘাড়ের উপর জগদ্দল বিপদের পাথর চাপিয়া রহিল, কিন্তু দমিলাম না, – বহুক্লেশে পাঁচদিনের দিন গল্প একটী তৈরী হইল; এবং তাহাকেই অবলম্বন করিয়া আরো চারদিন বাজারকে ফাঁকি দিলাম। –
কিন্তু সে যন্ত্রণাও ভুলিবার নয়।

এই হইল সুরু; এবং এখনও সেইভাবে চলিতেছে। – বসিয়া বসিয়া খুঁটি ঠেস দিয়া কলম নাড়িয়া যদি ফাঁকি দেওয়া যায় তবে কে এখন ধনে আনিতে বাজারে দৌড়ায়? –

যাহার জন্মের ইতিহাস এইরকম সে যে মানুষকে আনন্দ দিবে, নূতন কিছু দিবে সে বিশ্বাস আমার কদাপি নাই।
বোলপুর, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৩৩৪।
.......................

তাঁর পৈতৃকনিবাস ফরিদপুর জেলার খোর্দ মেঘচারমি গ্রামে। পিতা কৈলাশচন্দ্র গুপ্ত কুষ্টিয়া আদালতের বিশিষ্ট আইনজীবী ছিলেন। পিতার কর্মসূত্রে জগদীশ গুপ্ত কুষ্টিয়া জেলার আমলাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯০৫ সালে কলকাতা সিটি কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। অতঃপর কলকাতা রিপন কলেজে ভর্তি হন। ১৯০৭ সালে এফ. এ পরীক্ষা দিয়ে কলেজের পাঠ ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে কলকাতা কমার্শিয়াল ইন্সটিটিউট থেকে শর্টহ্যান্ড ও টাইপরাইটিং শিক্ষা গ্রহণ করেন।

বীরভূম জেলার সিউড়ি জজকোর্টে টাইপিস্টের চাকুরী লাভ করেন ১৯০৮ সালে। সেখানে ৪/৫ বছর চাকুরীর করার পর উড়িষ্যার সম্বলপুরে একজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের অফিসে পুণরায় টাইপিস্টের চাকুরী গ্রহণ করেন ১৯১৩ সালে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মনোমালিন্য ঘটায় চাকুরী থেকে ইস্তফা দেন তিনি। অতঃপর কলকাতার "জাগো'স ইঙ্ক" নামের ফাউন্টেনপেনের কালি তৈরীর একটি কারখানা খোলেন। এ ব্যবসায় উন্নতি করতে না পেরে ১৯২৭ সালে বোলপুরের চৌকি আদালতে আবারো টাইপিস্টের চাকুরীতে যোগদান করেন। সেখানে একটানা ১৭ বছর চাকুরীর করার পর ১৯৪৪ সালে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর কুষ্টিয়ায় বাস করতে থাকেন। ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর কুষ্টিয়া ত্যাগ করে কলকাতায় গমন করেন ও সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করেন।

কবি হিসেবে তিনি প্রথমে আত্মপ্রকাশ করলেও ছোট গল্পকার-রূপে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেন। 'বিজলী', 'কালিকলম', 'কল্লোল' প্রভৃতি সেকালের নূতন ধরনের সকল পত্রিকাতেই গল্প প্রকাশ করেছেন। গল্প ও উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রকাশভঙ্গীর স্বাতন্ত্র্যের জন্য সাহিত্যিক মহলে বিশিষ্ট স্থান পেয়েছিলেন।
ছোটগল্পের বিশিষ্ট শিল্পী ছিলেন জগদীশ গুপ্ত। গভীর জীবনবোধ, সুঠাম কাহিনীবিন্যাস ও চরিত্রচিত্রণের নৈপুণ্যে তাঁর ছোটগল্প সমৃদ্ধ হয়েছে। মনোবৈকল্য ও মনোবিশ্লেষণ এবং দুঃখময়তার নিপুণ বর্ণনায় তাঁর শিল্পকর্ম এক অসাধারণ সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সামাজিক অন্যায়-অবিচারের চেয়ে অদৃষ্টলিপিই দুঃখময়তার কারণ বলে তাঁর গল্পে বিশ্লেষিত।
গল্পগ্রন্থঃ বিনোদিনী (১৩৩৪); রূপের বাহিরে (১৩৩৬); শ্রীমতি (১৩৩৭); উদয়লেখা (১৩৩৯); শশাঙ্ক কবিরাজের স্ত্রী (১৩৪১); মেঘাবৃত অশনি (১৩৫৪); স্বনির্বাচিত গল্প (১৩৫৭)
উপন্যাসঃ অসাধু সিদ্ধার্থ (১৩৩৬); লঘুগুরু; দুলালের দোলা (১৩৩৮); নিষেধের পটভূমিকায় (১৩৫৯); কলঙ্কিত তীর্থ (১৩৬৭)
কবিতা-সঙ্কলনঃ অক্ষরা
...............................
ভূমিকা (স্ব-নির্বাচিত গল্প)
কবে জন্মগ্রহণ করিয়াছিলাম, কবে গল্প লিখতে শুরু করি, অর্থাৎ “ইনি জগদীশবাবু, গল্প-টল্প লেখেন”, এই গৌরবমূলক পরিচয়ের সূত্রপাত হয়, প্রথম গল্প কোনটা, প্রথম বই কোনখানা, কত বয়সে লিখিতে আরম্ভ করি, কি অনুপ্রেরণার বশে কলম ধরি, বাতিকে না তাগিদে, ইত্যাদি বিষয়ের সঙ্গে আমার লেখা এবং আমি সংশ্লিষ্ট বলিয়া মনে করি না; কারণ ঐসব সংবাদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব কিছু নাই, যে-মানুষের পরের ঘরের খবর জানার কৌতুহল দিবারাত্র অস্থির ঠেকে তারও আমার জন্মতারিখ জানার কৌতুহল থাকা সম্ভব নয়। আমার লেখা ভাল লাগিলে পাঠক তাহা গ্রহণ এবং স্বীকার করিবেন – ভাল না লাগিলে নাকচ করিয়া দিবেন – গণনার ভিতর আনিবেন না। পাঠকের সঙ্গে আমার সম্পর্ক কেবল ঐটুকু – তদরিক্ত কিছু চিন্তা বা অনুভব আমিই করি না – পাঠক করিবেন কেন?

আমি কেন লিখি বিচার্য বিষয় হইবে তাহাই। দেশের সেবা করিতে যাইয়া জেল খাটিয়াছি কি না, গ্রামোন্নয়নের কাজে নিজেকে একদা নিযুক্ত করিয়াছিলাম কি না, সমগ্র ভারত ভ্রমণ করিয়াছি কি না, দরিদ্রগণে যথাসাধ্য ভরণ করিয়াছি কি না, কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে যথেষ্ঠ ত্যাগ স্বীকার করিয়াছি কি না, এ-সবও অবান্তর। আমার লেখা পড়িবার সময় আমার সর্বাঙ্গীণতা ও সর্ব্বজনীনতা, অনুভূতির প্রখরতা, প্রকাশের ভঙ্গি, বিষয়বস্তুর আশ্রয়ে ভাবাভিব্যক্তির উৎকর্ষ, ইত্যাদি গুণাগুণ পাঠক লক্ষ্য করিবেন, এবং লক্ষ্য করিবেন, জীবন্ত কোনো রসাশ্রিত সামগ্রী আমি তাঁহাদের উপভোগের জন্য দিতে পারিয়াছি কি না। আমার জন্মের ও প্রথম বই-প্রকাশের সন-তারিখ, আর, বইয়ের তালিকা কোনোই কাজে লাগিবে না যদি লেখা ভাল না হয় – তা ব্যর্থ হইবেই।

শ্রদ্ধেয় অচিন্ত্যবাবু ১৩৫৬/অগ্রহায়ণের পূর্বাশায় প্রকাশিত “কল্লোল-যুগ” প্রবন্ধে একটি অকপট সত্য অতি সুন্দর করিয়া বলিয়াছেন। জগদীশবাবু সাহিত্যক্ষেত্রে বিচরণশীল অনেকের কাছেই “অনুপস্থিত”। এই একটি শব্দ, “অনুপস্থিত” শব্দটি, আমার সঙ্গে পাঠকের যোগরেখা চমৎকার নির্বিশেষভাবে দেখাইয়া দিয়াছে। একটি শব্দের দ্বারা এতটা সত্যের উদ্ঘাটন আমার পক্ষে ভয়াবহ হইলেও আনন্দপ্রদ। সরল ভাষায় কথাটার অর্থ এ-ই যে, অনেকেই আমার নাম শোনেন নাই। কাজেই অত্যন্ত আনন্দের সহিত বলিতেছি যে, যাহাদের কাছে আমি “অনুপস্থিত” তাঁহাদের সম্মুখে, “এই নিন্ আমার জন্মতারিখ আর বইয়ের লিষ্ট” বলিয়া আচমকা লাফাইয়া পড়িতে আমি পারি না। লেখা পড়াইয়া সন্তোষবিধান ব্যতীত নিজের খবর আর তথ্য জানাইয়া তাঁদের কৃতার্থ করিবার দায়িত্ব আমার নাই।

নিজের সম্বন্ধে আমি যতই ফেনাইয়া ফাঁপাইয়া ফলাইয়া লিখি না কেন কোনো সুরুচিসম্পন্ন ব্যক্তি তাহা গ্রহণ করিবেন না; হয়ত হাসিবেন এবং হাসাহাসি করিবেন। আর, “অনুপস্থিত” লোকের হঠাৎ আসিয়া গাম্ভীর্যের সঙ্গে বাগাড়ম্বরপূর্বক সাহিত্যের প্রয়েজনীয়তা, কার্য্যকারিতা, দায়িত্ব, স্থায়িত্ব, উদ্দেশ্য প্রভৃতির ব্যাখ্যা করা হইবে ততোধিক হাস্যের কারণ।

তবে, একেবারেই যে খবর নাই, কিম্বা সব খবরই যে বলিতে আমি অনিচ্ছুক এমন নয়। একটি খবর দিব।
বোলপুর টাউনে গেলাম। কিছুদিন পরেই মাসিকপত্রের মাধ্যমেক্রমে কানাকানি হইয়া গেল যে, আমি একজন লেখক। দু’টি বন্ধু পাইলামঃ শ্রীভোলানাথ সেনগুপ্ত ও শ্রীশান্তিরাম চক্রবর্ত্তী। তৎপূর্বেই ভোলানাথবাবু তাঁল সুপাঠ্য “গোরুর গাড়ী” কাব্য ছাপাইয়াছেন। ঐ দু’টি বন্ধুর মানুষের অন্তরের তত্ত্ব হৃদয়ঙ্গম করার অসাধারণ শক্তি দেখিয়া এবং তাঁদের রসাল রসিকতায় ভারী মুগ্ধ হইয়া গেলাম। তাঁহারাই একদিন প্রস্তাব করিলেনঃ গল্পের বই করুন একখানা।
জানাইলাম, প্রকাশক পাইব না।
সেখানেই উপস্থিত ছিলেন সেখানকার কানুবাবু – শ্রীব্রজজনবল্লভ বসু। তিনি জানিতে চাহিলেনঃ ছাপতে কত টাকা লাগতে পারে?
বলিলাম, শ’আড়াই।
– আমি দেব। ছাপুন।
কানুবাবু যথাসময়ে টাকাটা দিলেন – ‘বিনোদিনী’ গল্পের বই ছাপা হইল।

৩০/৩৫ খানা বই এঁ-কে ওঁ-কে দিলাম; অবশিষ্ট হাজারখানেক বই, আমার আর কানুবাবুর “বিনোদনী”, প্যাকিং-ব্যাক্সের ভিতর রহিয়া গেল; পরে কীটে খাইল।

লেখক এবং সমাজিক মানুষ হিসাবে আমার আর কোনো অনুশোচনা নাই, কেবল মানসিক এই গ্লানিটা আছে যে, কানুবাবুর শ’আড়াই টাকা নষ্ট করিয়াছি।

আমার নিজের সম্বন্ধে আর একটি কথা এ-ই যে, আমি যদি তখন মরি তবে যাঁহারা আ

মাকে চেনেন তাঁহারা বলিবেনঃ “বয়েস পেয়েই গেছেন।” 

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71