শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮
শনিবার, ৫ই কার্তিক ১৪২৫
 
 
কলকাতার ঘুম হারাম করলো বাংলাদেশের ডাকাতরা!
প্রকাশ: ১২:২৫ am ১৫-০৫-২০১৬ হালনাগাদ: ১২:৪৮ am ১৫-০৫-২০১৬
 
 
 


প্রতিবেশী ডেস্ক: দক্ষিণ কলকাতায় একের পর এক ডাকাতি হচ্ছে সোনার দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। হদিস করতে হিমশিম রাজ্য পুলিশ কর্মকর্তাদের।

কোনো তথ্যই মিলাতে পারছে না পুলিশ। দিনের পর দিন নির্বিঘ্নে ডাকাতি করে চলেছে কারা? রীতিমতো তাদের কপালে ভাঁজ। এতে পুলিশের দক্ষতা নিয়েও উঠছে নানান প্রশ্ন। 

ডাকাতি নিয়ে পুলিশে-মানুষে মুখরোচক কথাবার্তার পাশাপাশি ভীতিও কাজ করছিল বাসিন্দাদের মধ্যে। ডাকাতি হয় হরিদেবপুর, নাকতলা, যাদবপুরসহ দক্ষিণ কলকাতার একাধিক এলাকায়। কয়েক মাস আগে হরিদেবপুরে একটি সোনার দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়।

মালিক ও কর্মচারীদের ভয় দেখিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ টাকার সোনার গহনা নিয়ে চম্পট দেয় ডাকাতদল। 

তদন্তে নামে কলকাতা পুলিশ। যাইহোক অনেক কাঠখোড় পুড়িয়ে পুলিশ কিছু তথ্য পেল। ডাকাতির ধরন, ডাকাতদের বয়স প্রায় অভিন্ন বলে তথ্য পায় তারা।

আরেকটি বড় বিষয় পুলিশের নজরে আসে, সেটি হচ্ছে এসব ডাকাতির কোনো ঘটনা আশপাশের স্থাপিত সিসি ক্যামেরায় দৃশ্যমান হয়নি। যে প্রতিষ্ঠানে কিংবা যে দোকানে ডাকাতি করা হয়েছে সেখানকার সিসি ক্যামেরাতেও পাওয়া যায়নি সন্দেহভাজন ডাকাতদের ছবি। 

পরীক্ষা-নিরীক্ষায় পুলিশ দেখলো, সব সিসি ক্যামেরার সংযোগ ছিল বিচ্ছিন্ন। ডাকাতির আগেই এগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল ডাকাতরা। ডাকাতদের বয়স, ডাকাতির ধরন, ঘটনাস্থলে কিংবা আশপাশের স্থাপিত সিসি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখার অভিন্ন আলামত এবং ভুক্তভোগিদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ মোটামুটি একটা ধারণা পেয়েছে।  

পুলিশ সর্বশেষ কথা বলে হরিপুরে সোনার দোকানের মালিকের সঙ্গে। ওই দোকান থেকে ডাকাতরা বিপুল পরিমান সোনা ও নগদ টাকা লুটে নেয়।

মালিকের বক্তব্য ধরে ডাকাতদের মুখায়বের স্কেচ দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। দোকান মালিকের বক্তব্য মতে, ডাকাতিতে অংশ নেয়া প্রত্যেকের বয়স হবে আনুমানিক ৪৫ বছরের মতো।

ডাকাতির অভিন্নতার সূত্র ধরে কলকাতা পুলিশ বলছে, এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বাংলাদেশের লোকজন। দু’প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশ থেকে আসা ডাকাতদলের উপদ্রুব আছে অনেক দিন ধরেই। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা ডাকাত দলের সদস্যদের সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য এখনো দিতে পারছেন না। ধারণার বশবতি হয়ে বলছেন, বাংলাদেশ থেকে আসা ডাকাতরাই এবার ডেরা গড়েছে কলকাতায়।

এইবেলাডটকম/পিসি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71