বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বুধবার, ১১ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
কলকাতায় হিন্দু সংহতির ৮ম বর্ষপূর্তি মহাসমাবেশ
প্রকাশ: ১২:৩৯ am ১৫-০২-২০১৬ হালনাগাদ: ০১:২৭ am ১৫-০২-২০১৬
 
 
 


দেবব্রত বাগচী, কলকাতা: আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ‘হিন্দু সংহতি’ তাদের অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মহালগ্নে কলকাতার রাণী রাসমণি রোডে এক মহাসমাবেশ আয়োজন করে। ভারতমাতার সম্মুখে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও গুরুমন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে এই সভার সূচনা করেন তেজস্বানন্দজী মহারাজ (উপাধ্যক্ষ ভোলাগিরি আশ্রম, হরিদ্বার), প্রদীপ্তানন্দজী মহারাজ (ভারত সেবাশ্রম সংঘ) এবং তপন ঘোষ মহাশয় (সর্বভারতীয় সভাপতি, হিন্দু সংহতি)।


এই অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন ফ্রাসোঁয়া গঁতিয়ে (ফ্রান্সের সাংবাদিক, বর্তমানে ভারতের পন্ডিচেরি-র অরবিন্দ আশ্রম নিবাসী)। এছাড়াও, উপস্থিত ছিলেন, রভিজোত সিং (জাতীয়তাবাদী কবি, দিল্লি ), ডাঃ নীলমাধব দাস (তরুন হিন্দু, জামসেদপুর) সহ বিশিষ্ট গুণিজনেরা।

আজকের সভা উপলক্ষে হিন্দু সংহতি-র সর্বভারতীয় সভাপতি মাননীয় তপন ঘোষ বাবু ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে বলেন, হিন্দু সংহতি বহু বছর ধরে হিন্দু ধর্মের রক্ষার্থে এবং হিন্দুদের স্বার্থে বহুবিধ জনহিতকর কাজ করে এসেছে এবং আগামী দিনেও করে যাবে নিরলস, নিঃস্বার্থ ও নির্ভীকভাবে। আজকের এই সমাবেশে রাজনৈতিক চরিতার্থ ভুলে কাতারে-কাতারে যে এত হিন্দু জনসাধারণের সমাগম ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে, তা আবারও প্রমাণ করে দিল রাজ্যের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘আমরা ভয় করব না, করব না/মরার আগে মাটির একটি কণাও ছাড়ব না……..”।



আজকের বিশেষ অতিথি, মূলতঃ ফ্রান্সের সাংবাদিক এবং বর্তমানে ‘ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত মাননীয় ফ্রান্সোয়া গঁতিয়ে মহাশয়। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘ভারতবর্ষের হিন্দু ধর্ম চির সনাতনী। এর শুরু কোথায় আর শেষ কোথায়, তা হয়তো কেউই হরফ করে বলতে পারবেন না। আমি মূলতঃ ফ্রান্স নিবাসী একজন সাংবাদিক। কিন্তু বহু বছর ধরে আমি ‘ভারতীয় ইতিহাস এবং ধর্মীয় সংস্কৃতি’র ওপর কর্মসূত্রে ভারতে আছি।

তিনি বলেন, ‘যখন প্রথমবার কাশ্মীর-এ গিয়েছিলাম ওখানকার হিন্দুদের করূণ পরিণতি দেখে আমি একজন জন্মসূত্রে রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টান হওয়ার পরেও বিচলিত হয়ে পরি এবং কর্মসূত্রে পন্ডিচেরিতে থাকতে থাকতেও আমার একই অভিজ্ঞতা হয়। অবাক হই, হিন্দু নামক এই সনাতনী সংস্কৃতিতে অনেকে আছেন যাঁরা নিজেদের স্বার্থ-কে বজায় রাখতে এই ধর্মে বিশ্বাসী মানুষদের ওপর নির্বিচারে আক্রমণ করছে, হত্যা করছে প্রতিনিয়ত। যার উদাহরণ ইতিহাসের পাতায় বহু রয়েছে।” 

তিনি তাঁর বক্তব্যের শেষ লগ্নে দৃঢ় অঙ্গীকার করেন দৃপ্ত কণ্ঠে “যতদিন তিনি বেঁচে থাকবেন ততদিন তিনি হিন্দুত্বের স্বার্থে হিন্দু ধর্মের ইতিহাসের কথা, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর অত্যাচারের কথা তুলে ধরবেন সমাজের বুকে তাঁর লেখনীর মধ্যে দিয়ে নির্ভীকভাবে।” জন-সাধারণের বোঝার সুবিধার্থে তাঁর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ করেন মাননীয় অনিমিত্র চক্রবর্তী মহাশয় ।

‘হিন্দু সংহতি’-র সভ্যবৃন্দ থেকে শুরু করে সকলেই তপন ঘোষ মহাশয়-এর সাথে শরীরের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত একসাথে চলার প্রতিজ্ঞা করেন এই অনুষ্ঠানে-র মধ্যে দিয়ে।


 
এইবেলাডটকম/এমআর
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71