বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ২৯শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
স্বাধীনতার ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও মুক্তিযোদ্ধার সংগঠক
কাজী আব্দুল বারী নামটি মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আজও লিপিবদ্ধ হয়নি
প্রকাশ: ১১:৩৭ am ২৯-১২-২০১৬ হালনাগাদ: ১১:৩৭ am ২৯-১২-২০১৬
 
 
 


(অষ্টগ্রাম) কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : স্বাধীনতার ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার নির্যাতিত জননেতা মুক্তিযোদ্ধার সংগঠক কাজী আব্দুল বারী সরকারীভাবে মুক্তিযোদ্ধার সম্মানটুকু পায়নি বাংলা একাডেমি সহ বিভিন্ন প্রকাশনায় তার মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতি ও হাওর অঞ্চলের জনমানুষের স্মৃতিপটের এই নেতার অবদান শ্রদ্ধার সাথে ভেসে থাকলেও অজানা কারনে সরকারীভাবে তাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় ব্জনমানুষের ক্ষোভ ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

মরহুম জননেতা কাজী আব্দুল বারী ৫২ এর ভাষা আন্দোলন ৬৯ এর গণ অভ্যূথান ৭০ এর প্রাদেশিক পরিষদে মনোনীত প্রার্থী প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব এবং স্বাধীনতা যোদ্ধে বিরাট কর্মী বাহিনী গঠন করে।

সংগ্রাম কমিটি গঠন করে নিজেই সভাপতি দায়িত্ব গ্রহন করেন। ইপি আর থেকে আগত হাফিজ উদ্দিনের মাধ্যমে কর্মীদের নিয়ে স্থানীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধার প্রশিক্ষন, পরবর্তীতে ভারতের মেঘালয়ে বারেঙ্গাপাড়া ক্যাম্প থেকে ইয়থ ক্যাম্পের মাধ্যমে গ্রুফ ভিত্তিক কর্মীদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহন এবং নিজে রাজনৈতিক প্রশিক্ষক ও শরনার্থী শিবিরের দায়িত্ব পালন করেও জীবিত অবস্থায় তিনি ও তার পরিবার সরকারীভাবে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি ও সম্মান পাননি।

নির্যাতিত জননেতা মরহুম কাজী আব্দুল বারী ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে ময়মনসিংহ জেলা স্কুলের ছাত্র থাকা অবস্থায় প্রথম গ্রেপ্তার হন পরে আনন্দ মোহন কলেজের ছাত্রাবস্তায় পাকিস্তান ছাত্রলীগের ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি থাকা কালে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবারো গ্রেফতার হন। মুক্তি পেয়ে পাকিস্তানের মার্শাল সরকার প্রধান ফিল্ড মার্শাল আয়ুব বিরোধী আন্দোলনে আবার গ্রেফতার, জেল এবং বেত্র দন্ডে দন্ডিত হয়ে আজীবনের জন্য বধির হয়ে পড়েন।

১৯৬৬ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ( ওয়ালী খান ) ন্যাপ এ যোগ দিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ন্যাপ এর সভাপতি নির্বাচিত হন। এবং বৃহৎ ময়মনসিংহ এর হাওর অঞ্চলের ন্যাপ ও কমিউনিষ্ট নেতাদের নিয়ে কৃষক আন্দোলন ও সংগঠনের কাজের মধ্যে বিরাট কর্মী বাহিনী গড়ে তুলে এ কর্মী বাহিনী থেকে শতাদিক কর্মী নিয়ে ভারতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধার প্রশিক্ষন ও নিজ দায়িত্ব পালন করে।

ভারতে যাওয়া ও রণাঙ্গনের সাথী পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান জানান, স্থানীয় প্রশিক্ষন থেকে মেঘালয় বারেঙ্গাপাড়া ইয়থ ক্যাম্প এবং তোরা ও ঢালু ক্যাম্পের আমাদের সব ব্যবস্থা করে দেন।

এ ব্যপারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অষ্টগ্রাম উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার কাজী আফতাব জানান, তিনি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা সম্ভবত রাজনৈতিক কারনেই মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় তার নামটি নেই।

এইবেলাডটকম/মন্তোষ/এফএআর

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71