সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯
সোমবার, ৪ঠা চৈত্র ১৪২৫
 
 
কান্তনগর মন্দির থেকে রাজবাড়িতে শ্রীশ্রী কান্তজিউ বিগ্রহ
প্রকাশ: ০৪:১৪ pm ০১-০৯-২০১৮ হালনাগাদ: ০৪:১৪ pm ০১-০৯-২০১৮
 
দিনাজপুর প্রতিনিধি
 
 
 
 


আড়াইশ' বছরের পুরনো ঐতিহ্য ও রাজপ্রথা অনুযায়ী দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী কান্তনগর বা কান্তজিউ মন্দির থেকে শ্রী শ্রী কান্তজিউ বিগ্রহ শহরের ঐতিহাসিক রাজবাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।

শুক্রবার উৎসাহ উদ্দীপনায় দীর্ঘ নদীপথ পাড়ি দিয়ে বিগ্রহটি রাজবাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস ভগবান শ্রী কৃষ্ণের আরেক রূপ কান্তজিউ বিগ্রহ। তাই এটি রাজবাড়িতে নিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে ঢেপা নদীর দু'তীরে এদিন জড়ো হয়েছিলেন লাখ লাখ ভক্ত পুণ্যার্থী। তারা জানান, মনবাসনা পূরণ ও পাপ মোচন তথা পুণ্য অর্জনের জন্য তারা এসেছেন। আনন্দমন ও ভক্তিভাবে তারা ভগবানের উদ্দেশ্যে ফুল, ফল অর্পণ করেছেন। প্রথা অনুযায়ী ঐতিহ্যবাহী কান্তনগর মন্দির থেকে শ্রীশ্রী কান্তজিউ বিগ্রহ নৌপথে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে দিনাজপুর রাজবাড়িতে পৌঁছেছে।

দিনাজপুর রাজবংশের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল প্রায় সাড়ে ৫শ' বছর আগে। সেই বংশের রাজা জমিদার প্রাণনাথ রায় ১৭২২ সালে দিনাজপুর শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার উত্তরে কাহারোলের কান্তনগর এলাকায় কান্তজিউ মন্দির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ১৭৫২ সালে এই মন্দিরের কাজ শেষ করেন তার পোষ্যপুত্র রামনাথ রায়। সেই সময় থেকেই কান্তজিউ বিগ্রহ বছরের ৯ মাস কান্তনগর মন্দিরে এবং তিন মাস দিনাজপুর শহরের রাজবাড়িতে অবস্থান করে। 

জন্মাষ্টমীর দু'দিন আগে কান্তজিউ বিগ্রহ উৎসব-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রাজবাড়িতে নিয়ে আসা হয়। সেই রীতি অনুযায়ীই শুক্রবার ৮টায় কান্তনগর মন্দির থেকে পূজা অর্চনা শেষে কান্তজিউ বিগ্রহ ঢেপা নদীর কান্তনগর ঘাটে আনা হয়। সেখান থেকে বিশাল নৌবহর নিয়ে যাত্রা শুরু হয় ২৫ কিলোমিটার দূরে দিনাজপুর শহরের সাধুঘাটের উদ্দেশ্যে। এ সময় পুণ্যার্থীরা যেন বিগ্রহ এক নজর দেখতে পারেন সে জন্য আরও শতাধিক ঘাটে নৌকা ভেড়ানো হয়।

নি  এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71