রবিবার, ১৯ মে ২০১৯
রবিবার, ৫ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
 
 
কারাগারে বন্দী অবস্থায় এ্যাডঃ পলাশ চন্দ্র রায়কে পুড়িয়ে হত্যা
প্রকাশ: ১২:৫৬ pm ০৫-০৫-২০১৯ হালনাগাদ: ১২:৫৬ pm ০৫-০৫-২০১৯
 
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
 
 
 
 


উত্তরাঞ্চলীয় জেলা পঞ্চগড়ে কারাগারে বন্দী অবস্থায় সংখ্যালঘু নেতা এ্যাডভোকেট পলাশ চন্দ্র রায়কে পরিকল্পিত ভাবে জেলহাজতে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন নিহতের পরিবার।

নিহত এ্যাডভোকেট পলাশ চন্দ্র রায় পঞ্চগড় উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা সাবেক মহিলা ভাইসচেয়ারমান মিরা রানীর সন্তান।

জানা যায়, এ্যাডভোকেট পলাশ চন্দ্র রায় কহিনূর কেমিক্যাল কম্পানিতে আইন কর্মকর্তা হিসেবে ছিলেন। চাকুরি চলাকালীন কোম্পানির কর্মকর্তারা অনৈতিক কার্যকলাপ কাজের প্রস্তাব দিলে রাজি না হওয়ায় কোম্পানি ২০১৬ সালে তার বিরুদ্ধে ৩১লক্ষ টাকা আত্মসাতের মামলা দেন পলাশের বিরুদ্ধে। এক পর্যায়ে র্যাবের দ্বারা গ্রেফতার হয়, জামিনে বেড়িয়ে মানষিক বিপর্যে পড়ে গত ২৫ মার্চ কোম্পানির মামলার অব্যাহতি চেয়ে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু করেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে।

একপর্যায়ে অনশন ভেঙে জেলা শহরের শের-ই-বাংলা মহাসড়কে মানববন্ধন বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধনে তিনি কোম্পানির কর্মকর্তাদের দূর্নীতি কথা তুলে ধরে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অব্যাহতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে অনুরোধ করেন।

এবার মামলা অব্যহতির জন্য মানববন্ধন করে আবারও মামলায় জরিয়ে যায় এ্যডভোকেট পলাশ।এবার তার বিরুদ্ধে রাজিব রানা নামের এক যুবক তার দাবী অনুযায়ী সে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু পাঠাগারের ছাত্র ফেডারেশনের মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।।

রাজিব রানার অভিযোগ এ্যাড পলাশ রায় মানববন্ধনে প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য পেশ করেছেন এই মর্মে সদর থানায় একটি মানহানীর মামলা দায়ের করেন।।

সদর থানা অভিযোগ পেয়ে তাকে ঐদিনই আটক করে আদালতে প্রেরণ করে এবং আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করে।

গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে কোম্পানির মামলার জন্য ঢাকা পাঠানো কথা কিন্তু সকালে হঠাৎ হাসপাতালে টয়লেট থেকে সে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় চিৎকার করে বেড়িয়ে আসে।

এ্যডভোকেট পলাশ চন্দ্র রায়ের মৃত্যুর পূর্বে জবানবন্দিতে বলেছেন সে টয়লেটে প্রবেশ করার সাথে সাথে অপরিচিত দুইজন তার গায়ে দুইটি পানীয় বোতল(টাইগারের)দিয়ে তার গায়ে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন দেয়। অতঃপর কারারক্ষীরা অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে নেওয়া হলে ৩০ এপ্রিল দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71