মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
মঙ্গলবার, ৭ই ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
কালিকাপ্রসাদের গাড়ির চালক গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ০৭:২১ pm ১৪-০৩-২০১৭ হালনাগাদ: ০৭:২১ pm ১৪-০৩-২০১৭
 
 
 


কলকাতা:: লোকসঙ্গীত শিল্পী কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের (৪৭) গাড়ির চালক অর্ণব রাওকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমানের হুগরি গুড়াপ থানার পুলিশ। চালকের গাফিলতিতে তার মৃত্যু হয়েছে—কালিকাপ্রসাদের স্ত্রীর আনা এমন অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অর্ণবের বিরুদ্ধে পুলিশ ৩০৪, ২৭৯ এবং ৩৩৮ ধারায় মামলা করে।
 
সোমবার দুপুরে অর্ণবকে হুগলির চুঁচুড়ার সিজেএম আদালতে তোলা হয়। সিজেএম আদালতের বিচারক বিপ্লব শ্রী তাকে দুই দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
 
গত ৭ মার্চ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান প্রখ্যাত লোকশিল্পী কালিকাপ্রসাদ। ঘটনার দিন সকালে একটি ইনোভা গাড়িতে চেপে কলকাতা থেকে শিউরির বিদ্যসাগর কলেজে একটি অনুষ্ঠান করতে যাছিল দোহার ব্যান্ডের শিল্পীরা। কালিকাপ্রসাদ ছাড়াও গাড়িতে ছিলেন ছয় জন। কলকাতা থেকে বর্ধমান লেনে হুগলির গুড়াপ থানার পৈলানের কাছে দূর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের লোহার রেলিংয়ে গাড়ির সামনের চাকায় ধাক্কা লাগে। এতে গাড়িটির ডান পাশের চাকা ফেটে যায়। গাড়ির গতিবেগ অত্যন্ত বেশি থাকার কারণে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ওপর একটি কালভার্টে ধাক্কা মেরে কয়েকবার পালটি খেয়ে রাস্তার ধারে নয়ানজুলিতে পড়ে যায়।
 
এ ঘটনায় জ্ঞান হারান সঙ্গীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদ। গুরুতর জখম হয় কালিকা প্রসাদের সহযাত্রীরা। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।
 
এই ঘটনায় গুড়াপ থানার পুলিশ সবাইকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানে কালিকাপ্রসাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই গাড়ি দুর্ঘটনায় তদন্তে নেমে কালিকাপ্রসাদের গাড়ির চালক অর্ণব রাওয়ের গাফিলতির প্রমাণ খুঁজে পায় পুলিশ।
 
তবে তাকে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করে অর্ণব রাও বলেন, 'গাড়ি চালানোর সময় পাশের সিটে বসেছিলেন কালিকাপ্রসাদ। বারংবার তিনি ঘুমিয়ে পড়ছিলেন। তাকে আমি একাধিক বার ডেকেছি। প্রত্যেকবারই তিনি উঠে হোয়াটস অ্যাপ করে গেছেন। আবার ঘুমিয়ে গেছেন। এতে আমার মনোসংযোগে বিঘ্ন ঘটে। সেই সময়ই একটি ভারি গাড়ি আমার গাড়ির পেছনে ধাক্কা মারলে গাড়ির চাকা ফেটে গিয়ে আমি নিয়ন্ত্রণ হারাই। যার জেরে এই দুর্ঘটনা। এতে আমার কোনো দোষ নেই।'
 
অর্ণবের মা করবী দেবী বলেন, 'কালিকাপ্রসাদ বাবু বড় সেলিব্রিটি তাই আমার ছেলেকে ফাঁসানো হলো।'
 
একই কথা বললেন অর্ণবের আইনজীবী দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য। তার ভাষ্য, ৭ তারিখের ঘটনায় গুড়াপ থানা কোনো সুয়োমোটো কেস করল না। অথচ ১১ তারিখ কালিকাপ্রসাদদের স্ত্রী অভিযোগ দায়ের করলেন। এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য্যপ্রণোদিত। অর্ণবকে ফাঁসানো হয়েছে বলে তিনিও দাবি করেন।

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71