রবিবার, ১৯ মে ২০১৯
রবিবার, ৫ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
 
 
কালের গর্ভে বিলুপ্ত প্রায় গরিবের ছনের ঘর
প্রকাশ: ০৫:২২ pm ১৮-১১-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:২২ pm ১৮-১১-২০১৮
 
ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
 
 
 
 


দিন-দিন কমে যাচ্ছে গ্রাম-গঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ছনের ছাউনির তৈরি ঘর। কিছুদনি আগেও প্রতিটি পাড়া-মহল্লায়, গ্রাম-গঞ্জের সেই চির চেনা ঘরের ছনের ছাউনির প্রচলন দিন দিন কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে। আধুনিকতার উৎকর্ষতায় বর্তমানে ছনের তৈরি খর বিলুপ্তির পথে বলই চলে। খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, যেখানে প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জের ২-৪ টি ছনের তৈরি ঘর চোখে পড়ত। কিন্তু বর্তমানে কয়েকটি ইউনিয়ন মিলেও সেই সময়ের ছনের তৈরি ঘর চোখে পড়ে না। বর্তমান দিনে টিনের অত্যাধুনিক ব্যবহারের ফলে ছনের ছাউনির তৈরি ঘর বিলুপ্তি হচ্ছে। তবে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গ্রাম-গঞ্জের মাঝে মধ্যে ২/১ টি ছনের ছাউনির ঘর দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, আজ থেকে ২৫-৩০- বছর আগেও গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে ছনের ছাউনির ঘর ছিল।  নিম্নবৃত্তের মানুষ এই ছন দিয়ে ঘরের ছাউনি দিত। তারাই এই ঘরকে গরিবের এসি ধর বলে। উচ্চবৃত্তবানরা শখের বসে কখনও কখনও পাকা ঘরের চিলকোঠায় ছন ব্যবহার করত 

সরেজমিনে দেখা যায় যে, ফুলবাড়ী ইউনিয়নের চন্দ্রখানা গ্রামের বাসিন্দা গোপাল চন্দ্র রায় (৭৫) বলেন যে- বছর খানেক আগেও আমাদের বাড়ীর সবকয়েকটি ঘর ছনে ছাউনি ছিল। এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন আর আমাদের বাড়ীতে ছনের ঘর নেই। কিছুদিন আগে ছনে ছাউনি ফেলে টিনের ছাউনি দেই। শীত ও গরমে উভয় দিনে ছনের ছাউনির ঘর বেশ আরামদায়ক। এছাড়াও বছর বছর ছন পরিবর্তন করতে হয়। এ কারণে অনেকে ছনের ঘরকে ঝামেলা মনে করে। একারণে ছনের ছাউনির ঘরের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। হারিয়ে যেতে বসেছে বাঙালীদের ঐতিহ্যবাহী এই চিহ্নটি। হয়তো সেই আর বেশি দুরে নয়, যে দিন ছনের ছাউনির ঘরের কথা মানুষের মন থেকে চির তরে হারিয়ে যাবে। আর আগামী নতুন প্রজন্ম রুপকথার গল্পেই এই ঘরকে স্থান দিতে স্বাচন্দবোধ করবে। তবে কেউ কেউ পূর্ব পুরুষদের স্মৃতি ধরে রাখতে অনেকেই ২/১ টা ছনের ছাউনির ঘর টিকিয়ে রেখেছেন। এখন কালের আবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এই গ্রামীন বৈতিহ্যবাহী ছনে ছাউনির তৈরি ঘর।   

নি এম/রতি কান্ত 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71