বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
(পর্ব ১)
কুরুক্ষেত্রে চৌদ্দতম দিনের রক্তক্ষয়ী ঘটনা
প্রকাশ: ১০:৩২ am ০৫-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:৩২ am ০৫-০৫-২০১৮
 
 
 


কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের আঠারো দিনের মধ্যে চতুর্দশ দিনের লড়াইটাই ছিলো সব থেকে বেশে রক্তক্ষয়ী। আর দিন না বলে, দিন আর রাত বলাই ভালো -কেনো না লক্ষ পিদিম জ্বালিয়ে চাঁদের আলোয় রাত্রিবেলাতেও যুদ্ধ হয়েছিলো। সেই একেবারে শেষ রাতে ঘন্টাখানেকের বিশ্রাম। তারপর পরের দিন আবার সকাল থেকেই শুরু।

তেরোদিন ধরে সুর্য্যোদয় থেকে সুর্য্যাস্ত পর্যন্ত একটানা লড়াই চলছে, আর এই চৌদ্দতম দিনের লড়াই ও হবে প্রায় নাগাড়ে চব্বিশ ঘন্টা। এই চৌদ্দতম দিনের লড়াইতে দুটো বড় ঘটনা। দিনের শেষে জয়দ্রথের মৃত্যু আর রাত্রিবেলা ঘটোৎকচের। অবশ্য মাঝারী মাপের কিছু নেতাও প্রাণ হারিয়েছিলেন যেমন বিন্দ, অনুবিন্দ, অলম্বুশ, শ্রুতায়ু।

জয়দ্রথকে সুর্য্যাস্তের আগেই বধ করবেন অর্জুন এই প্রতিজ্ঞার কথা জানতেন কৌরবেরাও। কোনো মতে জয়দ্রথকে টিঁকিয়ে রাখতে পারলেই কেল্লা ফতে। প্রতিজ্ঞা রক্ষায় অসফল অর্জুনের আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। কিন্তু ধর্মযুদ্ধ বলে কথা, জয়দ্রথকে তো আর ছুটি দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেওয়া যাবে না। তাকে রণাঙ্গনেই থাকতে হবে। কৌরব সেনাপতি দ্রোণ তাই প্রতিরক্ষায় মন দিলেন। গড়লেন এমন এক ব্যুহ যে দেখে তাজ্জব বনলেন সিদ্ধ আর চারণেরাও।

কেমন সেই ব্যুহ? প্রথমে শকট ব্যুহ। তার পিছনে চক্র ব্যুহ। সেই চক্রের মাঝে সুচী ব্যুহ, জয়দ্রথ থাকবেন সেখানেই। শকট ব্যুহ মানে সামনেটা সরু (সুচীমুখ) ও পরে বৃত্তাকার। এই ব্যুহ দ্রোণ আগেও সাজিয়েছেন। পিছন থেকে শত্রুর আক্রমনের সম্ভাবনা থাকলে এই ব্যুহ স্থাপন করা হয়।

যাই হোক, এই শকট ব্যুহের পিছনেই আরেকটি ব্যুহ, চক্র ব্যুহ। আসলে মহাভারতের যুদ্ধ খুবই নায়ক নির্ভর। সেনাদলের এক জোটে আক্রমন, কৌশল নিয়ে চিন্তা -সেটা তখনো দানা বাঁধে নি। যুদ্ধের বিবরনী তাই শুধু রথী মহারথীদের সংগ্রামের বিবরন। সাধারন সেনাদের যেনো কোনো ভুমিকাই নেই। তাদের শস্ত্রাঘাতেও কোনো নায়ক নিহত বা আহত হন না। সৈন্য সংস্থাপন বা রণকৌশল তাই উপক্ষিতই থেকে গেছে।

শকটব্যুহের দ্বাররক্ষী দ্রোণাচার্য্য স্বয়ং। সেই ব্যুহভেদ করে এগিয়ে গেলে দ্বিতীয় ব্যুহ, পদ্মব্যুহ। পদ্মব্যুহের দ্বাররক্ষী কৃতবর্মা। এই পদ্মভ্যুহের মধ্যেই গুঢ় সুচী ব্যুহ। এই সুচীব্যুহের (অর্থাৎ লাইন দিয়ে পরপর দাঁড়িয়ে থাকা) প্রথমে দুর্যোধন, পরে শল, শল্য, কৃপ ও কর্ণপুত্র বৃষসেন। সব শেষে জয়দ্রথ। তার সাথে তিন হাজার সিন্ধু দেশের ঘোড়া ও আরো সাত হাজার অন্য ঘোড়া। গান্ধার দেশের মহারথীরা তার দেহরক্ষী। কর্ণ তার বামদিকে, দক্ষিনে অশ্বত্থামা। দ্রোণ নিজেই ঘোড়ার পিঠে চেপে ব্যুহ প্রদর্শন করলেন। মহাভারতে আর কোনো বীর নায়ক ঘোড়ায় চড়েন নি। এর আগে দেখেছি শকুনি যুদ্ধে হেরে রথ ফেলে ঘোড়ায় চেপে "নীচ লোকের ন্যায়্পলায়ন" করছেন। যুধিষ্ঠিরও, দ্রোণের হাত থেকে বাঁচতে একবার ঘোড়ায় চড়েই পালিয়েছিলেন। রথে না চড়ে ঘোড়ার পিঠে ওঠাটা নায়কদের পক্ষে উপযুক্ত ছিলো না। খুব সম্মানের ঘটনা না।

পান্ডবপক্ষেও সাজ সাজ রব। সকাল থেকেই যুধিষ্ঠির পুজোয় বসেছেন। নানান মাঙ্গলিক দ্রব্য স্পর্শ ও দর্শন করছেন। তার মধ্যে আছে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ আর আট হাজার গৌরীগর্ভজাত তনয় (মতান্তরে আট বছর বয়সী মায়ের সন্তান)। দান ও করেছেন প্রচুর।

অর্জুনও প্রস্তুত। মহাদেবকে নমষ্কার করে তিনি মেঘগম্ভীরনির্ঘোষ তপ্তকাঞ্চনপ্রভাসম রথে আরোহন করলেন। তার রথের প্রবল ঘর্ঘর ধ্বনির কথা এর আগে একাধিক বার উল্লেখিত হয়েছে। আর কোনো দিনের যুদ্ধের বিবরনে মহাভারতকার এতো বিস্তৃত বর্ণনা দেন নি। তবে সব সময়ে পারম্পর্য্য রক্ষা হয় নি, কয়েক যায়গায় পুনরুক্তিও আছে। তবে দিনের বেলার লড়াই এর গতি মোটামুটি এইরকম। দ্রোণ আর কৃতবর্মাকে অতিক্রম করে অর্জুন একাকীই পৌঁছাবেন জয়দ্রথের কাছে। পরে যুধিষ্ঠিরের অনুরোধে প্রথমে সাত্যকি আর পরে ভীমরা অর্জুনের সাথে সুচীব্যুহে মিলিত হবেন। এ ছাড়াও আরো কিছু দ্বৈরথ হয়েছিলো। 

যুদ্ধ শুরু হলো। শকট ব্যুহের দ্বাররক্ষী দ্রোণাচার্য্য গায়ে আঁটলেন সাদা রঙের বর্ম। মাথায় বাঁধলেন পাগড়ী। তার ঘোড়াগুলি লাল রঙের আর পতাকা কৃষ্ণাজিনসম্পন্ন(কৃষ্ণসার হরিনের চামড়া)। অর্জুনের ঘোড়ারা সাদা রঙের ।কপিধ্বজ। তার মাথায় মণি মুক্তাখচিত মুকুট। গান্ডীবের টংকার দিয়ে উদ্বোধন হলো। বাজলো পাঞ্চজন্য। ভেরী আর মৃদঙ্গের ধ্বনিতে রণাঙ্গন রোমাঞ্চিত হলো। অর্জুন প্রথমে গেলেন শত কৌরবের একজন- দুর্মর্ষণের কাছে। গাছের থেকে তাল পরলে যেরকম শব্দ হয়, সৈন্যদের ছিন্ন মস্তক পতনের শব্দও সেরকম। এবারে অর্জুনের মুখোমুখী দুঃশাসন। "বেগবান বায়ু যেরকম মেঘমন্ডল ছিন্ন ভিন্ন করে",সে রকম অর্জুন কুরুসেনাদের বিধ্বস্ত করছিলেন। তার এক এক শরে "দুই তিনজন মানুষ বিদীর্ণ হইয়া ধরাতলে নিপাতিত হইতে লাগিল"।

দুঃশাসনের পক্ষে ঐ তেজ হজম করা সম্ভব ছিলো না। তিনি তাড়াতাড়ি সৈন্য সামন্ত নিয়ে শকট ব্যুহের ভিতরেই সেঁধিয়ে গেলেন। তার পিছু পিছু ধাওয়া করে আসলেন অর্জুন। এবারে তিনি দ্রোণের মুখোমুখী। অর্জুন আচার্য্যের অনুমতি চাইলেন শকটব্যুহ ভেদ করে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। দ্রোণ বললেন আমাকে না হারিয়ে তুমি তো ব্যুহ প্রবেশ করতে পারবে না। "দ্রোণাচার্য্য এই বলিয়া হাসিতে হাসিতে তীক্ষ্ণশরজালদ্বারা অর্জুন ও তাঁহার রথ,অশ্ব , ধ্বজ ও ও সারথিকে সমাচ্ছন্ন করিয়া ফেলিলেন"।

দুজনেই সমান সমান। তবে অর্জুন কুরুসেনাদের নিধনে যত যত্নবান, দ্রোণ কিন্তু তার সব বান ও অস্ত্র অর্জুন আর বাসুদেবকে লক্ষ্য করেই নিক্ষেপ করছেন। কৃষ্ণ কিন্তু বাদ সাধলেন। অর্জুনকে স্মরণ করিয়ে দিলেন দ্রোণের সাথে এতক্ষন যুদ্ধ করলে জয়দ্রথের কাছে পৌঁছাবে কখন? অর্জুন তখন দ্রোণকে প্রদক্ষিণ করে (মানে পাশ কাটিয়ে) ব্যুহের ভিতরে যাবার চেষ্টা করলেন। দ্রোণ বললেন অর্জুন, তুমি না দ্বৈরথ যুদ্ধে মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত শত্রুকে অতিক্রম করে পালিয়ে যাও না? অর্জুনের উত্তর ছিলো ক্লাসিক। অর্জুন বললেন "আপনি তো আমার শত্রু নন। আপনি আমার গুরুদেব"।

পাঞ্চালদেশের (বেরিলি, বদায়ুন, রোহিলাখন্ড নিয়ে সেই দেশ) দুই বীর যুধামন্যু আর উত্তমৌজা। এরা দুজনে ছিলেন অর্জুনের পার্শ্বরক্ষক। এদের নিয়ে অর্জুন শকটব্যুহ ভেদ করে চললেন পদ্মব্যুহের দিকে। তাকে আটকাতে হাজির কৌরব পক্ষের কৃতবর্মা, কম্বোজ, শ্রুতায়ু। তাদের সাথে আরো রয়েছেন অভিষহ, শুরসেন, শিতি, বসাতি, মাবল্লেক, কৈকেয়, মদ্রক,নারায় ও গোপাল সেনারা। এই সব দেশের যে কটির পরিচয় এখনো পাওয়া যায় তাদের কথা বলি। শুরসেন ছিলো মথুরার রাজধানী। শিবি হচ্ছে পাঞ্জাবের ঝাংএর শোরকোট অঞ্চল। কেকয়ও পাঞ্জাবে এখনকার সাহপুর জেলা। মদ্র দেশ হচ্ছে বর্তমান শেয়ালকোটের কাছে। কম্বোজ ষোড়োশ মহাজনপদের একটি। ঘোড়ার জন্য বিখ্যাত এটি উত্তর পশ্চিম ভারতে অবস্থিত ছিলো। সম্ভবতঃ গান্ধারের প্রতিবেশী দেশ। আর এই যোদ্ধারা? কৃতবর্মা ভোজ বংশের নৃপতি। শ্রুতায়ু ছিলেন কলিংগরাজ। এবং প্রথমে একবার উল্লেখিত হলেও সাত্বতের পরে আর কোনো খবর মেলে নি। অর্জুন পদ্মব্যুহের দরজায় পা রাখতে না রাখতে পিছু পিছু দ্রোণ আবার এসে হাজির।অর্জুনকে তাড়া করে এসে তিনি আবার যুদ্ধপ্রার্থী। এইবারের লড়াইতে দ্রোণ আরো ভয়ংকর।

এবারেও অর্জুন দ্রোণকে "পরিত্যাগ" করে কৃতবর্মার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। পরিষ্কার করে কোথাও লেখা নেই, কিন্তু মন হয় দ্রোণ যেন হাল ছেড়েই দিলেন।পরাজিত অর্জুনকে তাড়া করে আসতে পারতেন। কিন্তু তা আর করলেন না। পদ্মব্যুহের দ্বাররক্ষী কৃতবর্মার সাথেও অর্জুনের লড়াই চললো অনেকক্ষন।কেউই হটবার পাত্র নন। অর্জুন কৃতবর্মাকে আশীবিষসদৃশ অগ্নিশিখাকার একুশটা তীর মারলেন তো,কৃতবর্মাও পাল্টা মারে দশ বানে অর্জুনের বক্ষ বিদ্ধ করে "বীরনাদ করিতে লাগিলেন"। কৃষ্ণ কিন্তু শংকিত। এতো সময় এখানেই চলে গেলে জয়দ্রথের কাছে পৌঁছবে কখন ? বল্লেন "হে পার্থ, কৃতবর্মাকে দয়া করিবার প্রয়োজন নাই।তাড়াতাড়ি একে সংহার করো।" অর্জুনও তৎক্ষনাত কৃতবর্মাকে ঘায়েল করে পদ্মব্যুহের মধ্যে প্রবেশ করলেন। মুশকিল হোলো,তার দুই পার্শ্বরক্ষক, যুধামন্যু আর উত্তমৌজাকে কিন্তু কৃতবর্মা আটকে দিলেন।তারা খুব চেষ্টা করলেন কিন্তু কৃতবর্মাকে অতিক্রম করতে পারলেন না।

অগত্যা- অর্জুন একাকীই ব্যুহের মধ্যে ঢুকলেন। কিন্তু একটা ব্যাপার বেশ চিন্তা করবার সেটি হল বাসুদেব অর্জুনকে বললেন সম্বন্ধের ব্যাপার ছাড়ো, কৃতবর্মাকে দয়া দেখিও না,আর অর্জুনও তক্ষুনি তাকে আহত করে এগিয়ে গেলেন। যেনো এই পরামর্শের জন্যই এই খেলাচ্ছলের যুদ্ধ শেষ করলেন। পরের অধ্যায়েও মহাভারতকার লিখলেন (অর্জুন) কৃতবর্মাকে সম্মুখে প্রাপ্ত হইয়াও বিনাশ করিলেন না। একটা গোপন বোঝাপরা চোরাস্রোত মহাভারতে সব সময়েই রয়েছে। রচনাকার বহুক্ষেত্রে শুধু ইংগিত দিয়েছেন ,স্পষ্টাস্পষ্টি কিছু লেখেন নি।যদিও এই কৃতবর্মাও অভিমন্যু বধের সপ্তরথীদের অন্যতম।

তো,পদ্মব্যুহের মধ্যে অর্জুনের প্রথম প্রতিদ্বন্দী বরুণপুত্র শ্রুতায়ুধ। অর্জুনের সাথে দ্বৈরথে তিনি কিন্তু খুব সুবিধে করে উঠতে পারছিলেন না। অচিরেই তিনি রথ, অশ্ব, সারথিবিহীন হলেন। তিনি তখন পিতৃদত্ত স্বর্গীয় গদা নিয়ে ছুটে এলেন অর্জুনকে মারবেন বলে। বরুণের নির্দেশ ছিলো যে এই গদা শত্রুগনের অজেয় কিন্তু "যে ব্যক্তি যুদ্ধে প্রবৃত্ত না হইবে তাহার উপর কদাচ এই গদা প্রয়োগ করিও না। যদি কর, তাহা হইলে ইহা বিপরীতগামিনী হইয়া তোমাকেই বিনাশ করিবে"। তবে জলাধিপতি বরুণ এও জানতেন যে দিব্যাস্ত্রের ফলেই তার পুত্র অবাধ্য হবে। হলো ও তাই। শ্রুতায়ুধ হাতের কাছে বাসুদেবকে পেয়ে তাকেই মারলেন মোক্ষম এক ঘা। "মহাবীর বাসুদেব অনায়াসে স্বীয় পীন স্কন্ধদেশে সেই গদাঘাত সহ্য করলেন"। দৈব বাক্য তো বিফল হয় না। সেই গদাও রিবাউন্ড করে করে শ্রুতায়ুধকে শমনসদনে পাঠিয়ে দিলো। তবে সারথি কিন্তু ধর্মযুদ্ধে বধ্য। বাসুদেবকে অর্জুনের প্রতিদ্বন্দী সব মহারথীরাই আঘাত করেছেন।

নিজের গদায় নিজেই মরলেন শ্রুতায়ুধ। অর্জুনের প্রতিপক্ষ এবার কাম্বোজদের রাজা সুদক্ষিন। এই কাম্বোজদেরই কর্ণ যুদ্ধে হারিয়েছিলেন কিন্তু এই মহাসমরে তারা কিন্তু কর্নের দলেই রইলেন। সুদক্ষিনের নিক্ষিপ্ত শক্তি (বল্লম জাতীয় অস্ত্র, ভারী হতো ওজনে) অর্জুনকে ভেদ করে মাটীতে পরলো। অর্জুনও আঘাতে সংজ্ঞা হারালেন, আবার জ্ঞান ফিরেও পেলেন তৎক্ষনাৎ। সুদক্ষিনকে আঘাত করলেন চৌদ্দটি নারাচ (বর্মভেদী লৌহময় বান) দিয়ে। তারপর আরো অজস্র অস্ত্র নিক্ষেপ করে সুদক্ষিনের রথ খন্ড খন্ড করে ফেললেন। ক্রমে "সুদক্ষিনের গাত্র শিথিল,বর্ম্ম ছিন্ন,মুকুট ও অংগদ পরিভ্রষ্ট হইলো। তপ্তকাঞ্চন মালালংকারংকৃত ,তাম্রলোচন সুদর্শন প্রানত্যাগ করিলেন"। কাম্বোজেরা বোধহয় ইন্দো ইরানীয়ান সংকর জাতি। তাই কি তাম্রলোচন? 

সুদক্ষিনের পরই অম্বষ্ঠ দেশের রাজা শ্রুতায়ু, অর্জুনের প্রতিপক্ষে। অম্বষ্ঠরা উত্তর পশ্চিম ভারতের একটি উপজাতি। শ্রুতায়ুও লড়াই করলেন মুলতঃ গদা নিয়েই, এবং ইনিও অর্জুনের নাগাল না পেয়ে বাসুদেবকেই তাড়না করতে লাগলেন।ক্রুদ্ধ অর্জুন বানাঘাতে তার গদা খন্ড খন্ড করে দিলে শ্রুতায়ু আরেকটা গদা নিয়ে চড়াও হলেন। অর্জুন দুই ক্ষুরপ্র (তীর। এর ফলকটি খুরপার মতন,অর্থাৎ ধারালো আর চওড়া) দিয়ে শ্রুতায়ু দুই হাত কেটে দিলেন।


বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71