সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৯ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
কৃত্রিম ডিম্বাশয়ে মা হবেন ক্যান্সার আক্রান্তরাও
প্রকাশ: ০৫:৪২ pm ০৪-০৭-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:৪২ pm ০৪-০৭-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


জৈবিক কারণেই মানুষের রোগ হয় আবার চিকিৎসায় সুস্থও হয়। তবে কিছু কিছু রোগ আছে যার চিকিৎসার সরল কোনো উপায় নেই, আবিষ্কৃত হয়নি সেই সব রোগের যথাযথ কোনো ওষুধও। যেমন, ক্যান্সার। আজ অবধি এই রোগটির কোনো কার্যকর ওষুধ পাওয়া যায়নি। শেষ চেষ্টা হিসেবে আশ্রয় নিতে হয় কেমোথেরাপির। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কেটে ফেলতে হয় শরীরের আক্রান্ত অংশ।

কিন্তু এই কেমোথেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় বিকল হয়ে যেতে পারে শরীরের যেকোনো অঙ্গ বা তার কার্যক্রম। যেমন,যেকোনো ধরনের ক্যান্সারের কারণে নারীদের কোমোথোরপি দিলে তারা ডিম্বাশয়ের কার্যক্ষমতা হারিয়ে বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারেন। আবার জরায়ু বা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের কারণে যাদের সেই অঙ্গগুলো কেটে ফেলতে হয় তাদেরও মা হবার সম্ভাবনাকে কেটে ফেলতে হয় স্বপ্ন থেকে।


যেমন ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের কারণে প্রতি বছর বিশ্বের কয়েক লাখ নারীর মা হবার স্বপ্ন ভেঙ্গে যাচ্ছে। কারণ এই রোগে আক্রান্ত হওয়া মানেই অন্যতম প্রজনন অঙ্গটি ছেটে ফেলতেই হবে বা বেঁচে থাকার জন্য কেমোথোরপি নিতে হবে।

তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা স্বপ্নভঙ্গ সেই সব নারীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের নতুন এক উপায় খুঁজে পেয়েছেন। তারা গবেষণাগারে কৃত্রিমভাবে তৈরি করেছেন ডিম্বাশয়। মানুষের শরীরের কলা আর ডিম্বানু নিয়েই এটি তৈরি করেছেন তারা।

ডেনমার্কের গবেষকরা নতুন এক ধরনের কৃত্রিম ডিম্বাশয় তৈরি করেছেন; যা মানব কোষ ও ডিম থেকে নারীকে সন্তান ধারণে সহায়তা করবে। ক্যান্সারের চিকিৎসা ও অন্যান্য থেরাপি নেয়ার কারণে নারীর সন্তান ধারণ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে এ পদ্ধতিটি আবিষ্কার করা হলো। 

কোপেনহেগেনের গবেষক দল দেখিয়েছে যে, গবেষণাগারে তৈরি ডিম্বাশয় কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ডিমগুলোকে জীবন্ত করতে পারে। আশা করা যায়, এই পদ্ধতি একদিন কেমো ও রেডিওথেরাপি নেয়া নারীদের কঠোর পরিচর্যা শেষ করার পর পরিবার গঠনে সহায়তা করবে। মস্তিষ্কের নার্ভ সেলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত করা জটিল মাল্টিপল স্কেলেরোসিস ও রক্তের ভারসাম্যহীনতা রোগ বেটা থেলাসেমিয়ায় আক্রান্ত নারীদের অবস্থার সঙ্গে প্রচলিত কৃত্রিম ডিম্বাশয় সহায়তা করবে। মাল্টিপল স্কেলেরোসিস ও থেলাসেমিয়ার জন্য নেয়া থেরাপির কারণে নারীদের উর্বরতা ক্ষমতা হ্রাস পায়। যেসব রোগী প্রাথমিক মনোপজের মধ্যদিয়ে যায় তারাও এই কৃত্রিম ডিম্বাশয় ব্যবহার করে সন্তান ধারণ করতে পারবেন।

যেসব নারী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে ডায়াগনসিসের মতো চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন পরবর্তীতে যাদের উর্বরতা ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদেরকে আগেই ডিম্বাশয়ের কোষ সরিয়ে ফেলার ও হিমায়িত করে রাখার ব্যবস্থা করা হয়; যাতে প্রয়োজনের সময় কোষগুলো পুনস্থাপন করা যায় ও নারীরা স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্মদানে সক্ষম হন। বেশিরভাগ রোগীর জন্য প্রক্রিয়াটি নিরাপদ। তবে কিছু ক্যান্সার যেমন ডিম্বাশয় কিংবা লিউকোমিয়া নিজে থেকেই ডিম্বাশয়ের কোষকে আক্রান্ত করে। এর মানে হলো, যখন হিমায়িত কোষ স্বাভাবিক করা হয় ও পুনস্থাপন করা হয় তখন রোগটি পুনরায় ফিরে আসার মতো ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। এই কারণে ডিম্বাশয় কোষের হিমায়িত করে রাখার বিষয়টি খুব কমই উচ্চ ঝুঁকির রোগীদের বলা হয়ে থাকে। 

কোপেনহেগেনের রিগস হসপিটালেটের সুসান পোরস ও অন্য গবেষকরা বিশ্বাস করেন, কৃত্রিম ডিম্বাশয় হয়ত একটি নিরাপদ বিকল্প উপায়।

এক করতে তারা যেকোন লুকানো ক্যান্সারের কোষসহ সব ধরনের কোষের দানকৃত ডিম্বাণুতে টিস্যু ছড়ানোর জন্য রাসায়নিকগুলো ব্যবহার করেছে। এটি বামপাশের একটি নিখুঁত কোষের ভাঁজে বাঁকানো মূলত কোলাজেন কোষ। এই প্রোটিন বা শর্করা যা ত্বককে শক্তি দেয়। ডাক্তাররা এই ভাঁজটি মানব ফলিসিসের শত শত ভাঁজ দিয়ে প্রবাহিত করেন। এই ছোট কোষ প্রাথমিক স্তরে ডিম ধারণ করে।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71