শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
শনিবার, ৪ঠা ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
কেবল সীতা নন, এই দুই নারীও রাবণের পতনের জন্য দায়ী
প্রকাশ: ১১:৫৩ am ০৫-০৭-২০১৭ হালনাগাদ: ১১:৫৩ am ০৫-০৭-২০১৭
 
 
 


এইবেলা ডেস্ক : ‘রামায়ণ’-এর পাঠকমাত্রই জানেন, এই মহাকাব্যের খলনায়ক লঙ্কেশ্বর রাবণের ধ্বংস ছিল পূর্বনির্ধারিত, নিয়তি-নির্দিষ্ট। বাল্মীকি এমন ভাবেই এই কাহিনির প্লট-বিন্যাস করেছিলেন যে, সেখানে সীতাই হয়ে ওঠেন রাবণের নিয়তি।

কিন্তু ‘রামায়ণ’ যে সুবিশাল প্রেক্ষাপট থেকে উঠে আসে, সেখানে একা সীতাকে দিয়ে নিয়তির সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করাতে বোধ হয় রাজি ছিলেন না মহাকবি বাল্মীকি।

এখানে আরও একটা কথা বলা প্রয়োজন, গ্রিক পুরাণে নিয়তির ভূমিকা পালন করেন তিন নারী, যাঁদের ‘মইরা’ বা ‘মইরাই’ বলা হয়। আশ্চর্য বিষয়, বাল্মীকিও তিন নারীকেই দায়ী করেছেন রাবণের পতনের জন্য। এঁরা তিন জন যেন একত্রে রাবণের ধ্বংসকে অনিবার্য করে তোলেন।

সীতা ছাড়া আর দুই নারীর কথা আমরা জেনে নিতে পারি।

• একবার স্বর্গে গিয়ে রাবণ অপ্সরা রম্ভাকে দেখতে পান। রম্ভার রূপে মোহিত হয়ে রাবণ তাঁকে লঙ্কায় নিয়ে যেতে চান। কিন্তু রম্ভা তাতে রাজি হননি। কারণ তিনি রাবণের ভ্রাতা কুবেরের পুত্র নলকুবেরের স্ত্রী। সেদিক থেকে দেখলে রাবণ তাঁর শ্বশুর। কামান্ধ রাবণ তাতে কান না দিয়ে রম্ভার উপরে বলপ্রয়োগ করতে উদ্যত হন। এই সময়ে নলকুবের রাবণকে এই মর্মে অভিশাপ দেন, যেহেতু তিনি এক নারীকে অপমান করেছেন, সেহেতু এক নারীই তাঁর পতনের কারণ হবেন।

• মহাপরাক্রান্ত, মহাপণ্ডিত লঙ্কেশ্বর রাবণের সব থেকে বড় দুর্বলতা ছিল নারী। তিনি একবার তাঁর শ্যালিকা মায়ার দিকেও কুনজর দেন। মায়া রাবণকে জানান যে, সেই দিন বেশি দূরে নয়, যেদিন তাঁর সব দর্প, সব অহঙ্কার এক নারীর দ্বারাই ভূলুণ্ঠিত হবে।

সীতা, রম্ভা ও মায়া কি গ্রিক পুরাণের তিন মইরাই— ক্লোথো, ল্যাকেসিস এবং অ্যাট্রোপোস? হয়তো বলতে পারতেন হোমার কিংবা বাল্মীকি।

এইবেলাডটকম/এএস

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71