বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বুধবার, ১১ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
ক্যানসার নিরাময়ে বাঙালি চিকিৎসক মুকুরদীপি রায়ের সাফল্য
প্রকাশ: ০৪:১০ pm ০৮-০৭-২০১৮ হালনাগাদ: ০৪:১০ pm ০৮-০৭-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ক্যানসার চিকিৎসায় এক নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করে আলোচনায় এসেছেন বাঙালি চিকিৎসক মুকুরদীপি রায়। দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এইমস) প্রতিষ্ঠানের এই চিকিৎসক এখনও ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের অল্প সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করে দ্রুত সুস্থ করে তোলা নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন।

নিজের উদ্ভাবিত নতুন অস্ত্রোপচার পদ্ধতিতে অনেকটাই সফল মুকুরদীপি রায়। বাঙালি এই চিকিৎসকের বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়।

নাভির নীচের অংশে যে নানা ধরনের ক্যানসার হয়ে থাকে, সেই আক্রান্ত কোষগুলিকে অস্ত্রোপচার করে বাদ দেওয়ার একটি সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন সার্জিক্যাল অঙ্কোলজির এই বাঙালি চিকিৎসক। বিশ্বের বেশ কয়েকটি প্রখ্যাত প্রতিষ্ঠান তার এই পদ্ধতিকে স্বাগত জানিয়েছে।

দু’বছর আগে তার ‘রিভার ফ্লো’ পদ্ধতিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয় ‘ওয়ার্ল্ড জার্নাল অব মেথোডলজি’। গত দু’বছর ধরে সেই পদ্ধতি মেনে শুরু হয় প্রয়োগ। ইতিমধ্যে প্রায় ১০৫টি ছোট-বড় অস্ত্রোপচার করেছেন একাধিক জাতীয়-আন্তর্জাতিক পদকপ্রাপ্ত এই চিকিৎসক। গত মে মাস পর্যন্ত  ১০৫টি অস্ত্রোপচারে সাফল্য আসায় ‘রিভার ফ্লো’র প্রয়োগকেও স্বীকৃতি দিয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড জার্নাল অব সার্জারি’।

প্রথাগত পদ্ধতিতে ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে কোমরের নীচে অস্ত্রোপচার করলে ক্ষতস্থান শুকোতে দীর্ঘ সময় লাগে। মুকুরদীপি রায় বলেন, ‘অর্ধেকের বেশি রোগীর ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে অস্ত্রোপচারের পরে আবার সেই ক্ষতস্থানে সংক্রমণ হওয়ায় রোগীরা ফের হাসপাতালে ফিরে আসেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেলাইয়ের স্থানের চামড়া গলে যায়। ফলে শরীরের অন্য জায়গা থেকে চামড়ার সঙ্গে পেশি তুলে নিয়ে এসে সেই ক্ষতস্থান ভরতে হয়। এতে এক দিকে সেই রোগী ও তার পরিবারের হয়রানি হয়। অন্যদিকে পুরনো রোগীরা হাসপাতালে থাকার ফলে জায়গা পান না নতুনরা।

‘আমার নতুন পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচারের স্থান এমন ভাবে নির্বাচন করা হয় যাতে ধমনী কেটে না যায়।’ বলছিলেন মুকুরদীপি।

এই পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচারের পরে ক্ষতস্থানে চামড়া পচে যাওয়ার একটি ঘটনাও ঘটেনি বলে তার দাবি। এইমসের নীতি কমিটি ওই পদ্ধতিকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরেই একশোর বেশি রোগীর উপর প্রয়োগ করে প্রতিটিতে সাফল্য পান তিনি। অ্যানোরেক্টাল, গাইনোকলোজিক্যাল ক্যানসারের ক্ষেত্রেও ওই নতুন পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর এবং এতে রোগীদের বেঁচে থাকার মেয়াদও অনেক বেড়ে যায় বলে দাবি ওই চিকিৎসকের। সূত্র: আনন্দবাজার

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71