সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
সোমবার, ৬ই ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
গণিত সম্রাট যাদব চন্দ্র চক্রবর্তীর ৪৩তম মৃত্যূবার্ষিকী আজ
প্রকাশ: ০২:০৪ pm ২৬-১১-২০১৬ হালনাগাদ: ০২:০৪ pm ২৬-১১-২০১৬
 
 
 


প্রতাপ চন্দ্র সাহা ||

গণিত সম্রাট  যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী (জন্মঃ- ১৮৫৫ - মৃত্যুঃ- ২৬ নভেম্বর, ১৯২৩)

কর্মজীবনের শুরুতে তিনি কলকাতা সিটি কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন এবং এখান থেকেই পাটিগণিত রচনায় মগ্ন হন। স্যার সৈয়দ আহমদ যাদব চন্দ্রকে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। এখানে তিনি পাটিগণিতের অধ্যাপক পদে নিযুক্ত হন। স্যার আহমদ নিজ বাসভবনের কাছেই যাদব চন্দ্রের জন্য একটি বাংলো বাড়ী ভাড়া করে দেন। যাদব আলীগড় কলেজে অধ্যাপনা কালে ১৮৯০ সালে ইংরেজিতে তার পাটিগণিত বইটি প্রকাশ করেন। অল্পকালের মধ্যেই সেই পাটিগণিত বাংলা, উর্দু, হিন্দী, আসামী, মায়াবী, নেপালী প্রভৃতি ভাষায় অনুবাদের মাধ্যমে প্রচলিত হয়। ১৯১২ সালে যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী বীজগণিত প্রকাশ করেন। সেই বীজগণিতও একই রকম জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি ১৯১৬ সালে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে অবসর গ্রহণ করে সিরাজগঞ্জে দেশের বাড়ীতে ফিরে আসেন। ইতঃপূর্বে ১৯০১ সালে তিনি সিরাজগঞ্জ শহরের ধানবান্ধিতে একটি পাকা বাড়ী তৈরী করে ছেলেমেয়েদেরকে এখানে রেখেই পড়াশোনার ব্যবস্থা করেছিলেন। অবসর জীবনে তিনি সেই বাড়ীতে এসেই বসবাস করতে থাকেন। তিনি গ্রামের বাড়ী তেঁতুলিয়ায় একটি পাকা মন্দির নির্মাণ করেছিলেন।

যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী সাবেক পাবনা অর্থাৎ সিরাজগঞ্জ জেলা শহর থেকে মাত্র সাত আট মাইল দক্ষিণে কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম কৃষ্ণ চন্দ্র চক্রবর্তী ও মাতার নাম দূর্গা সুন্দরী। তিনি খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি গণিত শাস্ত্রে কৃতিত্বের সঙ্গে এম এ ডিগ্রী অর্জন করেন। 
১৯২৩ সালের ২৬ নভেম্বর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ব্রিটিশ সরকার তাকে “গণিত সম্রাট” উপাধিতে ভূষিত করেন।

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71