বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৪ঠা আশ্বিন ১৪২৫
 
 
গোল্ডেন বুট পেল কেইন, গোল্ডেন বল মডরিচের
প্রকাশ: ১০:১৩ am ১৬-০৭-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:১৩ am ১৬-০৭-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


বিশ্বকাপ শুরুর আগে মেসি, নেইমার আর রোনালদোকে ঘিরেই যেন ছিল সব আলোচনা। এদের মধ্য থেকেই কেউ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হবেন, হাতে উঠবে গোল্ডেন বল অথবা গোল্ডেন বুট তেমনটাই ছিল বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ। সেমিফাইনালের আগেই এরা একে একে ঝরে গেলে অনেকের নামই উঠে আসে। কিন্তু ফাইনালের আগ পর্যন্ত খুব জোরালোভাবে লুকা মডরিচের নামটি আলোচিত হয়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই মডরিচের হাতে উঠে সেই আরাধ্য সোনার বল।

রাশিয়া বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট বা সোনার জুতা পেয়েছেন সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া হ্যারি কেইন।

সোনার জুতা সব সময় বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে দেওয়া হয়। ৬ গোল করে এবার সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন হ্যারি কেইন। ফাইনালে কোনো দলের ফুটবলারই তার ধারে কাছে ছিলেন না। ফ্রান্সের এমবাপ্পে ও গ্রিজমান হয়তো হ্যাট্রিক করতে পারলে এই পুরস্কারের দাবিদার হতে পারতেন। কিন্তু তেমনটি না হওয়ায় বিশ্বকাপের চতুর্থ স্থান দখলকারী ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনের হাতেই উঠে ওই পুরস্কার।

আর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছে রানার আপ ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার লুকা মডরিচ।

দ্বিতীয় ইংলিশম্যান হিসেবে গোল্ডেন বুট অর্জনের কৃতিত্বের অধিকারী হলেন জাতীয় দলের হয়ে ৩০ ম্যাচে ১৯ গোলের মালিক হ্যারি। এর আগে এমন কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন গ্যারি লিনেকার। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে স্বদেশী লিনেকারের মতো হ্যারিও এবারের বিশ্বকাপে সমান ৬ গোল করেছেন।

১৯৮২ থেকে ২০০৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দেয়া হতো ‘গোল্ডেন সু’। ২০১০ থেকে এর নাম করা হয় ‘গোল্ডেন বুট’। পাশাপাশি দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার জন্য ‘সিলভার বুট’ এবং ‘ব্রোঞ্জ বুট’ তো রয়েছেই।

১৯৮২ থেকে ধরলে ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপ পর্যন্ত সাত দেশের নয় ফুটবলার লাভ করেছেন ‘সোনার জুতো’। ইতালি ও জার্মানির সর্বাধিক দুজন করে পান গোল্ডেন বুট। ১৯৮২ সালে ইতালির পাওলো রোসি এবং ১৯৯০ সালে সালভাতোর শিলাচি। এছাড়া ১৯৯৪ সালে বুলগেরিয়ার রিস্টো স্টইচকভ, ১৯৯৮ আসরে ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকর, ২০০২ সালে ব্রাজিলের রোনাল্ডো, ২০০৬ সালে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা, ২০১০ সালে জার্মানির টমাস মুলার, আর সর্বশেষ ২০১৪ সালে গোল্ডেন বুট জিতে চমক দেখিয়েছিলেন কলম্বিয়ার জেমস রড্রিগুয়েজ।

হ্যারি এই বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচ খেলে করেছেন ৬ গোল। বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে গ্রুপ ম্যাচে মাঠে নামেননি। তবে অনেকেই সমালোচনা করে বলেছেন হ্যারির গোলগুলোর বেশিরভাগই হয়েছে স্পট কিক থেকে (৩টিই পেনাল্টি থেকে)। ব্যক্তিগত মুন্সিয়ানার গোল ছিল খুবই কম। সেক্ষেত্রে তিনি বেশ সৌভাগ্যের অধিকারী।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71