বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ২৯শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
ঘাটাইল বীরসিংহ নয়াপাড়া এখন সবজির গ্রাম
প্রকাশ: ০৮:৩০ pm ০১-০২-২০১৬ হালনাগাদ: ০৯:১৮ pm ০১-০২-২০১৬
 
 
 


উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পশ্চিমাঞ্চল লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রাম এখন সবজির গ্রাম নামে খ্যাত। এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ তাদের জীবন যাত্রা উন্নয়নের জন্য সবজি চাষের উপর অনেকটা নির্ভরশীল। সবজির সিংহভাগ চাহিদা এ এলাকা থেকে মিটিয়ে থাকে।

সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় একটি সময় এই গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে নদী। যেটা ডাইলা নদী নামে পরিচিত ছিল সর্বজন। কালের বিবর্তনে পার্শ্ববর্তী উপজেলার ভূয়াপুরে স্লুইজ গেট ও বাঁধ নির্মাণ করার ফলে এ নদী আস্তে আসেত ভরাট হয়ে যায়। ভরাট হলেও মাটির উর্বরতা হারায়নি। এই গ্রামে প্রায় চার শত লোকের বসবাস। তার মধ্যে দেড়শত জন সবজি চাষের উপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার পর থেকে  এই গ্রামে সবাই সবজি চাষ করে আসছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এই গ্রামে বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ হয় যেমন-ফুলকপি, বাঁধাকপি, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, করলা, ধুন্দল, ডাটা, বেগুন সহ নানান জাতের দেশীয় সবজির সমাহার যদিও এ গ্রামে সবজি চাষের পাশাপাশি ধানেরও আবাদ পরিলক্ষিত  হয় ততটা বিস্তৃতি লাভ করতে পারেনি। বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রামে প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে সবজি চাষ হয়ে থাকে। সবজি চাষীরা প্রতিবছর এখান থেকে প্রায় বিঘাপ্রতি ৪০ হাজার টাকা আয় করে। এই গ্রাম থেকে সবজির আঞ্চলিক চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন-ঢাকার বাইপাইল, কাওরানবাজার, ভূয়াপুর, শিয়ালকোল, ক্যান্টনমেন্টে সবজি রপ্তানি করে থাকে। সবজি চাষী মোঃ সুমন মিয়া জানায় আমাদের বাপ চাচা একটা সময় টাংগাইলের রসুলপুর বিক্রমহাটি থেকে বীজ এনে সবজি চাষ করত। কিন্তু এখন বর্তমানে পার্শ্ববর্তী থানা মধুপুর ও নিজস্ব উৎপাদনের বীজ দিয়ে সবজি চাষ করে থাকি।



ঐ গ্রামের আরেক কৃষক শাহ আলম জানান আমরা কীটনাশক ছাড়া জৈব সারের মাধ্যমে সবজি উৎপাদন করি এখানে  মানব দেহের ক্ষতি হবে এমন কোন কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। তাই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে এই গ্রামের বাঁধাকপি, ফুলকপি কীটনাশক বিহীন হওয়ায় অনেক সুস্বাদু হিসেবে সমাদৃত। সবজি চাষে হামিদুর রহমান, সোহেল মিয়া ও শাহজাহান তারা সেচ মেশিনের মাধ্যমে সবজি ক্ষেতের পানির চাহিদা মিটিয়ে থাকে। তারা প্রতি শতাংশ ২০ টাকা হারে পানি সেচ দিয়ে থাকে। গ্রামের সুমন মিয়া আরো জানান, যদি ঘাটাইল কৃষি কর্মকর্তা আমাদের প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ দিতেন তাহলে আমরা সবজি চাষ করে আরো বেশি লাভ হতে পারতাম। তারা মাসে তিনবার আসার কথা থাকলেও সেখানে মাসে একদিন সেলিম মিয়ার বাড়িতে এসে দেখা করে চলে যায়।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বিশ্বাস এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান আগে নিয়ম ছিল কৃষকের কাছে গিয়ে তার সমস্যা জেনে সঠিক উপায়ে সমাধান করা কিন্তু বর্তমানে আমরা নির্দিষ্ট একটি জায়গায় সপ্তাহে অন্তত তিনদিন গিয়ে কৃষকদের সমস্যা জেনে মাঠ পর্যায়ে সমাধান করে থাকি।    
  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পশ্চিমাঞ্চল লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রাম এখন সবজির গ্রাম নামে খ্যাত। এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ তাদের জীবন যাত্রা উন্নয়নের জন্য সবজি চাষের উপর অনেকটা নির্ভরশীল। সবজির সিংহভাগ চাহিদা এ এলাকা থেকে মিটিয়ে থাকে।

সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় একটি সময় এই গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে নদী। যেটা ডাইলা নদী নামে পরিচিত ছিল সর্বজন। কালের বিবর্তনে পার্শ্ববর্তী উপজেলার ভূয়াপুরে স্লুইজ গেট ও বাঁধ নির্মাণ করার ফলে এ নদী আস্তে আসেত ভরাট হয়ে যায়। ভরাট হলেও মাটির উর্বরতা হারায়নি। এই গ্রামে প্রায় চার শত লোকের বসবাস। তার মধ্যে দেড়শত জন সবজি চাষের উপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার পর থেকে  এই গ্রামে সবাই সবজি চাষ করে আসছে বলে এলাকাবাসী জানায়।  এই গ্রামে বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ হয় যেমন-ফুলকপি, বাঁধাকপি, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, করলা, ধুন্দল, ডাটা, বেগুন সহ নানান জাতের দেশীয় সবজির সমাহার যদিও এ গ্রামে সবজি চাষের পাশাপাশি ধানেরও আবাদ পরিলক্ষিত  হয় ততটা বিস্তৃতি লাভ করতে পারেনি। বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রামে প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে সবজি চাষ হয়ে থাকে। সবজি চাষীরা প্রতিবছর এখান থেকে প্রায় বিঘাপ্রতি ৪০ হাজার টাকা আয় করে। এই গ্রাম থেকে সবজির আঞ্চলিক চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন-ঢাকার বাইপাইল, কাওরানবাজার, ভূয়াপুর, শিয়ালকোল, ক্যান্টনমেন্টে সবজি রপ্তানি করে থাকে। সবজি চাষী মোঃ সুমন মিয়া জানায় আমাদের বাপ চাচা একটা সময় টাংগাইলের রসুলপুর বিক্রমহাটি থেকে বীজ এনে সবজি চাষ করত। কিন্তু এখন বর্তমানে পার্শ্ববর্তী থানা মধুপুর ও নিজস্ব উৎপাদনের বীজ দিয়ে সবজি চাষ করে থাকি। ঐ গ্রামের আরেক কৃষক শাহ আলম জানান আমরা কীটনাশক ছাড়া জৈব সারের মাধ্যমে সবজি উৎপাদন করি এখানে  মানব দেহের ক্ষতি হবে এমন কোন কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। তাই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে এই গ্রামের বাঁধাকপি, ফুলকপি কীটনাশক বিহীন হওয়ায় অনেক সুস্বাদু হিসেবে সমাদৃত। সবজি চাষে হামিদুর রহমান, সোহেল মিয়া ও শাহজাহান তারা সেচ মেশিনের মাধ্যমে সবজি ক্ষেতের পানির চাহিদা মিটিয়ে থাকে। তারা প্রতি শতাংশ ২০ টাকা হারে পানি সেচ দিয়ে থাকে। গ্রামের সুমন মিয়া আরো জানান, যদি ঘাটাইল কৃষি কর্মকর্তা আমাদের প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ দিতেন তাহলে আমরা সবজি চাষ করে আরো বেশি লাভ হতে পারতাম। তারা মাসে তিনবার আসার কথা থাকলেও সেখানে মাসে একদিন সেলিম মিয়ার বাড়িতে এসে দেখা করে চলে যায়।


এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বিশ্বাস এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান আগে নিয়ম ছিল কৃষকের কাছে গিয়ে তার সমস্যা জেনে সঠিক উপায়ে সমাধান করা কিন্তু বর্তমানে আমরা নির্দিষ্ট একটি জায়গায় সপ্তাহে অন্তত তিনদিন গিয়ে কৃষকদের সমস্যা জেনে মাঠ পর্যায়ে সমাধান করে থাকি।
   

এইবেলা ডটকম/এসসি 
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71