বুধবার, ২৭ মার্চ ২০১৯
বুধবার, ১৩ই চৈত্র ১৪২৫
 
 
চকরিয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় মন্দির ও বাড়ি ভাংচুর, নারীসহ আহত-১২
প্রকাশ: ০৩:২৩ pm ২৯-১০-২০১৮ হালনাগাদ: ০৪:৪০ pm ২৯-১০-২০১৮
 
​​​​​​​কক্সবাজার প্রতিনিধি
 
 
 
 


কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিএনপি নেতা শহিদুলের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত লাটি-সোট ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে মন্দির ও বসতঘরে হামলা ও লাটিপেটা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসময় মারধর ও লাটির আঘাতে নারীসহ ১২জন আহত হয়েছে। আহতদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দিগরপানখালীস্থ ধরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দিগরপানখালীস্থ ধরপাড়ার ধন ধরের স্ত্রী শিখা ধর (৪৫) ও ছেলে মিটুন ধর(১৮), সুকুমার ধরের ছেলে কমল ধর (২৮), ছোটন ধরের স্ত্রী প্রিয়া ধর (২২), মৃত মনোরঞ্জন ধরের স্ত্রী শোভেদা বালা ধর (৭২), অজিত ধরের ছেলে রুপনে ধর (২০), ধনরঞ্জন ধরের ছেলে টিটু ধর (২৪), বিকাশ ধরের ছেলে বাঁধন ধর (২৮), সজীব ধরের ছেলে রিপন ধর (১৮), হেমাংশু ধরের ছেলে সুকান্ত ধর (১৯), অজিত ধরের ছেলে আপেস ধর (১৭) ও মৃত হরিপদ ধরের ছেলে রনজিত ধর (৩৫)। 

আহত শিখা ধর বলেন, ১৫-২০জন যুবক লাটি-সোটা নিয়ে হঠাৎ আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। যাকে সামনে পায় তাকেই পিটিয়ে আহত করে। তাদের পিটুনি থেকে রক্ষা পেতে নিকটবর্তী মন্দিরে প্রবেশ করেও রক্ষা পায়নি। মন্দিরের ভেতরে ডুকে আমি ও আমার ছেলে-মেয়েকে পিটিয়ে আহত করেছে হামলাকারীরা। আমার পরিবারের পাঁচ সদস্য ছাড়াও বাড়ি লাগোয়া আত্মী-পরিবারের আরো সাত সদস্যকে পিটিয়ে আহত করেছে। 

শিখা ধর আরো বলেন, হামলার সময় সুদুর মারধর করে ক্ষান্ত হয়নি। তারা আমার ও আমার মেয়ের পরনের স্বর্ণালংকারসহ কয়েকটি ঘর থেকে টাকা ও মালামাল লুট করেছে। 

হামলার ব্যাপারে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে দুধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে, কেউ বলছেন মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেপরোয়া হামলা চালানো হয়েছে। আবার কয়েকজন বলেছেন পক্ষকাল পুর্বে একটি ইভটিজিংএর ঘটনার জের ধরে আইনে আশ্রয় না নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ঘটনার ব্যাপারে নিন্দা জানিয়ে বলেন, ঘটনাটি শোনার সাথে সাথে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মুজিব ও গ্রাম পুলিশ সোলেমানকে ঘটনা জানতে ধরপাড়ায় পাঠায়। তারা ঘুরে এসে আমাকে জানায় হিন্দু পরিবারের উপর ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। এটি মর্মান্তিক। বিএনপি’র ক্যাডার শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে যারা হামলা করেছে তাদের গ্রেপ্তারপুর্বব দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঘটনা শোনা মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ টিম পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আহতদের পক্ষ থেকে থানায় ২৭জনকে আসামি করে এজাহার দেয়া হয়েছে। সেটি মামলা হিসেবে নথিভূক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ টিম অভিযান শুরু করেছে।

নি এম/চঞ্চল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71