রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৪ঠা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
চতুর্দশীতে তিলে ভেজা জলে স্নান করলে শরীর পবিত্র হয়
প্রকাশ: ০৯:৪৩ am ১১-০২-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৪৩ am ১১-০২-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


সারা বছরে শিবরাত্রির সংখ্যা বারো, কিন্তু ফাল্গুনের এই তিথিটিই সবচেয়ে পবিত্র বলে গণ্য হয়। অনেকে বলেন, এই দিনটিতেই শিব লিঙ্গরূপে প্রথম প্রকাশ পেয়েছিলেন। তাই দেশের লক্ষ লক্ষ ভক্তদের কাছে দিনটি পরম পবিত্র৷ তাই দেবাদিদেব মহাদেবকে তুষ্ট করতে এই নিয়মগুলো অবশ্যই পালন করুন৷

১. ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথি-ই শিবপুরাণ মতে মহাশিবরাত্রি। তাই ত্রয়োদশী তিথি থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে এই বিশেষ পুজার জন্য। শিবপুরাণ মতে এবং মহাশিবরাত্রি ব্রতপালন বিধি অনুসারে ত্রয়োদশীতে এক বেলা নিরামিষ আহার খেয়ে থাকতে হয়। যাতে চতুর্দশীতে উদরে আহারের কণামাত্রও না থাকে!

২. মহাশিবরাত্রির দিন একেবারে সকালেই ঘুম থেকে উঠে পড়ুন। ঘুম থেকে উঠেই স্নান করে নিন৷ কালো তিল ভেজা জলে স্নান করলে ভাল৷ শিবপুরাণ মতে, তাতে শরীর শুদ্ধ হবে।

৩. স্নান শেষ হয়ে গেলে সঙ্কল্পের পালা। কেন না, এই পুজো এবং ব্রত পালন করতে হয় নিজেকে সংযত রেখে। মনে মনে সঙ্কল্প করুন- চতুর্দশীর সারা দিন এবং রাত আপনি শুদ্ধ শরীরে এবং মনে থাকবেন। থাকবেন উপবাসে। সঙ্কল্প হয়ে গেলে ওম নমঃ শিবায়ঃ বীজমন্ত্রে প্রণাম জানান শিবকে। তাঁর আশীর্বাদ কামনা করুন। যাতে আপনার সঙ্কল্প রক্ষা হয়।

৪. অনেকে আজকাল দুপুরের মধ্যেই শিবপুজো সেরে নেন। কিন্তু যখন বলছি মহাশিবরাত্রি, তখনই স্পষ্ট- এই পূজার আদর্শ সময় রাত। সারা রাত ধরে চলে মহাশিবরাত্রির ব্রত। তাই সন্ধেবেলাতেও একবার স্নান করে শুদ্ধ হয়ে পুজোর জোগাড় করুন। হাতের কাছে গুছিয়ে রাখুন জল, দুধ, দই, ঘি, মধু, ফুল, বেলপাতা, গোলাপ জল, চন্দন বাটা, কুঙ্কুম বা সিঁদুর, ধূপ, ঘিয়ের প্রদীপ, পাঁচটি ফল, মিষ্টি।

৫. মহাশিবরাত্রির পূজার প্রথম ধাপ অভিষেক। অর্থাৎ, লিঙ্গকে স্নান করানো। প্রথম প্রহরে ‘ হ্রীং ঈশাণায় নমঃ’ মন্ত্রে দুধ দিয়ে, দ্বিতীয় প্রহরে ‘ হ্রীং অঘোরায় নমঃ’ মন্ত্রে দই দিয়ে, তৃতীয় প্রহরে ‘ হ্রীং বামদেবায় নমঃ’ মন্ত্রে ঘি দিয়ে এবং চতুর্থ প্রহরে ‘ হ্রীং সদ্যোজাতায় নমঃ’ মন্ত্রে মধু দিয়ে স্নান করিয়ে পুজো করতে হয়। এই সময় প্রার্থনা করা হয়‚ হে শিব, তোমাকে নমস্কার। তুমি সৌভাগ্য, আরোগ্য, বিদ্যা, অর্থ, স্বর্গ, অপবর্গ দিয়ে থাকো। তাই এগুলো তোমার কাছে প্রার্থনা করছি। হে গৌরীপতি, তুমি আমাদের ধর্ম, জ্ঞান, সৌভাগ্য, কাম, সন্তান, আয়ু ও অপবর্গ দাও।

৬. অভিষেকের পরে বেলপাতার মালা শিবলিঙ্গে দেওয়া নিয়ম। তার পর, ফুলে সাজিয়ে দিন শিবলিঙ্গ। ফুল এবং মালা দেওয়ার সময়ে উচ্চারণ করুন ওম নমঃ শিবায়ঃ।

৭. তার পরে চন্দন বাটার প্রলেপ দিন শিবলিঙ্গে। চন্দনের পরে সিঁদুর দিন।

৮. এর পর ধূপ এবং ঘিয়ের প্রদীপ নিয়ে ওম নমঃ শিবায়ঃ মন্ত্রে আরতি করুন।

৯. আরতির পর ফল এবং মিষ্টি নিবেদন করুন শিবকে।

১০. সবার শেষে সম্ভব হলে পাঠ করুন শিবের অষ্টোত্তর শতনাম।

১১. প্রত্যেক প্রহরেই এভাবে পুজো করুন শিবকে। উপবাস ভঙ্গ করুন পরের দিনে।

১২. খেয়াল রাখবেন, মহাশিবরাত্রির পরের দিন সূর্যোদয়ের আগেই স্নান করে, চতুর্দশী তিথি থাকতে থাকতে উপবাস ভঙ্গ করতে হয়।


প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71