রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
চাঙ্গা হয়েছে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প
প্রকাশ: ০৫:৩৪ pm ২৮-০৪-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:৩৪ pm ২৮-০৪-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে মওসুমের শেষ সুযোগই এনে দিয়েছে ৯ দিনের একটানা ছুটি। তাই এই ছুটি উপভোগ করতে পর্যটকের স্রোত এখন কক্সবাজার অভিমুখে। সমুদ্রের বিশাল বালিয়াড়ি থেকে শুরু করে মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে টেকনাফ পর্যন্ত সবখানেই পর্যটকমুখর পরিবেশ। 

বিশেষ করে শুক্রবার পর্যটকের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। একটানা ছুটির কারণে কক্সবাজারের হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে ঠাঁই নেই অবস্থা। তারকা হোটেল থেকে শুরু করে সাধারণ হোটেল-মোটেলেও কক্ষ খালি নেই। বিশেষ করে শুক্রবার শনিবার ফুল বুকড থাকছে। 

মারমেডের মহাব্যবস্থাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, তাদের রিসোর্ট এখন প্রায় পূর্ণ। এ ছাড়া অন্য সময়েও তাদের হোটেল ভরপুর থাকে দেশী-বিদেশী পর্যটকে। শহর থেকে একটু দূরে একেবারে প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে ওঠা মারমেড ইকো রিসোর্টের নিজস্ব অনলাইন মার্কেটিংয়ের কারণে সারা বছরই বিদেশী পর্যটক থাকেন তাদের হোটেলে। এ দিকে পর্যটন করপোরেশন বিদেশী পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য বারবার পর্যটনবর্ষ ঘোষণার পরও তেমন সফলতা পাননি, কিন্তু ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে রোহিঙ্গা আগমনের পর থেকে কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক বিদেশী হোটেল-মোটেলে অবস্থান করে কাজ করছেন। 

কক্সবাজার হোটেল, মোটেল ও গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার জানান, প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিদেশী পর্যটক ঘুরেফিরে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। এ কারণে বিদেশী পর্যটনও (ওভারসিজ ট্যুরিজম) এখন বেশ চাঙ্গা। আবাসিক হোটেলের পাশাপাশি রেস্টুরেন্ট ও বিভিন্ন খাবার দোকানেও বেচাবিক্রি খুবই ভালো। বার্মিজ শপিং সেন্টারগুলোতেও চলছে রমরমা বাণিজ্য।

পর্যটকেরা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ঘুরে মেরিন ড্রাইভ হয়ে যাচ্ছেন টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে। এপ্রিল মাসে পর্যটকেরা সেন্টমর্টিন দ্বীপ ভ্রমণ কম করলেও টানা ৯ দিনের ছুটিতে শত শত পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণও সেরে নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কেয়ারি টুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের এজিএম শফি মোহাম্মদ আবু নোমান। তিনি জানান, বর্তমানে পর্যটনের অফ সিজন। ৯ দিনের ছুটিতে অনেক পর্যটক যাচ্ছেন সেন্টমার্টিনে। তাই প্রতিদিনই তাদের জাহাজ কেয়ারি সিন্দবাদ চলাচল করবে টেকনাফ সেন্টমার্টিন রুটে এবং তা অব্যাহত থাকবে ১৪ মে পর্যন্ত।

অপর দিকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক ও লাখ লাখ রোহিঙ্গার কক্সবাজারে অবস্থানের ফলে নিত্যপণ্যের মূল্য বেড়ে গেছে কয়েক গুণ।
মাছ-গোশত থেকে শুরু করে প্রায় সব পণ্যই এখন স্থানীয়দের ক্রয়সীমার বাইরে। সব যাচ্ছে হোটেল-রেস্টুরেন্টে। দাম যতই হোক রেস্টুরেন্ট মালিকরাই কিনে নিচ্ছেন চোখ বন্ধ করে। এর ফলে শহরের স্থানীয় মানুষ ভীষণ কষ্টের মধ্যে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন। 

বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71