মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ৪ঠা পৌষ ১৪২৫
 
 
চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার নান্টুর খুনে জড়িত এমপি ইউনুসের পিএস
প্রকাশ: ০৩:০৯ pm ২৪-০৯-২০১৮ হালনাগাদ: ০৩:০৯ pm ২৪-০৯-২০১৮
 
বরিশাল প্রতিনিধি
 
 
 
 


উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা বিশ্বজিৎ হালদার নান্টুকে (৪৫) হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরী হয়েছে গোটা বরিশালে। ওদিকে চেয়ারম্যানের সহযোগী নিহার হালদারকেও আশঙ্কাজনকভাবে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাত ১২টার দিকে নিয়ে আসা হয়েছে।

বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু কারফা এলাকার শুকলাল হালদারের ছেলে ও জল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

আর বিশ্বজিৎ হত্যার ঘটনায় স্খানীয় সংসদ সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তালুকদার মো: ইউনুসের নাম উঠে এসেছে।

তবে বিশ্বজিতের লাশ শেবাচিমে নিয়ে আসলে সংসদ সদস্য তালুকদার মো: ইউনুস সেখানে ছুটে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানয়িছেন, তালুকদার মো: ইউনুসের সাথে প্রকাশ্য বিতন্ডায় জড়িয়ে পরেছিলেন উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল।

এছাড়াও ইকবাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. তালুকদার মো. ইউনুসের পিএস এই ঘটনার সাথে জড়িত।

তবে এই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুস।

জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তিনি মেডিক্যালে এসেছেন। বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু’র শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৫টি গুলির চিহ্ন রয়েছে। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন। দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার করতে পুরো এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্রেউপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল ও সংসদ সদস্য তালুকদার মো: ইউনুসের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। নিহত বিশ্বজিৎ উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবালের অনুসারী ছিলেন।

নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের কারফা বাজারে বিশ্বজিৎকে গুলি করার ঘটনা ঘটে।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাত ১০টার দিকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ঘটনার বর্নায় জানা গেছে, বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু কারফা বাজারে তার কাপড়ের দোকানে ছিল। রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি মোটরসাইকেল দোকানের সামনে থামে। মোটরসাইকেলে ৩ আরোহী হেলমেট পরিহিত ছিল। এরপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই হেলমেট পরিহিত একজন তাকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। গুলি লেগে বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর দুর্বত্তরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরপরই চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার নান্টুকে উদ্ধার করে প্রথমে আগৈলঝাড়ার গৈলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে আসা হয়।

কিন্তু তার আগেই বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু মারা যান বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন। তিনি জানান, রাত সোয়া ১০টার দিকে বিশ্বজিৎ হালদার নান্টুকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

সূএ: বরিশাল ট্রিবিউন

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71