শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯
শুক্রবার, ৬ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
চৈত্রের রোদ-বৃষ্টির খেলায় দিশেহারা মৃৎশিল্পীরা
প্রকাশ: ০৫:৫৪ pm ১৩-০৪-২০১৭ হালনাগাদ: ০৫:৫৪ pm ১৩-০৪-২০১৭
 
 
 


ময়মনসিংহ:: পহেলা বৈশাখ আসতে আর একদিন বাকী। নাওয়া-খাওয়ার সময় নেই পাল পাড়ায়। চৈত্রের রোদ-বৃষ্টির খেলায় দিশেহারা মৃিশল্পীরা। ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় প্রতিটি পাল পাড়ার পাকপোড়ানোর চুলোয় জ্বলছে আগুন। মাটি পোড়ার গন্ধে গেছে পুরো এলাকা।

 

উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বেরিবাড়ি গ্রাম পরিচিত পালপাড়া হিসেবে। এই গ্রামে প্রায় ৮০টি পরিবার রয়েছে। পৈত্রিক ভিটেমাটিতে বাপ-দাদার পেশাকে আঁকড়ে ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন তারা। অনেকে আবার এ পেশা ছেড়ে দিয়েছেন অনেক আগেই। যে কয়েকজন আছেন চৈত্র মাস আসলেই বৈশাখকে সামনে রেখে চলে তাদের কর্মযজ্ঞ।

 

ওই গ্রামের স্বপন কুমার পাল বলেন, পাল পাড়ার ৮০টি পরিবার বৈশাখ উপলক্ষে নিপুণ হাতে তৈরি করেন নানা রঙের বাহারি মাটির জিনিস। প্রতিটি পরিবার ৩০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবেন বৈশাখে। বছরের মধ্যে বৈশাখ মাসেই তাদের তৈরি মাটির জিনিস সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।

 

ওই গ্রামের নিয়তি রানী পাল বলেন, এখন মাটি, লাকরি, কোরা (ধানের চিটা) রংসহ সবকিছুই কিনতে হয়। এক কাঠা জমির সর্বোচ্চ ৮ ইঞ্চি পরিমাণ গভীর করে মাটি কেটে আনতে জমির মালিককে দিতে হয় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। এক কাঠা জমির মাটি দিয়ে তৈরি জিনিসপত্রের জন্য রং কিনতে হয় ৫ হাজার টাকার। এক সময় কিছুই কিনতে হতো না। সবকিছু মিলে এখন আগের মতো লাভ হয় না। আর এখন ধাতব তৈজসপত্রসহ প্লাস্টিক জিনিস বাজারে সহজলভ্য হওয়ায় মাটির তৈরি জিনিসপত্রের চাহিদা কমে গেছে। যে কারণে বাপ-দাদার এ পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন অনেকেই।

 

অঞ্জলী রানী পাল বলেন, আগের চেয়ে জিনিসপত্র কম বিক্রি হলেও বাজারমূল্য পাওয়া যায় বেশি। তিনি বলেন, মেলা উপলক্ষে হাতি ঘোড়া, বাঘ, হরিণ, পুতুলসহ বিভিন্ন খেলনা জাতীয় জিনিস তৈরি করছি। বৈশাখ মাস জুড়ে দেশের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জের মেলায় বিক্রি করা হবে এগুলো। এক মাস মেলায় ঠিকমতো বেচাকেনা করতে পারলে খরচ বাদে ৫০ হাজার টাকার মতো লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চৈত্র মাসে রোদ-বৃষ্টির কারণে অনেক কাজ পিছিয়ে পড়েছে।

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71