শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ৬ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
ছয় বছরের শিশু মাদক মামলার আসামি!
প্রকাশ: ০৪:৫৩ pm ০৯-০৬-২০১৮ হালনাগাদ: ০৪:৫৩ pm ০৯-০৬-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতিতে পাঁচ বছর আট মাসের শিশু (বর্তমানে আট বছর) খাইরুল আমিনকে করা হয়েছে মাদক মামলার আসামি। 

পুলিশের হাতে ধরা পড়া সরোয়ার আলম নামের এক মাদক কারবারি তার নাম গোপন করে পুলিশকে বলে আপন চাচাতো ভাই শিশু খাইরুল আমিনসহ তার বাবার নাম।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই না করেই অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেন আদালতে। এরই মধ্যে মূল আসামি সরোয়ার আলম জামিনে বেরিয়ে যায় জেল থেকে। তার স্থলে অভিযোগপত্রে নাম আসে আপন চাচাতো ভাই শিশু খাইরুলের। মাদরাসায় পড়ুয়া শিশু খাইরুলই বর্তমানে মাদকের মামলার আসামি হয়ে হাজিরা দিচ্ছে আদালতে। খাইরুলের বাবা শামশুল আলমের অভিযোগ, তদন্ত কর্মকর্তা পলাতক আসামি সরোয়ারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে তাঁর শিশুপুত্রকে আসামি বানিয়েছে।

এদিকে ওই তদন্ত কর্মকর্তা মহেশখালী থানার উপপরিদর্শক বিকাশ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে আদালত নির্দেশ দিলেও তিনি বহাল তবিয়তেই আছেন। আদালতের এমন নির্দেশনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না কক্সবাজারের পুলিশ সুপার।

২০১৪ সালের ৯ আগস্ট রাতে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম খোন্দকারপাড়া জামে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় মহেশখালী থানা পুলিশ অভিযান চালায়। ওই অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৮০ লিটার চোলাই মদ। আটক করা হয় ছয় মাদক কারবারিকে।

আটক ওই ছয় মাদক কারবারির সঙ্গে শিশু খাইরুল আমিন না থাকলেও মাদকের মামলায় শিশুটির নাম আসামি হিসেবে রেকর্ড করা হয়। পরে মামলার অভিযোগপত্রেও যুক্ত করা হয় শিশুটির নাম। তারপর চার বছর শিশুটি থানা আদালতে হাজিরা দিচ্ছে মাদক মামলার আসামি হিসেবে। 

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার কৃষক পিতা শামশুল আলমের হাত ধরে মহেশখালী থেকে কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে আসে কিশোর খাইরুল আমিন। সূত্র: কালের কণ্ঠ

বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71