বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
জাতীয় নির্বাচন ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা
প্রকাশ: ০৫:৪০ pm ০৪-০৬-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:৪০ pm ০৪-০৬-২০১৮
 
আহমদ রফিক
 
 
 
 


ইতিপূর্বে একটি নিবন্ধে লিখেছিলাম, '২০১৮ নির্বাচনের বছর'- তৃণমূল স্তরে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশন এবং সবশেষে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবই হচ্ছে ও হতে যাচ্ছে এই ২০১৮ সালে। তাই সংবাদপত্র মহলে আলোচনা এবং দৈনিক পাতাগুলোতে খবর ও প্রতিবেদন দুই-ই যথেষ্ট পরিমাণে নির্বাচন নিয়ে। এমনকি একই আলোচনা বৈঠকখানা ঘরেও।

আলোচনা গুরুত্ব পেয়েছে খুলনা নির্বাচনকে ঘিরে। এ নির্বাচনে সংঘটিত কিছু সহিংসতা, দলীয় জবরদস্তি ও নির্বাচন কমিশনের নীরবতা ও পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যার প্রকাশ দৈনিকের পাতায়। এর অন্তত একটি উদাহরণ প্রকাশ পেয়েছে 'নির্বাচন কমিশন এটি কী করল' শিরোনামে। অন্য একটি নিবন্ধে নির্বাচনী অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেশী দেশের উচ্চ আদালতের ইতিবাচক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা। 

স্বভাবতই প্রশ্ন উঠতে পারে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে আমাদের উচ্চ আদালত নীরব কেন! বিশেষ করে এ কারণে যে, ইতিপূর্বে স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে একাধিক সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের উচ্চ আদালতের প্রশংসনীয় ভূমিকা নিতে দেখেছি। এমনকি ক'দিন আগে নারী ধর্ষণের আলামত নিয়েও তাদের নির্দেশনামা অসাধারণই বলতে হয়। 

আমাদের প্রত্যাশা, গোটা দেশ যেখানে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও পক্ষপাতহীন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের অপেক্ষায় রয়েছে, সে ক্ষেত্রে খুলনা নির্বাচন যেন আদর্শ নির্বাচন হিসেবে ভবিষ্যতে নির্বাচনের জন্য বিবেচিত না হয় এবং উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যেন কিছু ভাবেন ও করণীয় থাকলে যেন করেন। এ প্রত্যাশার কারণ ইতিপূর্বে জাতীয় পরিসরে বা সামাজিক ক্ষেত্রে তারা অনেক সময় পরিত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।

নির্বাচনী বছরে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশায় বলাই বাহুল্য, প্রধান কারিগর নির্বাচন কমিশন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সরকার, যাদের অধীনেই নির্বাচন হোক- সুষ্ঠু-আদর্শ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পুরো দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। স্বাধীন, নিরপেক্ষ, শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন যে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে, তার প্রমাণ ইতিপূর্বে দেখা গেছে। দেখা গেছে একাধিক নির্বাচনে। সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা তার সহযোগীদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতামত বা বিশ্বাস নির্বাচনে প্রভাব ফেলেনি। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন বলতে এমনটিই বোঝায়। উদাহরণস্বরূপ এটিএম শামসুল হুদা কমিশনের কথা অনেকেই উল্লেখ করে থাকেন এবং অনুরূপ আরও এক-আধটি কমিশনের কথা।

দুই.

আলোচনার এ পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন ও উচ্চ আদালত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও বিভাগ নিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের অনেক প্রত্যাশা। কারণ তারাই পারেন আগামী নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও আদর্শ নির্বাচনের চরিত্রদান করতে। তবে এবার এখানে আমাদের মূল আলোচ্য অন্য একটি বিষয়, যা জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ সন্দেহ নেই। আর তা হলো নির্বাচনে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার বিষয়টি। ইতিপূর্বে একাধিক ক্ষেত্রে এ বিষয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা যেমন বেদনার, তেমনি জাতি হিসেবে লজ্জাজনকও বটে। আমরা কি ভুলতে পেরেছি নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে সংঘটিত বীভৎস মাগুরা ঘটনার কথা এবং অনুরূপ একাধিক ঘটনার কথা?

এর পরিপ্রেক্ষিত সামাজিক-রাজনৈতিক সেই  সূত্রে জাতীয় পর্যায়েরও বটে। এ ঘটনার বিচার-ব্যাখ্যায় স্বভাবতই উৎস সন্ধানে যেতে হয় প্রাক-একাত্তর ও একাত্তর পর্বের রাজনীতির ক্ষেত্রে। তখনকার জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম ছিল রাজনৈতিক বিচারে সুস্থ, সেক্যুলার চরিত্রের, ঘোষিত গণতান্ত্রিকতার। আদর্শের বিবেচনায় আমরা তখন আত্মতৃপ্তিতে ভুগেছি। 

ভাবিনি এমন রাজনৈতিক সত্য যে, সংগ্রামকাল ও পরবর্তীকালের রাজনৈতিক চরিত্রে অনেক ফারাক। সর্বক্ষেত্রে না হলেও অনেক ক্ষেত্রে এটা সত্য এবং তা বিশ্বপরিসরে। আফ্রিকা-এশিয়াসহ একাধিক দেশের রক্তাক্ত মুক্তিসংগ্রাম এমন প্রমাণই রেখেছে। তাই আত্মতাগী মুক্তিসংগ্রামী নেতাকে দেখা গেছে আত্মপরতা ও একনায়কত্বে পূর্ব আদর্শ বিসর্জন দিতে। কেনিয়ায় মাও মাও বিদ্রোহের স্বনামখ্যাত নেতা জম্মু কেনিয়াট্টার পরিণাম বহু উদাহরণের একটি। বাংলাদেশই-বা বিশ্বধারার গণতন্ত্রী সংগ্রাম থেকে ভিন্ন হবে কেন?

তাই বহুজন ও একাধিক শ্রেণি সংশ্নিষ্ট একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ শেষে স্বাধীন বাংলাদেশে একটি সেক্যুলার গণতন্ত্রী সংবিধান প্রণয়ন করেও বাংলাদেশি শাসনব্যবস্থা তা ধরে রাখতে পারেনি। তাই সমাজ দূষিত হয়েছে স্বার্থপরতার পথ ধরে সাম্প্রদায়িকতার চরিত্র অর্জনে। অন্যদিককার দূষণের কথা বাদ দিয়ে বর্তমান আলোচনার প্রেক্ষাপটে সাম্প্রদায়িকতার পুনরাবির্ভাবের কথাই বলি।

আর এই ধারায় স্বাধীন দেশে যতটা বলি দেওয়া হয়েছে গণতন্ত্রকে, তার চেয়েছে অনেক বেশি বলিদান অসাম্প্রদায়িকতা তথা সেক্যুলারিজমের আদর্শকে। এমনকি দুই শাসক-জেনারেলের কল্যাণে একদিকে ধর্মনিরপেক্ষতা খারিজ সংবিধান থেকে, অন্যদিকে সংবিধানের মাথায় চেপে বসেছে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। ৯০ শতাংশের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে এ পরিবর্তনের পেছনে কি কোনো যুক্তি আছে?

নেই। পুরোটাই ধর্মীয় রক্ষণশীলতার রাজনৈতিক পরিণাম। এর প্রভাব পড়েছে সমাজে। আর পূর্বঐতিহ্য হয়ে উঠেছে শক্তিমান। তাই অবাধে চলেছে দুর্বল সংখ্যালঘুর জমি-বাড়ি-সম্পদ দখল; অবশেষে তাকে পুরুষানুক্রমের বাস্তুভিটা থেকে বিতাড়ন। তাই ৩০ শতাংশ জনসংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমে এখন ৮-৯ শতাংশে এসেছে। আর হামলার শিকার প্রধানত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দরিদ্র দুর্বল অংশ।

সামরিক বা স্বেচ্ছাচারী শাসন পার হয়ে ১৯৯১ থেকে এ পর্যন্ত সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নিবাচিত শাসকশ্রেণি (দল নির্বিশেষে) কী জবাব দেবেন এ সহিংসতার? যেমন প্রশাসন, তেমন সমাজ- কারও জবাবদিহির মতো মুখ নেই। নেই কিছুদিন আগেও সংঘটিত একাধিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কারণে। সাম্প্রতিক ঘটনা ব্রাক্ষণবাড়িয়া, নাসিরনগর, গোবিন্দগঞ্জ প্রভৃতি এলাকায় সংঘটিত সহিংসতার। 

এমনকি জবাব মিলবে না রামু, উখিয়া, কক্সবাজারে বৌদ্ধ ও হিন্দুপল্লীতে হামলায় ত্রিদলীয় সংশ্নিষ্টতার। এগুলোর শাস্তি বিধান কি হয়েছে? ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন হয়তো কোথাও কোথাও হয়েছে; কিন্তু অপরাধীর বিচার ও শাস্তি কতটা হয়েছে? কী অপরাধ ছিল অভয়নগরের অতি গরিব মালোপড়ার অসহায় মানুষদের? তাদের বাস্তুভিটা দখলই ওই হামলার কারণ। সমাজের প্রভাবশালীর এই অনাচারের যথোচিত শাস্তি না হওয়ার কারণে এ প্রবণতা সমাজে বেড়ে চলেছে এবং আদর্শবাদীরা অতীব সংখ্যালঘু ও শক্তিহীন। 

তিন.

সমাজে সাম্প্রদায়িক চেতনার এ পরিস্থিতির প্রভাব দেখা গেছে নব্বইয়ের দশক থেকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে; এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী পর্যায়ে। দলনির্বিশেষে দুর্বৃত্তদের এ তৎপরতা 'প্রতিকারহীন পরাভবে' চিহ্নিত। তাই নির্বাচন এলেই তাদের প্রতি হুমকি, নির্বাচন শেষে কখনও কখনও হামলা, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর, বিশেষ করে তরুণীদের ওপর যৌন নির্যাতন।

এ উপলক্ষে বিশেষ কয়েকটি ঘটনা সংবাদপত্রে প্রাধান্য পেয়েছে। বহু সমালোচিত সেসব বীভৎস ঘটনার  কি যথাযথ বিচার হয়েছে? সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী দলবিশেষের ভোটব্যাংক- এ অভিযোগ কি যুক্তিসঙ্গত? 'আমার ভোট যাকে খুশি তাকে দেব'- এটাই তো গণতন্ত্রের রীতিনীতি। তাহলে ভোট না পেলে কেন হামলা হবে সংখ্যালঘুদের ওপর?

আরও একটি বিষয় বিচার্য। যে দল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট পায়, তারাও কি তাদের নিরাপত্তা বিধান সর্বদা নিশ্চিত করে থাকে! তাহলে কীভাবে ঘটে নাসিরনগর-অভয়নগরের হামলা? আসলে দুর্নীতিগ্রস্ত দূষিত সমাজ ও রাজনীতি এখন মানবিক মূল্যবোধ ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত। তাই এসব অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটছে। প্রতিরোধ ও প্রতিকারে উদাসীনতাই প্রবল।

স্বভাবতই জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে এলেই ভয়ে-আতঙ্কে ভুগতে থাকে সংখ্যালঘু সমাজের দুর্বল অংশ; ব্যতিক্রম সামান্য সংখ্যক এলিট শ্রেণি, বিত্তবান শ্রেণি। তাই জাতীয় নির্বাচন কিছুটা দূরে রেখেই সম্প্রতি হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের আলোচনায় উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার প্রকাশ ঘটেছে। এ ভয়ভীতি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা মোটেই ভিত্তিহীন নয়। বরং সময়োচিত বাস্তব ঘটনা।

সঙ্গত কারণে তাদের আহ্বান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন সতর্ক ও তৎপর থাকে, যাতে নির্বাচন উপলক্ষে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, কোনো প্রকার অবাঞ্ছিত, সহিংসতা বা হামলা না ঘটতে পারে। তাদের শঙ্কা-ভয়ের কারণ, কিছুকাল আগে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা, যা তাদের সমর্থনপুষ্ট সরকার ক্ষমতাসীন থাকার পরও ঘটতে পেরেছে।

আমাদের বিশ্বাস, সমাজটা যেহেতু এখনও পুরোপুরি অসাম্প্রদায়িক নয়, সমাজে দুর্বৃত্তের অনেক প্রভাব; প্রভাব ধর্মীয় জঙ্গিবাদের। সে কারণে শাসক পক্ষে সতর্কতা, সাবধানতা, নিরপেক্ষ তৎপরতার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। তার চেয়েও বড় বিষয়, শর্ষের মধ্যে যেন ভূতের আশ্রয় না থাকে।

আরও একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওই পরিষদের সঠিক আহ্বান, যাতে গণতন্ত্রী ও অসাম্প্রদায়িক দলগুলো থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো সম্প্রদায়বাদী ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া না হয়। এ দাবি অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত এবং তা শুদ্ধ জাতীয়তাবাদী ও মানবতাবাদী চেতনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তাই মনোনয়নে এ রাজনৈতিক আদর্শের যেন প্রতিফলন ঘটে- এমনটি আমাদের প্রত্যাশা।

সেইসঙ্গে আমাদের একটি ভিন্ন দাবি পূর্বোক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি, তারা যেন কোনো সন্ত্রাসীকে বা ধর্মীয় মৌলবাদীকে কোনো যুক্তিতেই সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন না দেয়। কারণ, সম্প্রতি রাজনৈতিক অঙ্গনে মুখোশধারীদের সংখ্যা খুবই বেড়ে গেছে। সম্প্রদায়বাদীকে দেখা যাচ্ছে গণতন্ত্রী বা জাতীয়তাবাদী সাজতে। অর্থশক্তি এর পেছনে কাজ করছে। এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন খুবই জরুরি।

জরুরি আরও এ কারণে যে, স্বাধীন বাংলাদেশি সমাজ অসাম্প্রদায়িক আদর্শ পুরোপুরি ধরে রাখতে পারেনি। লোভ-লালসা, স্বার্থপরতা তার আদর্শগত বিচ্যুতি ঘটিয়েছে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সদাচার অপরিহার্য। এ প্রসঙ্গে পূর্বকথার জের ধরে বলি, নির্বাচন কমিশন যেন তার দায়িত্ব ও শক্তি যথাযথভাবে ব্যবহার করে। নিরপেক্ষতা যেন তার প্রধান অগ্রাধিকার হয়। আর উচ্চ আদালত যেন তার সতর্ক দৃষ্টি রাখেন ঘটনার ওপর। ন্যায়নীতিকে বজায় রাখতে তারা যেন যথারীতি তাদের পরিত্রাতার ভূমিকাটি এ ক্ষেত্রে পালন করেন।

ন্যায়ের পক্ষে, নীতির পক্ষে, সত্যাদর্শের পক্ষে এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে পূর্ব উচ্চারিত (১৯৬৪) 'রুখে দাঁড়ানো'র আহ্বানটি যেন আমরা ভুলে না যাই।

ভাষাসংগ্রামী, কবি, প্রাবন্ধিক, রবীন্দ্র গবেষক

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71