রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯
রবিবার, ৬ই শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীতের অবমাননা শাস্তিযোগ্য অপরাধ
প্রকাশ: ০৯:৪৭ pm ২৫-০৭-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৪৭ pm ২৫-০৭-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


অনলাইনে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হলে তা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ডিজিটাল নিরাপত্তা বিলে এ সংক্রান্ত নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

এর আগের বৈঠকে এই বিলের বিতর্কিত ৩২ ধারা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আগামী বৈঠকে বিলটির সুপারিশ চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ-এর সভাপতিত্বে বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইন বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, কমিটির সদস্য হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়াসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি নিয়ে চলমান বিতর্ক ও গণমাধ্যমকর্মীদের মতামত আমলে নিয়ে তারা বিলের পূর্ণাঙ্গ শিরোনাম, প্রস্তাবনাসহ বেশকিছু ধারা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকার অবমাননাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে এ সংক্রান্ত ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিশিষ্টজনদের অনেক প্রস্তাবই গ্রহণ করা হয়েছে। বিলটি গ্রহণযোগ্য করতে আরো যাচাই-বাছাই হবে। আগামী বৈঠকে বিলের সুপারিশ চূড়ান্ত এবং আগামী অধিবেশনে তা পাস করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গত ২৯ জানুয়ারি ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এরপর থেকে প্রস্তাবিত আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও মানবাধিকারকর্মীরা।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, দেশে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন ও ইউনিয়ন আইনটির কঠোর ও বিতর্কিত কিছু ধারা বাদ দেয়ার দাবি তোলে। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের বিশিষ্টজনদের নিয়ে দু’দফা বৈঠক করে সংসদীয় কমিটি।

২০০৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম আইসিটি আইন করা হয়। পরে ২০০৯ ও ২০১৩ সালে শাস্তি বাড়িয়ে এটিকে আরও কঠোর করা হয়। এই আইনের ৫৭ ধারায় সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ হয়রানির শিকার হন। ফলে আইনটি বাতিলের দাবিও ওঠে।

বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71