সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৯ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
জামালপুরে বন্যা, অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি
প্রকাশ: ০৫:৩৯ pm ১০-০৭-২০১৭ হালনাগাদ: ১১:৩৭ am ১৮-০৭-২০১৭
 
ওসমান, জামালপুর প্রতিনিধি 
 
 
 
 


জামালপুরে যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যার সার্বিক পরিস্থিতি অপরিবির্তিত রয়েছে।

জেলার অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বন্যার পানি উঠায় বন্ধ হয়ে গেছে ২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ পাঠক আব্দুল মান্নান সোমবার সকালে জানিয়েছেন, জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে ১সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে যমুনায় পানি বৃদ্ধির গতি কমে যাওয়ায় শীঘ্রই বন্যার পানি হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা যায়, বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার ৫টি উপজেলার আরো ৮টি ইউনিয়ন নতুন করে প্লাাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যেই জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ি, মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জেলার ২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার বাড়ি-ঘর ও রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে পানিবন্দি মানুষ।

ইসলামপুরের চিনাডুলি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম জানান, চিনাডুলি ইউনিয়নের পশ্চিম বামনা, দেওয়ানপাড়া, শিংভাঙ্গা, পশ্চিম বলিয়াদহ ও দক্ষিণ চিনাডুলিসহ ১০টি গ্রামের অধিকাংশ বাড়িঘরে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। ওইসব এলাকার প্রায় ৫হাজার পানিবন্দি মানুষের ঘরে ঘরে রান্না করা খাবার সংকট চলছে। 

দেওয়ানগঞ্জের চুকাইবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মো: সেলিম খান জানান, চুকাইবাড়ি ইউনিয়নের হলকা হাওড়াবাড়ী, টিনের চর, হলকারচার, ডাকাতিয়া পাড়া, কেনলাকাটা, বালুগ্রাম, গুজিমারী, চতলাই পাড়া, ও চুকাইবাড়ী মধ্যপাড়া গ্রাম সমূহের প্রায় ৭ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। 

মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউপি চেয়য়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জানান, মাহমুদপুর ইউনিয়নের চারাইলদার, খাসিমারা, পুঠিয়াপাড়া, রুকনাইপাড়া, পয়লা, বানিয়াবাড়ী, চরমাহমুদপুর, কাজাইকাটা ও পোড়ারচর গ্রাম সমুহের প্রায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ওইসব এলাকার বীজতলা, পাটক্ষেত ও সবজির বাগান পানির নিচে ডুবে গেছে।

সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন জয় জানান, পিংনা ইউনিয়নের ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। এসব এলাকার রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং এখানে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট চলছে।

জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: রাসেল সাবরিন জানান, জেলার ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য ১০ মেট্রিকটন করে চাল ও নগদ ১০ হাজার টাকা করে বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ইসলামপুরের বন্যা দুর্গতদের জন্য ৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71