মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ১০ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
জয়কে অপহরণে চক্রান্তের প্রতিবেদন ১৬ বারেও জমা হয়নি 
প্রকাশ: ০৮:৩০ am ০২-১১-২০১৭ হালনাগাদ: ০৮:৩০ am ০২-১১-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


দুই বছর আগের এই মামলায় ১৬ বার সময় নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার হাসান আরাফাত। 

গত ৩ অক্টোবর এই পুলিশ কর্মকর্তা ষষ্ঠদশ বার সময় নিয়েছিলেন। তখন আদালত ১ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেয় তাকে।

ধার্য দিন বুধবার মামলাটি আদালতে উঠলে আবার সময় চান তদন্ত কর্মকর্তা আরাফাত। তার আবেদন গ্রহণ করে ঢাকার মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবারও তাকে সময় দিয়েছেন।

ওই আদালত সংশ্লিষ্ট পুলিশের এসআই জালাল আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জিজ্ঞাসায় বলেন, “কেন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারছেন না, সে কারণ আদালতের সামনে ব্যাখ্যা করেননি তদন্ত কর্মকর্তা। বিচারকও তাকে কারণ দর্শাতে বলেননি।”
তারিখের পর তারিখ পার হলেও দেখা নেই প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র মামলার প্রতিবেদনের।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জয়কে অপহরণের এই মামলায় সম্পাদক শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল গোয়েন্দা পুলিশ।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর বছর গড়িয়ে গেলেও তদন্তের কোনো অগ্রগতি জানাতে পারেনি পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী জয়ের ব্যক্তিগত তথ্য পেতে ওই দেশে থাকা এক বিএনপি নেতার ছেলে রিজভী আহমেদ সিজার এফবিআইর এক কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়েছিলেন বলে দেশটির আদালতে প্রমাণিত হওয়ার পর বাংলাদেশে এই মামলাটি করে গোয়েন্দা পুলিশ। ২০১৫ সালের ৩ অগাস্ট করা এই মামলার বাদী হন ডিবির পরিদর্শক ফজলুর রহমান।

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নথিতে দেখা যায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ছেলের ক্ষতি করার জন্য তার ব্যক্তিগত তথ্য পেতে আসামি এফবিআইয়ের এক এজেন্টকে ঘুষ দিয়েছিলেন। 


ঘুষ দিয়ে তথ্য পাওয়ার পর সিজার তা বাংলাদেশি এক সাংবাদিককে সরবরাহ করেছিলেন এবং বিনিময়ে প্রায় ৩০ হাজার ডলার পেয়েছিলেন বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়।

ডিবির করা মামলায় সিজারের বাবা প্রবাসী বিএনপি নেতা মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ দলটির শীর্ষনেতাদের আসামি করা হয়। শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, জয়ের বিষয়ে চক্রান্তকারীদের সঙ্গে শফিক রেহমানসহ ‘দুই-তিনজনের যোগাযোগ ছিল’।

শফিক রেহমান (গ্রেপ্তারের পর) শফিক রেহমান (গ্রেপ্তারের পর) মাহমুদুর রহমান (গ্রেপ্তারের পর) মাহমুদুর রহমান (গ্রেপ্তারের পর)
এরপর মাহমুদুর রহমানকেও এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলার অভিযোগ করা হয়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের আগে বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের সহ-সভাপতি মামুনসহ বিএনপি ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত অন্যান্য দলের উচ্চপর্যায়ের নেতারা রাজধানীর পল্টনের জাসাস কার্যালয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার একত্রিত হয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়কে আমেরিকায় অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলেন।

প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71