শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ২রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
ঝালকাঠিতে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ 
প্রকাশ: ০৭:১৮ pm ১৯-০৯-২০১৭ হালনাগাদ: ০৭:২১ pm ১৯-০৯-২০১৭
 
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
 
 
 
 


ঝালকাঠি সদর উপজেলার মানপাশা শেরে বাংলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা চন্দনা হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কারের জন্য বরাদ্ধকৃত অর্থ আত্মসাতের ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী কর্মকর্তা মজনু মোল্লা। 

সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষিকা চন্দনা হাওলাদার কমিটিতে পাশ কাটিয়ে বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কারের ১ লাখ ৬ হাজার টাকা থেকে ৫৪ হাজার টাকা আত্মসাত করায় ম্যানেজিং কমিটি, ছাত্র-অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। ম্যানেজিং কমিটি সদস্য মো. মনিরুজ্জামান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে সদর উপজেলা প্রাথমিক সহকারী কর্মকর্তা মজনু মোল্লাকে অর্থ কেলেংকারির ঘটনার তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয়। মজনু মোল্লা মানপাশা শেরে বাংলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে প্রধান শিক্ষিকা চন্দনা হাওলাদারের বিরুদ্ধে ৫৪ হাজার টাকা আত্মসাত করার প্রমাণ পায়। তদন্ত কমিটি তদন্ত করতে গিয়ে দেখেন যে বিদ্যালয় মেরামত ও সাংস্কারের বরাদ্ধকৃত টাকা থেকে বিদ্যালয়ের অফিস ব্যয় দেখিয়েছেন ৩২ হাজার টকা ও অন্যান্য ব্যয় ২০ হাজার টাকা যা বিধি বর্হিভূত। এ ছাড়াও বিদ্যালয়ের বিদ্যুত বিল, ফ্যান ও ঘড়ি মেরামত বিল বিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে দেয়া হলেও প্রধান শিক্ষিকার নির্দেশে প্রতি ছাত্রের কাছ থেকে ১০ টাকা করে চাঁদা নেয়া হয়। যা ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকরা তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ করেন। 

তদন্ত কমিটি অর্থ আত্মসাতের ঘটনা সত্য মর্মে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবর ঝালকাঠি সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যলয়ে (স্বারক নং ২২৪/৭, তারিখ: ২/৮/২০১৭) লিখিত প্রতিবেদন জমা দেন। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরিশাল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যলয়ের উপ-পরিচালকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠান। বর্তমানে প্রধান শিক্ষিকা চন্দনা হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কারের বরাদ্ধকৃত টাকা থেকে ৫৪ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সিদ্ধান্তের জন্য বরিশাল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এসএম ফারুক হোসেনের কাছে জমা রয়েছে। 

প্রধান শিক্ষিকা চন্দনা হাওলাদার বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত রিপোর্ট উপ-পরিচালকের দপ্তরে জমা রয়েছে। আমি সেখানে গিয়ে যা বলার বলব’। এ ব্যাপারে বরিশাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক এসএম ফারুক হোসেনকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

এমএএ/আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71