সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
টাইটানিকের চিঠি রেকর্ড দামে বিক্রি
প্রকাশ: ০১:০০ pm ২২-১০-২০১৭ হালনাগাদ: ০১:০০ pm ২২-১০-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


মায়ের কাছে লেখা হলভারসনের চিঠিতে টাইটানিক ও এর যাত্রীদের কিছু বর্ণনা ছিল

ব্রিটিশ জাহাজ টাইটানিকে বসে লেখা চিঠিগুলোর মধ্যে সবশেষ চিঠিটি নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে। ১৯১২ সালে জাহাজটি ডুবে যাওয়ার আগে লেখা ওই চিঠিটি ১২৬ হাজার ডলারে বিক্রি হয়।

টাইটানিকের নোটপেপারে লেখা একমাত্র ওই চিঠিটি উত্তর আটলান্টিকের পানিতে ডুবে থাকলেও ভালো অবস্থাতেই ছিল। ব্রিটিশ এক নাগরিকের কাছে এটি বিক্রি করা হয়, ওই ব্যক্তি টেলিফোনে নিলামে অংশ নিয়েছিলেন। নিলামদার অ্যান্ড্রু অ্যালড্রিজ বলছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্রিটিশ ক্রেতা "ইতিহাসের অভিনব সব জিনিস সংগ্রহে রাখেন"।

১৩ এপ্রিল ১৯১২ অর্থাৎ জাহাজটি ডুবে যাওয়ার আগের দিন, টাইটানিকের যাত্রী আমেরিকান ব্যবসায়ী অস্কার হলভারসন ওই চিঠিটি লিখেছিলেন তার মাকে।

হলভারসন ও তার স্ত্রী ম্যারি সাউদাম্পটন থেকে টাইটানিকে উঠেছিলেন, তাদের বাড়ি নিউইয়র্কে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তাদের।

অস্কার হলভারসন ছিলেন একজন সফল আমেরিকান ব্যবসায় । মায়ের কাছে লেখা হলভারসনের চিঠিতে ছিল টাইটানিক ও এর যাত্রীদের কিছু বর্ণনা।

"জাহাজটা বিশাল বড় এবং দেখতে রাজকীয় হোটেলের মতো। বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি জন জ্যাকব অ্যাস্টর ও তার স্ত্রীও রয়েছে আমাদের সাথে। কোটি কোটি টাকা থাকলেও তিনি দেখতে আর দশটা সাধারণ মানুষের মতোই। ডেকের বাইরে তিনি আমাদের সাথে বসে আছেন।"

টাইটানিক ডুবে যাওয়ার ফলে যে পনেরো শ' মানুষের মৃত্যু হয় তাদের মধ্যে একজন ছিলেন হলভারসন। জেজে অ্যাস্টর ও তার স্ত্রীও মারা যান।

তবে ম্যারি হলভারসন বেঁচে গিয়েছিলেন। তার স্বামী অস্কার হলভারসনের লাশ যখন উদ্ধার করা হয় তখন তার পকেটে চিঠিটা পাওয়া যায়।

চিঠিটার মধ্যে এখনও সাগর ও পানির চিহ্ন রয়েছে। হলভারসনের ওই চিঠি তার মায়ের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছিল।

নিলামদার অ্যালড্রিজ বলছেন, "সম্ভবত এটাই জাহাজের কোনো যাত্রীর লেখা একমাত্র চিঠি যেটা তার মৃত্যুর কারণে পোস্ট না করা হলেও প্রেরকের কাছে পৌঁছেছে।

চীনে তৈরি হচ্ছে টাইটানিক!

টাইটানিকের মতো সমান আকারের এবং হুবহু একই রকমের একটি জাহাজ তৈরির কাজ চলছে চীনে। জাহাজটি রাখা হবে সেদেশের একটি থিম পার্কে যা দর্শকদের কাছে প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নতুন এই জাহাজটি হবে ২৬৯ মিটার লম্বা। স্থায়ীভাবে এটিকে নোঙর করে রাখা হবে সিচুয়ান প্রদেশের একটি জলাশয়ে। জাহাজটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে গত বছর থেকে। টাইটানিক নামে আসল জাহাজটি তৈরি করেছিলো বেলফাস্টের হারল্যান্ড এন্ড উল্ফ নামের একটি কোম্পানি।

আইসবার্গের সাথে সংঘর্ষের পর জাহাজটি সব যাত্রী নিয়ে উত্তর আটলান্টিকে ডুবে গিয়েছিলো। তাতে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

ওটাই ছিলো টাইটানিকের প্রথম যাত্রা। সাউদাম্পটন থেকে জাহাজটি নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলো। এই জাহাজটির গল্প চীনে বহু মানুষের কাছে রোমাঞ্চকর এক কাহিনীর মতো।

এবিষয়ে ১৯৯৭ সালে কেট উইন্সলেট এবং লিওনার্ডো ডি ক্যাপ্রিও অভিনীত একটি ছবি মুক্তি পাওয়ার পর চীনে এই জাহাজটির ব্যাপারে তীব্র আগ্রহের সৃষ্টি হয়।

ছবিটি চিত্রায়নের জন্যে চিত্র পরিচালক জেমস ক্যামেরন আসল জাহাজটির ৯০% কাছাকাছি একটি জাহাজ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু একই আকারের জাহাজটি কখনো তৈরি হয়নি।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ান এক ধনকুবের ২০১২ সালে টাইটানিকের অনুকরণে হুবহু একটি জাহাজ তৈরি করার কথা ঘোষণা করেছিলেন কিন্তু সেই কাজ এখনও শেষ হয়নি।

চীনা এই জাহাজটিতে ভেতরের নকশাও প্রায় একই রকম রাখা হবে বলে বলা হচ্ছে। থাকবে বলরুম, থিয়েটার, সুইমিং পুল এবং প্রথম শ্রেণীর কেবিন। এর সাথে যুক্ত হবে ওয়াই ফাই। বলা হচ্ছে, পুরো জাহাজটি তৈরি করতে ১১৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ পড়বে। চীনে আভ্যন্তরীণ পর্যটন ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

সংবাদদাতারা বলছেন, একারণেই বেসরকারি কোম্পানিগুলো টাইটানিকের মতো চমকপ্রদ বিষয় নিয়ে এগিয়ে আসছে।সূএ: বিবিসি

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71