শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯
শুক্রবার, ৬ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া
টাকার প্রস্তাব দিয়ে মিয়ানমারের পক্ষে দালালি করছে চীন
প্রকাশ: ০৫:১৯ pm ১০-০৩-২০১৯ হালনাগাদ: ০৫:১৯ pm ১০-০৩-২০১৯
 
কক্সবাজার প্রতিনিধি
 
 
 
 


কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শনকালে চীন সরকারের এশিয়া বিষয়ক দূত সুন গুঝিয়াং গত ৩ মার্চ প্রত্যেক রোহিঙ্গাকে প্রায় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ সহয়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মিয়ানমারে ফিরে যেতে। আর এ ঘটনায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গারা। কক্সবাজারের কুতুপালং ও বালুখালী শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গারা ক্ষেভের সাথে বলছে চীন এ প্রস্তাব দিয়ে মিয়ানমার সরকারের পক্ষে দালালি করছে। 

ফরিদ নামের এক রোহিঙ্গা জানান,আমরা তাদের বিশ্বাস করি না। আমাদের এ টাকার দরকার নাই, টাকা না দিলেও চলে যেতে চাই। 

বালুখালীর জসিম জানান, আমাদের এ টাকার দরকার নেই। নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা না পেলে নিজ দেশে ফিরে যাব না। 
বালুখালী শরণার্থী শিবিরের এক মাঝি জানান, চীন তাদেরকে টাকা দেওয়ার কথা বললেও দেশে ফিরে গেলে সে টাকার ছিনিয়ে নেবে মিয়ানমার প্রশাসন। তাছাড়া চীনের টাকা দেওয়ার বিষয়টি বিশ্বাস হচ্ছে না। 

থাইংখালীর জসিম উদ্দিন নামে এক রোহিঙ্গা বৃদ্ধ জানান, এই পরিস্থিতিতে আমরা কী করে মিয়ানমারে ফিরবো? সেখানে গিয়ে আমরা কী খাবো? আমাদের সব সম্পত্তি তারা কেড়ে নিয়েছে। এগুলো ফেরত দিতে হবে।উখিয়ার মধুরছড়ার এক রোহিঙ্গা মাঝি জানান,আমরাতো এখানেও টাকা পাচ্ছি, ওই টাকা দিলেও আমরা যাব না। 

তিনি আরও বলেন, টাকা নয়, রোহিঙ্গাদের নিশ্চিত নিরাপত্তা ও নাগরিকত্ব নিশ্চয়তা দিলেই আমরা ফিরবো।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইনে অভিযানের নামে বাড়ি-ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে, নির্বিচারে গুলি করে রোহিঙ্গাদের হত্যা করা হয়। এছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিপক্ষে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ ও গণধর্ষণেরও অভিযোগ উঠেছে। তবে মিয়ানমারের তরফ থেকে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বার বার। যদিও জাতিসংঘ এই ঘটনাকে জাতিগত নিধন বলে উল্লেখ করেছে। জাতিসংঘের এক হিসাব অনুযায়ী, ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের বেশ কিছু পুলিশ ও সেনা পোস্টে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযান শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। রাখাইনের বিভিন্ন গ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে বাধ্য হয়ে নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা।

নি এম/চঞ্চল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71