মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯
মঙ্গলবার, ১০ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
টাঙ্গাইলে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতি কাজল বিশ্বাসের মত্যু 
প্রকাশ: ০৯:৫৯ am ২১-১০-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৫৯ am ২১-১০-২০১৮
 
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
 
 
 
 


 

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ডাক্তার ও নার্সদের অবহেলা ও গাফিলতির কারণে কৃষ্ণা বিশ্বাস কাজল নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর নিহত কাজলের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

শনিবার এ ঘটনা ঘটেছে।

কাজল বিশ্বাস উপজেলা সদরের বাওয়ার কুমারজানী গ্রামের বাসিন্দা ও দেওহাটা এ জে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক রাধা বল্লভ বিশ্বাসের মেয়ে। তিনি মানিকগঞ্জ জেলার জামশা গ্রামের লিটন সরকারের স্ত্রী। লিটন সরকার একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন।  
 
শনিবার বাওয়ার কুমারজানি গ্রামের কাজল বিশ্বাসের স্বজনরা অভিযোগ করেন, ৮ মাসের গর্ববতী কাজল বিশ্বাস ব্যথা ও বমিভাব নিয়ে বুধবার দুপুর দেড়টায় কুমুদিনী হাসপাতাল রোডের বেসরকারি হাসপাতাল মির্জাপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রেজওয়ানা পারভীন কাজল বিশ্বাসকে ব্যথা, বমি, গ্যাস্টিকসহ চারটি ইনজেকশন দেন। তাছাড়া রোগীর ব্যবস্থাপত্রে কয়েকটি পরীক্ষা লিখে চলে আসেন। পরে কাজ বিশ্বাসকে স্যালাইন দেয়া হয়। এরপর ক্রমেই কাজল বিশ্বাসের অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কাজল বিশ্বাসকে তাড়াহুড়া করে কুমুদিনী হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। কুমুদিনী হাসপাতালের চিকিৎসকেরা কাজল বিশ্বাসের ডায়বেটিক পরীক্ষা করে দেখতে পান ডায়বেটিকের পরিমাণ ৩৭ পয়েন্ট। পরে চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বারডেম হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা কাজল বিশ্বাসকে মৃত ঘোষণা করেন। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না পাওয়ায় প্রসূতির এ করুণ পরিণতি হয় বলে বারডেমের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান। এ তথ্য কাজল বিশ্বাসের কাকা মুক্তিযোদ্ধা দুর্লভ বিশ্বাস স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। 

 
তদন্তসাপেক্ষে মির্জাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহত কাজলের পরিবার।
 
এ ব্যাপারে মির্জাপুর জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক মেডিক্যাল সেন্টার (প্রাইভেট) হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আলম বলেন, ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত থাক না কেন তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71