রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
টাঙ্গাইলে ২টি কালী মন্দিরে হামলার পর পুড়িয়ে দিল ৫ প্রতিমা
প্রকাশ: ১০:২০ am ২৬-০২-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:২০ am ২৬-০২-২০১৮
 
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
 
 
 
 


২টি কালী মন্দিরের হামলা করে ভাংচুরের পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে, এতে  ভস্মীভূত হয়েছে  ৫টি প্রতিমা।টাঙ্গাইলের নাগরপুরে একই রাতে ২টি কালী মন্দিরে প্রতিমায় আগ্নি সংযোগ করেছে দুর্র্বৃত্তরা। শনিবার ভোর রাতে উপজেলার বেকড়া ও চক গদাধর নামক স্থানে পৃথক এ দুটি ঘটনা ঘটে। আগুনে মন্দির দুটির অবকাঠামোর কোন ক্ষতি না হলেও মন্দিরের ভিতরে থাকা ৫টি প্রতিমা পুড়ে গেছে। 

পুলিশ ও এলাকবাসী সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোর রাতে উপজেলার বেকড়া আটগ্রাম ইউনিয়নের বেকড়া সিদ্ধেশ^রী কালী মন্দিরে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা মন্দিরের পেছনদিক থেকে অগ্নি সংযোগ করে। এতে মন্দিরের কমপক্ষে ৫টি দেবীর মূর্তি পুড়ে যায়।

অপরদিকে ওই রাতে ধুবড়িয়া ইউনিয়নের চকগদাধর কালী মন্দিরেও একই কায়দায় দুবৃর্ত্তরা আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে ওই মন্দিরের একটি মূর্তির আংশিক ক্ষতি হয়। বেকড়া সিদ্ধেশ^রী কালী মন্দির কমিটির সভাপতি (ভারঃ) সাধন মন্ডল জানান, শনিবার ভোর রাতে কে বা কাহারা মন্দিরে অগ্নি সংযোগ করে পালিয়ে যায়।

এ সময় এলাকাবাসী কালী মন্দির থেকে আগুনের ধুয়া বের হতে দেখে তারা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। এ ঘটনায় মন্দির দুটির অবকাঠামোগত কোন ক্ষতি হয়নি। সংবাদ পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

এ ঘটনায় শনিবার সকালে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান ও সহকারী পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) মোঃ আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ নিয়ে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান বলেন, মন্দির দুটিতে আগুনের ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তাৎক্ষনিভাবে ঘটনায় জড়িতদের সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) খান হাসান মোস্তফা জানান, প্রতিটি পুজা মন্ডপসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পুলিশি তৎপড়তা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অতি দ্রুত ঘটনায় জড়িতদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে সব কয়টি মন্দিরে ইতোমধ্যে পুলিশ মোতায়েনসহ নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71